নেত্রকোনা প্রতিনিধি

তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করার অভিযোগে নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য মানু মজুমদারকে এলাকা ছাড়তে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এলাকা ছাড়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সাংসদের বিরুদ্ধে দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আচরণবিধি লঙ্ঘন করার অভিযোগ করেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর থেকে সাংসদ মানু মজুমদার তাঁর নির্বাচনী এলাকা কলমাকান্দা ও দুর্গাপুরে অধিকাংশ সময় অবস্থান করছেন। তিনি বিভিন্ন ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত তাঁর পছন্দের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন ও বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারে বাধা সৃষ্টি করছেন। তাঁর প্রশ্রয়ে কর্মী-সমর্থকেরাও বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভয়-ভীতি দেখাচ্ছেন।
এ নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে শুক্রবার দুপুরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সাংসদকে একটি চিঠি দেন। ওই চিঠিতে আচরণ বিধিমালার উল্লেখ করে সাংসদকে নির্বাচনী এলাকা ছাড়তে অনুরোধ করা হয়।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ সাংসদকে এলাকা ছাড়তে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযোগের প্রেক্ষিতে ও অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষে সাংসদকে এলাকায় অবস্থান না করার অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। দুপুরে ওনার (সাংসদের) একজন সহকারী চিঠিটি গ্রহণ করেছেন।’
এ ব্যাপারে জানতে সাংসদ মানু মজুমদারের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
তবে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী আলী আহাত মুঠোফোনে জানান, সাংসদ কলমাকান্দার রংছাতি ইউনিয়নে তাঁর বাড়িতে অবস্থান করছেন। তাঁরা এলাকায় থাকবেন না।

তৃতীয় ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আচরণবিধি লঙ্ঘন করার অভিযোগে নেত্রকোনা-১ (কলমাকান্দা-দুর্গাপুর) আসনের সংসদ সদস্য মানু মজুমদারকে এলাকা ছাড়তে চিঠি দেওয়া হয়েছে। আজ শুক্রবার দুপুরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ স্বাক্ষরিত এক চিঠিতে তাঁকে এলাকা ছাড়ার জন্য অনুরোধ করা হয়েছে।
এর আগে গতকাল বৃহস্পতিবার সাংসদের বিরুদ্ধে দুর্গাপুর ও কলমাকান্দা উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়নের বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র চেয়ারম্যান প্রার্থী জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কাছে আচরণবিধি লঙ্ঘন করার অভিযোগ করেন।
জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তার কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, প্রতীক বরাদ্দ হওয়ার পর থেকে সাংসদ মানু মজুমদার তাঁর নির্বাচনী এলাকা কলমাকান্দা ও দুর্গাপুরে অধিকাংশ সময় অবস্থান করছেন। তিনি বিভিন্ন ইউনিয়নে আওয়ামী লীগ সমর্থিত তাঁর পছন্দের প্রার্থীদের হয়ে প্রচারণা চালাচ্ছেন ও বিদ্রোহী ও স্বতন্ত্র প্রার্থীদের নির্বাচনী প্রচারে বাধা সৃষ্টি করছেন। তাঁর প্রশ্রয়ে কর্মী-সমর্থকেরাও বিদ্রোহী বা স্বতন্ত্র প্রার্থীদের ভয়-ভীতি দেখাচ্ছেন।
এ নিয়ে গতকাল বৃহস্পতিবার বেশ কয়েকজন স্বতন্ত্র প্রার্থী জেলা রির্টানিং কর্মকর্তার কাছে অভিযোগ দেন। অভিযোগের প্রেক্ষিতে শুক্রবার দুপুরে জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ইউনিয়ন পরিষদ নির্বাচন বিধিমালা স্মরণ করিয়ে দিয়ে সাংসদকে একটি চিঠি দেন। ওই চিঠিতে আচরণ বিধিমালার উল্লেখ করে সাংসদকে নির্বাচনী এলাকা ছাড়তে অনুরোধ করা হয়।
জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আব্দুল লতিফ শেখ সাংসদকে এলাকা ছাড়তে চিঠি দেওয়ার বিষয়টি নিশ্চিত করে আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘অভিযোগের প্রেক্ষিতে ও অবাধ সুষ্ঠু নির্বাচনের লক্ষে সাংসদকে এলাকায় অবস্থান না করার অনুরোধ জানিয়ে একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে। দুপুরে ওনার (সাংসদের) একজন সহকারী চিঠিটি গ্রহণ করেছেন।’
এ ব্যাপারে জানতে সাংসদ মানু মজুমদারের মুঠোফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হলে তিনি ফোন ধরেননি।
তবে তাঁর ব্যক্তিগত সহকারী আলী আহাত মুঠোফোনে জানান, সাংসদ কলমাকান্দার রংছাতি ইউনিয়নে তাঁর বাড়িতে অবস্থান করছেন। তাঁরা এলাকায় থাকবেন না।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৮ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে