নেত্রকোনা মদন উপজেলায় বাড়ির সীমানা নিয়ে বিরোধের জের ধরে সংঘর্ষে মঞ্জু মিয়া (৬৫) নামের এক কৃষক নিহত হয়েছেন। আজ রোববার (২২ মার্চ) দুপুরে উপজেলার মাঘান ইউনিয়নের পদেরকোনা (নয়াপাড়া) গ্রামে এ সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। মঞ্জু মিয়া ওই গ্রামের আলী হোসেনের ছেলে।
পুলিশ ও স্থানীয় লোকজন জানিয়েছে, মঞ্জু মিয়ার বাড়ির সীমানা নিয়ে প্রতিবেশী শান্ত মিয়া বিরোধ চলছে। এ নিয়ে রোববার দুপুরে দুই পক্ষের মধ্যে বাগ্বিতণ্ডা শুরু হয়। একপর্যায়ে উভয় পক্ষ লাঠিসোঁটা নিয়ে সংঘর্ষে জড়ায়। এ সময় মঞ্জু মিয়া লাঠির আঘাতে লুটিয়ে পড়েন। পরে তাঁকে উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে নিলে কর্তব্যরত চিকিৎসক জানান, মঞ্জু মিয়া মারা গেছেন।
মঞ্জু মিয়ার ছেলে সালেক মিয়া বলেন, ‘বাড়ির সীমানা নিয়ে তর্কাতর্কি চলছিল। এ সময় প্রতিবেশী আমীর হোসেনসহ তাঁর পক্ষের লোকজন আমার বাবার ওপর আক্রমণ করে। আমার বাবা ঘটনাস্থলে লুটিয়ে পড়লে তাঁকে হাসপাতালে নিয়ে যাই। পরে চিকিৎসক তাঁকে মৃত ঘোষণা করেন।’
মদন থানার পরিদর্শক (তদন্ত) দেবাংশু দে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘নিহত কৃষকের লাশ ময়নাতদন্তের জন্য নেত্রকোনা আধুনিক সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হবে। তাঁর পরিবারের পক্ষ থেকে লিখিত অভিযোগ পেলে সে অনুযায়ী পরবর্তী আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

৫০ বছর বয়সী গোলজার হোসেন দুই দশক ধরে ধানখেতে মাছ চাষ করছেন। স্থানীয়রা তাঁকে ‘ধানখেতে মাছ চাষের গুরু’ বলেই চেনেন। তাঁর দেখানো পথ অনুসরণ করে গ্রামের অনেক কৃষক এখন ধানের পাশাপাশি মাছ চাষ করে বাড়তি আয় করছেন।
২২ মিনিট আগে
গাজীপুরের কাপাসিয়া উপজেলার রাউৎকোনা গ্রামে একই পরিবারের শিশুসহ পাঁচজনকে কুপিয়ে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। গতকাল শুক্রবার দিবাগত রাতে কাপাসিয়া সদর উপজেলার সদর ইউনিয়নের রাউৎকোনা গ্রামের মনির হোসেন বাড়িতে এ ঘটনা ঘটে।
১ ঘণ্টা আগে
হাসপাতালের ভবন নতুন, আধুনিক সব যন্ত্রপাতি এবং ১০টি নিবিড় পরিচর্যা কেন্দ্র (আইসিইউ)। তবে জনবলের অভাবে এসবের কোনোটাই কাজে লাগানো যাচ্ছে না। এতে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছে সাধারণ মানুষ। আর দূরের হাসপাতালে চিকিৎসাসেবা নিতে গিয়ে হয়রানির শিকার হচ্ছে অনেকে। এই চিত্র মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালের।
১ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের করচার হাওর এলাকায় স্ত্রী-সন্তান নিয়ে ধানের মুইট (আঁটি) নৌকা থেকে তীরে তুলছিলেন ষাটোর্ধ্ব কৃষক নিবারণ দেবনাথ। তিনি বিশ্বম্ভরপুর উপজেলার পলাশ ইউনিয়নের আদুখালি গ্রামের বাসিন্দা। এবার তিনি বোরো জমি আবাদ করেছেন ২০ খানি (৩০ শতকে এক খানি)। এর মধ্যে ৭ খানি জমি পানিতে তলিয়ে নষ্ট হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে