নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় শিশু হত্যা ও দুটি মাদক মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ এফ এম মারুফ চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নেত্রকোনা পৌরশহরের চকপাড়া এলাকার মো. কাইয়ুম ওরফে কিংকন (৪৫), মঈনপুর এলাকার ইয়াসমিন আক্তার (৩৫) ও সদরের দেওপুর গ্রামের (মুক্তির বাজার) পলাশ সরকার (৪৩)।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কমলেশ কুমার চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, জেলার কলমাকান্দা উপজেলার ডুমুরিয়াকোনা গ্রামের সুমন মল্লিকের গোয়াল থেকে গুরু চুরি করে ধরা পড়েন পলাশ সরকার। পরে স্থানীয় বিচারে অপমানিত হয় পলাশ সরকার। এর প্রতিশোধ নিতে ২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট সুমন মল্লিকের ছেলে বিশাল মল্লিককে (৬) হত্যা করে পলাশ সরকার ও স্থানীয় ডুমুরিয়াকোনা গ্রামের দুজন।
২৬ আগস্ট আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পুলিশ তদন্ত শেষে একই বছরের ২৫ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।
সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আজ বৃহস্পতিবার পলাশ সরকারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এ মামলার অপর দুই আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের কিশোর আদালতে পাঠানো হয়।
অপরদিকে জেলায় প্রথম মাদকের চালান আমদানিকারক হিসেবে পরিচিত পাওয়া কাইয়ুম ওরফে কিংকনকে ২৩০ গ্রাম হেরোইনসহ ২০১৮ সালে ২৪ জুন গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলা হলে তদন্ত শেষে একই বছরের ২১ আগস্ট আদালতে কিংকনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।
২০১৮ সালের ২৭ মে ৫০৭ গ্রাম হেরোইনসহ ইয়াসমিন আক্তার নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ইয়াসমিন ও তাঁর স্বামী মাদকের কারবারি। এ মামলায় একই বছরের ২ আগস্ট ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কমলেশ কুমার চৌধুরী বলেন, হাওরাঞ্চলের এই নিভৃত জনপদে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে মানুষ দ্রুত মুক্তি পাচ্ছে।

নেত্রকোনায় শিশু হত্যা ও দুটি মাদক মামলায় তিনজনকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দিয়েছেন আদালত। আজ বৃহস্পতিবার নেত্রকোনার অতিরিক্ত জেলা ও দায়রা জজ আদালতের বিচারক এ এফ এম মারুফ চৌধুরী এ রায় ঘোষণা করেন।
যাবজ্জীবন কারাদণ্ডপ্রাপ্তরা হলেন, নেত্রকোনা পৌরশহরের চকপাড়া এলাকার মো. কাইয়ুম ওরফে কিংকন (৪৫), মঈনপুর এলাকার ইয়াসমিন আক্তার (৩৫) ও সদরের দেওপুর গ্রামের (মুক্তির বাজার) পলাশ সরকার (৪৩)।
আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কমলেশ কুমার চৌধুরী এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, জেলার কলমাকান্দা উপজেলার ডুমুরিয়াকোনা গ্রামের সুমন মল্লিকের গোয়াল থেকে গুরু চুরি করে ধরা পড়েন পলাশ সরকার। পরে স্থানীয় বিচারে অপমানিত হয় পলাশ সরকার। এর প্রতিশোধ নিতে ২০১৩ সালের ২৫ আগস্ট সুমন মল্লিকের ছেলে বিশাল মল্লিককে (৬) হত্যা করে পলাশ সরকার ও স্থানীয় ডুমুরিয়াকোনা গ্রামের দুজন।
২৬ আগস্ট আসামিদের গ্রেপ্তার করে আদালতে পাঠালে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দেয়। পুলিশ তদন্ত শেষে একই বছরের ২৫ নভেম্বর আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয়।
সাক্ষ্যপ্রমাণ শেষে আজ বৃহস্পতিবার পলাশ সরকারকে যাবজ্জীবন কারাদণ্ড দেন আদালত। এ মামলার অপর দুই আসামি অপ্রাপ্তবয়স্ক হওয়ায় তাদের কিশোর আদালতে পাঠানো হয়।
অপরদিকে জেলায় প্রথম মাদকের চালান আমদানিকারক হিসেবে পরিচিত পাওয়া কাইয়ুম ওরফে কিংকনকে ২৩০ গ্রাম হেরোইনসহ ২০১৮ সালে ২৪ জুন গ্রেপ্তার করে পুলিশ। এ ঘটনায় মামলা হলে তদন্ত শেষে একই বছরের ২১ আগস্ট আদালতে কিংকনের বিরুদ্ধে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।
২০১৮ সালের ২৭ মে ৫০৭ গ্রাম হেরোইনসহ ইয়াসমিন আক্তার নামের এক নারীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ। ইয়াসমিন ও তাঁর স্বামী মাদকের কারবারি। এ মামলায় একই বছরের ২ আগস্ট ইয়াসমিনের বিরুদ্ধে আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেয় পুলিশ।
রায়ে সন্তোষ প্রকাশ করে আদালতের অতিরিক্ত পাবলিক প্রসিকিউটর (পিপি) কমলেশ কুমার চৌধুরী বলেন, হাওরাঞ্চলের এই নিভৃত জনপদে বিচারহীনতার সংস্কৃতি থেকে মানুষ দ্রুত মুক্তি পাচ্ছে।

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
১৯ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে