নেত্রকোনা প্রতিনিধি

ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ রুটে চলাচলকারী লোকাল ট্রেন এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ যাত্রীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ থেকে মোহনগঞ্জ পর্যন্ত চলাচলকারী লোকাল ট্রেনটি সকাল ও বিকেলে এই রুটে চলাচল করত। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মোহনগঞ্জ উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেত। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মোহনগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসত। পরে দুপুর সোয়া দুইটার দিকে ফের ময়মনসিংহ থেকে মোহনগঞ্জের উদ্দেশ্য ছেড়ে যেত। গত ১ জুন থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় জেলা শহরে বসবাসকারী বিভিন্ন দপ্তরের চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ পড়েছেন।
মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আতাউর রহমান বলেন, ‘লোকাল ট্রেনটি সর্বশেষ ৩১ মে মোহনগঞ্জ এসেছিল। এরপর আর আসেনি। ইঞ্জিনে সমস্যা হওয়ায় ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ইঞ্জিনটি মেরামতের জন্য চট্টগ্রাম পাঠানো হয়েছে। মেরামত শেষ হলে আবারও চলাচল শুরু করবে।’ দ্রুত ইঞ্জিন মেরামত সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তবে কবে নাগাদ ইঞ্জিন মেরামত শেষ হবে তা তিনি জানাতে পারেননি।
এই ট্রেনে নিয়মিত যাতায়াতকারী নেত্রকোনা শহরের বাসিন্দা আফজাল হোসেন বলেন, ‘লোকাল ট্রেনটি বন্ধ থাকায় চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ যাত্রীরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি রাখছি দ্রুত সময়ের মধ্যে মোহনগঞ্জ লোকাল ট্রেনটি চালু করার জন্য।’
মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সহায়ক পদে কর্মরত নেত্রকোনা শহরের বাসিন্দা কুতুব উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘লোকাল ট্রেন দিয়েই বাড়ি থেকে মোহনগঞ্জ গিয়ে চাকরি করি। সকালে লোকাল ট্রেনে গিয়ে অফিসের ডিউটি শেষে বিকেলে আবার লোকাল ট্রেনে চলে আসি। এক সপ্তাহ ধরে ট্রেন বন্ধ থাকায় বড় বিপদে আছি।’
নেত্রকোনা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আশা করছি ইঞ্জিনের সমস্যা দূর হয়ে ঈদের আগেই লোকাল ট্রেনটি চালু হবে।

ময়মনসিংহ-মোহনগঞ্জ রুটে চলাচলকারী লোকাল ট্রেন এক সপ্তাহ ধরে বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ যাত্রীরা।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ময়মনসিংহ থেকে মোহনগঞ্জ পর্যন্ত চলাচলকারী লোকাল ট্রেনটি সকাল ও বিকেলে এই রুটে চলাচল করত। ভোর সাড়ে ৫টার দিকে মোহনগঞ্জ উদ্দেশ্যে ছেড়ে যেত। সকাল সাড়ে ৯টার দিকে মোহনগঞ্জ থেকে ছেড়ে আসত। পরে দুপুর সোয়া দুইটার দিকে ফের ময়মনসিংহ থেকে মোহনগঞ্জের উদ্দেশ্য ছেড়ে যেত। গত ১ জুন থেকে ট্রেন চলাচল বন্ধ থাকায় জেলা শহরে বসবাসকারী বিভিন্ন দপ্তরের চাকরিজীবী, ব্যবসায়ী ও যাত্রীরা চরম দুর্ভোগ পড়েছেন।
মোহনগঞ্জ রেলওয়ে স্টেশন মাস্টার আতাউর রহমান বলেন, ‘লোকাল ট্রেনটি সর্বশেষ ৩১ মে মোহনগঞ্জ এসেছিল। এরপর আর আসেনি। ইঞ্জিনে সমস্যা হওয়ায় ট্রেন চলাচল বন্ধ রয়েছে। ইঞ্জিনটি মেরামতের জন্য চট্টগ্রাম পাঠানো হয়েছে। মেরামত শেষ হলে আবারও চলাচল শুরু করবে।’ দ্রুত ইঞ্জিন মেরামত সম্পন্ন হবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন। তবে কবে নাগাদ ইঞ্জিন মেরামত শেষ হবে তা তিনি জানাতে পারেননি।
এই ট্রেনে নিয়মিত যাতায়াতকারী নেত্রকোনা শহরের বাসিন্দা আফজাল হোসেন বলেন, ‘লোকাল ট্রেনটি বন্ধ থাকায় চাকরিজীবী, ব্যবসায়ীসহ সাধারণ যাত্রীরা মারাত্মকভাবে ক্ষতিগ্রস্ত হচ্ছে। রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে দাবি রাখছি দ্রুত সময়ের মধ্যে মোহনগঞ্জ লোকাল ট্রেনটি চালু করার জন্য।’
মোহনগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার অফিস সহায়ক পদে কর্মরত নেত্রকোনা শহরের বাসিন্দা কুতুব উদ্দিন। তিনি বলেন, ‘লোকাল ট্রেন দিয়েই বাড়ি থেকে মোহনগঞ্জ গিয়ে চাকরি করি। সকালে লোকাল ট্রেনে গিয়ে অফিসের ডিউটি শেষে বিকেলে আবার লোকাল ট্রেনে চলে আসি। এক সপ্তাহ ধরে ট্রেন বন্ধ থাকায় বড় বিপদে আছি।’
নেত্রকোনা রেলওয়ে স্টেশনের স্টেশন মাস্টার আব্দুল্লাহ আল মামুন বলেন, আশা করছি ইঞ্জিনের সমস্যা দূর হয়ে ঈদের আগেই লোকাল ট্রেনটি চালু হবে।

কিশোরগঞ্জের ভৈরবে ভুল চিকিৎসায় ঝুমা বেগম (২০) নামের এক গৃহবধূর মৃত্যুর অভিযোগ পাওয়া গেছে। শহরের ট্রমা অ্যান্ড জেনারেল হাসপাতালে এ ঘটনা ঘটে। মৃত্যুর পর আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) দুপুরে গৃহবধূর লাশ নেওয়া হয় ভৈরব থানায়। থানায় লাশ রেখেই বিকেলে ৪ লাখ টাকায় রফাদফা হয়েছে বলে জানান রোগীর স্বজন রাশেদ মিয়া।
১৩ মিনিট আগে
কুমিল্লার হোমনায় একটি বাড়িতে ডাকাতির ঘটনা ঘটেছে। গত শুক্রবার দিবাগত রাতে উপজেলার শ্রীমদ্দি গ্রামের নাথবাড়ির প্রয়াত সানু দাসের ঘরে এ ডাকাতির ঘটনা ঘটে। ভুক্তভোগী পরিবারের দাবি, ডাকাতেরা ঘর থেকে ১০ ভরি স্বর্ণালংকার, ১২ ভরি রুপা ও ২০ হাজার টাকা লুটে নিয়েছে।
১৮ মিনিট আগে
সুন্দরবনে রিসোর্ট মালিক ও দুই পর্যটককে অপহরণ করেছে সশস্ত্র বনদস্যু বাহিনী। গতকাল শুক্রবার বিকেলে সুন্দরবনের চাঁদপাই রেঞ্জের ঢাংমারী এলাকার কেনুর খাল থেকে তাঁদের অপহরণ করা হয়। শনিবার (৩ জানুয়ারি) রাতে বিষয়টি জানাজানি হয়।
২২ মিনিট আগে
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ময়মনসিংহ-৭ (ত্রিশাল) আসন থেকে এমপি প্রার্থী আলোচিত ভিক্ষুক আবুল মুনসুর ফকিরের মনোনয়ন বাতিল ঘোষণা করা হয়েছে। আজ শনিবার (৩ জানুয়ারি) মনোনয়ন যাচাই-বাছাইয়ের শেষ দিনে ময়মনসিংহের জেলা প্রশাসক ও জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা সাইফুর রহমান তাঁর মনোনয়নপত্র বাতিল ঘোষণা করেন।
১ ঘণ্টা আগে