নেত্রকোনা প্রতিনিধি

অভাবের সংসারে হাল ধরতে কিশোর বয়সেই রাজধানীর অলিগলিতে রিকশা চালানো শুরু করে সোহাগ মিয়া (১৪)। তার দরিদ্র বাবাও রিকশা চালান।
চার ভাই আর মা-বাবা মিলে ছয়জনের সংসারের খরচের সিংহভাগ চলে সোহাগের আয়ে। কিন্তু ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয় সোহাগ। গুলিটি সোহাগের ডান কানের পাশ দিয়ে ঢুকে মাথার পেছন দিয়ে বের হয়ে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
সোহাগ মিয়া নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন গ্রামের সাফায়েত হোসেনের ছেলে। চার ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় সে। ২০ জুলাই সকালে গ্রামের বাড়ি নিয়ে তাকে দাফন করা হয়। দরিদ্র পরিবারের সোহাগের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভাবের তাড়নায় ৯-১০ বছর আগে সপরিবারে রাজধানীর বাড্ডা নতুন বাজার এলাকায় গিয়ে রিকশা চালানো শুরু করেন সাফায়েত হোসেন। একার আয়ে সংসার ভালো চলছিল না তার। তাই গত দুই বছর ধরে রিকশা চালানো শুরু করে সোহাগ। এতে তাদের সংসারে কিছুটা সচ্ছলতা ফিরছিল।
সোহাগের চাচা সফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রামের বাড়িতে থাকার ভিটেটা পর্যন্ত নেই সাফায়েতের। অভাবের কারণে ৯-১০ বছর আগে স্ত্রী-সন্তানসহ রাজধানীতে চলে যান তিনি। সেখানে গিয়ে রিকশা চালিয়ে সংসার চালাতেন। চার ছেলে ও স্বামী-স্ত্রী মিয়ে ছয় সদস্যর সংসার চড়া মূল্যের বাজারে একার আয়ে আর চলছিল না। তাই বাধ্য হয়ে কিশোর ছেলে রিকশা চালানো শুরু করে। এতে তাদের সংসার কিছুটা ভালোই চলছিল।
গত ১৯ জুলাই কারফিউ চলাকালেও পেটের দায়ে রিকশা নিয়ে বের হয় সোহাগ। নতুন বাজারের অলি-গলিতে দিনভর যতটুকু পেরেছে রিকশা চালিয়ে কিছু আয় করেছে। সন্ধ্যায় গ্যারেজে রিকশা রেখে বাসায় ফেরার সময় হঠাৎ কোখায় থেকে এসে একটি গুলি সোহাগের মাথায় লাগে। গুলিটি ডান কানের পাশ দিয়ে ঢুকে মাথার পেছন দিয়ে বের হয়ে যায়। এতে অনেকটা মগজ বের হয়ে গেছে। উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে কাছকাছি অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে গেলে ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
সফিকুল ইসলাম আরও বলেন, সেখানকার চিকিৎসকেরা পরামর্শ দেন, বাড়িতে নিয়ে যেতে হলে লাশ দ্রুত বের করে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তাই দেরি না করে লাশ দ্রত একটা পিকআপ ভ্যানে করে নেত্রকোনার পথে রওয়ানা করা হয়। শেষ রাতে লাশ গ্রামের বাগিদে এসে পৌঁছায়। পরে শনিবার ১০টায় জানাযা শেষে গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়।
চাচা সফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এমনিতেই অসহায় আমার ভাইটা। কর্মক্ষম ছেলেটা হারিয়ে আরও অসায় হয়ে গেল। আল্লাহর কাছেই এর বিচার দিলাম। তিনিই মহা বিচারক।’
প্রতিবেশী বৃদ্ধ আব্দুল মোতালেব বলেন, সোহাগ খুবই ভালো ছেলে ছিল। ছোট ছেলেটা সংসারের হাল ধরেছিল। তার জীবন শুরু হতে না হতেই শেষ হয়ে গেল। একটা পরিবার হোঁচট খেল। অসহায় পরিবারটা আরও অসহায় হয়ে গেল।
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুল হক বলেন, সে ঢাকায় গুলিতে নিহত হয়েছে। খুবই দরিদ্র পরিবার তাদের। বিষয়টা খুবই দুঃখজনক।

অভাবের সংসারে হাল ধরতে কিশোর বয়সেই রাজধানীর অলিগলিতে রিকশা চালানো শুরু করে সোহাগ মিয়া (১৪)। তার দরিদ্র বাবাও রিকশা চালান।
চার ভাই আর মা-বাবা মিলে ছয়জনের সংসারের খরচের সিংহভাগ চলে সোহাগের আয়ে। কিন্তু ১৯ জুলাই সন্ধ্যায় কোটা সংস্কার আন্দোলন ঘিরে সংঘর্ষ চলাকালে গুলিবিদ্ধ হয় সোহাগ। গুলিটি সোহাগের ডান কানের পাশ দিয়ে ঢুকে মাথার পেছন দিয়ে বের হয়ে যায়। স্থানীয়রা উদ্ধার করে হাসপাতালে নেওয়ার পথেই তার মৃত্যু হয়।
সোহাগ মিয়া নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার বড়খাপন গ্রামের সাফায়েত হোসেনের ছেলে। চার ভাইয়ের মধ্যে সবার বড় সে। ২০ জুলাই সকালে গ্রামের বাড়ি নিয়ে তাকে দাফন করা হয়। দরিদ্র পরিবারের সোহাগের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে।
খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, অভাবের তাড়নায় ৯-১০ বছর আগে সপরিবারে রাজধানীর বাড্ডা নতুন বাজার এলাকায় গিয়ে রিকশা চালানো শুরু করেন সাফায়েত হোসেন। একার আয়ে সংসার ভালো চলছিল না তার। তাই গত দুই বছর ধরে রিকশা চালানো শুরু করে সোহাগ। এতে তাদের সংসারে কিছুটা সচ্ছলতা ফিরছিল।
সোহাগের চাচা সফিকুল ইসলাম বলেন, গ্রামের বাড়িতে থাকার ভিটেটা পর্যন্ত নেই সাফায়েতের। অভাবের কারণে ৯-১০ বছর আগে স্ত্রী-সন্তানসহ রাজধানীতে চলে যান তিনি। সেখানে গিয়ে রিকশা চালিয়ে সংসার চালাতেন। চার ছেলে ও স্বামী-স্ত্রী মিয়ে ছয় সদস্যর সংসার চড়া মূল্যের বাজারে একার আয়ে আর চলছিল না। তাই বাধ্য হয়ে কিশোর ছেলে রিকশা চালানো শুরু করে। এতে তাদের সংসার কিছুটা ভালোই চলছিল।
গত ১৯ জুলাই কারফিউ চলাকালেও পেটের দায়ে রিকশা নিয়ে বের হয় সোহাগ। নতুন বাজারের অলি-গলিতে দিনভর যতটুকু পেরেছে রিকশা চালিয়ে কিছু আয় করেছে। সন্ধ্যায় গ্যারেজে রিকশা রেখে বাসায় ফেরার সময় হঠাৎ কোখায় থেকে এসে একটি গুলি সোহাগের মাথায় লাগে। গুলিটি ডান কানের পাশ দিয়ে ঢুকে মাথার পেছন দিয়ে বের হয়ে যায়। এতে অনেকটা মগজ বের হয়ে গেছে। উপস্থিত লোকজন তাকে উদ্ধার করে কাছকাছি অ্যাপোলো হাসপাতালে নিয়ে গেলে ততক্ষণে তার মৃত্যু হয়।
সফিকুল ইসলাম আরও বলেন, সেখানকার চিকিৎসকেরা পরামর্শ দেন, বাড়িতে নিয়ে যেতে হলে লাশ দ্রুত বের করে নিয়ে যাওয়ার জন্য। তাই দেরি না করে লাশ দ্রত একটা পিকআপ ভ্যানে করে নেত্রকোনার পথে রওয়ানা করা হয়। শেষ রাতে লাশ গ্রামের বাগিদে এসে পৌঁছায়। পরে শনিবার ১০টায় জানাযা শেষে গ্রামের কবরস্থানে দাফন করা হয়।
চাচা সফিকুল ইসলাম আরও বলেন, ‘এমনিতেই অসহায় আমার ভাইটা। কর্মক্ষম ছেলেটা হারিয়ে আরও অসায় হয়ে গেল। আল্লাহর কাছেই এর বিচার দিলাম। তিনিই মহা বিচারক।’
প্রতিবেশী বৃদ্ধ আব্দুল মোতালেব বলেন, সোহাগ খুবই ভালো ছেলে ছিল। ছোট ছেলেটা সংসারের হাল ধরেছিল। তার জীবন শুরু হতে না হতেই শেষ হয়ে গেল। একটা পরিবার হোঁচট খেল। অসহায় পরিবারটা আরও অসহায় হয়ে গেল।
কলমাকান্দা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ লুৎফুল হক বলেন, সে ঢাকায় গুলিতে নিহত হয়েছে। খুবই দরিদ্র পরিবার তাদের। বিষয়টা খুবই দুঃখজনক।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে