
নাটোরের নলডাঙ্গায় কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টিতে ক্ষতির মুখে পড়েছে বিভিন্ন ধরনের ফসল। গতকাল রোববার সন্ধ্যায় হঠাৎ করে নলডাঙ্গা উপজেলার মাধনগরের বিভিন্ন স্থানে হালকা বৃষ্টিসহ কালবৈশাখী ঝড় ও শিলাবৃষ্টি হয়। বড় বড় শিলা পড়ে। এতে মৌসুমি ফল আম ও লিচুর কুঁড়ি ঝরে গেছে। এ ছাড়া উঠতি চৈতালি ফসল এবং হালতি বিলের বোরো ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ায় ফলন বিপর্যয়ের শঙ্কায় রয়েছেন কৃষকেরা। গম, ভুট্টা ও কলার ব্যাপক ক্ষতি হবে বলে জানিয়েছেন তাঁরা।
কৃষি অফিস বলছে, বোরো ধানের খেত শুয়ে পড়েছে। ভুট্টাখেত ও পেঁয়াজবীজের ক্ষতি হয়েছে।
হালতি বিলের মাধনগর এলাকার কৃষক জহের আলী বলেন, ‘ঝড় শিলাবৃষ্টিতে আমার চার বিঘা বোরো ধানের মধ্যে এক বিঘা জমির জিরাশাইল ধান মাটিতে লুটিয়ে পড়ে ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে।
আরেক কৃষক আকরাম বলেন, ‘আর কয়েক দিন পর আমার জমির ধান পেকে যেত। এর মধ্যে গতকাল (রোববার) সন্ধ্যায় শিলাবৃষ্টিতে সেই ধান ঝরে গেছে। ধানের শিষে অর্ধেক ধান আছে।
সোনাপাতিল গ্রামের কৃষক মেজু আলী বলেন, ঝড়ে ভুট্টাগাছ মাটিতে শুয়ে পড়েছে। এতে ভুট্টার ফলন কমে যাবে।
নলডাঙ্গা উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা কিশোয়ার হোসেন বলেন, উপজেলার হালতি বিলে সাড়ে ৭ হাজার হেক্টর বোরো ধানের মধ্যে ৭৯ হেক্টর জমির বোরো ধান শুয়ে পড়েছে। এ ছাড়া ভুট্টা ও দুই হেক্টর জমির পেঁয়াজবীজের ক্ষতি হয়েছে।

মৌলভীবাজার তথা সিলেট বিভাগের ইফতারে অন্যতম জনপ্রিয় ঐতিহ্যবাহী খাবার হলো আখনি পোলাও। এই অঞ্চলের মানুষেরা নিজ বাড়িতে আখনি তৈরির পাশাপাশি রোজার মাসে বড় হাঁড়ির আখনি খাবারের স্বাদ নিতে পরিবার-পরিজন নিয়ে বিভিন্ন হোটেল-রেস্তোরাঁয় ইফতার করতে আসেন। সুগন্ধি চাল, ঘি, গরম মসলা
২ ঘণ্টা আগে
এবারও নির্ধারিত সময়ে (২৮ ফেব্রুয়ারি) শেষ হয়নি সুনামগঞ্জের হাওরের ফসল রক্ষা বাঁধের কাজ। অভিযোগ রয়েছে, বাঁধের কাজে সীমাহীন অনিয়ম-দুর্নীতি হয়েছে। অধিকাংশ ক্ষেত্রে মোটা অঙ্কের টাকায় সাব্যস্ত হয়েছে বাঁধ, বরাদ্দ ও প্রকল্প। টেকসই কাজ ও নির্ধারিত সময়সীমার বিপরীতে কে কত টাকায় প্রকল্প বাগিয়ে নিতে...
৩ ঘণ্টা আগে
উঠানে হাঁটুপানি। সেই পানিতে ভাসছে শেওলা। প্রথমে মনে হবে পরিত্যক্ত বাড়ি। অথচ এই বাড়িতেই স্বামী-সন্তান নিয়ে বসবাস করছেন রেখা হালদার। রাস্তা থেকে বাড়িতে ঢুকতে একমাত্র ভরসা বাঁশের সাঁকো। ঘর থেকে পানি সরলেও এখনো কর্দমাক্ত রান্নাঘর, গোয়ালঘর।
৩ ঘণ্টা আগে
এই দিনের জন্যই অধীর আগ্রহে অপেক্ষায় ছিলেন সবাই। পয়সা খরচ করে বই বের করা প্রকাশক তো বটেই, বইপ্রেমী পাঠকেরাও। জনশূন্য মেলায় ঘুরতে কার ভালো লাগে! স্টলে স্টলে থাকবে ক্রেতা-পাঠকের ভিড়। হাতে থাকবে একগাদা বইয়ের ব্যাগ। সেটিই তো বইমেলার চিরচেনা রূপ!।
৩ ঘণ্টা আগে