লালপুর ও বাগাতিপাড়া (নাটোর) প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫৮ নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে নৌকা ডুবিয়ে ঈগল জয় লাভ করেছে। আজ রোববার (৭ জানুয়ারি) নির্বাচনে সাবেক সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থী নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আবুল কালাম আজাদ (ঈগল) ৭৭ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম বকুল (নৌকা) ৭৫ হাজর ৯৪৭ ভোট। তাঁদের ভোটের ব্যবধান ১ হাজার ৯৯৬ ভোট।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও নাটোর জেলা শাখার সভাপতি, উত্তরবঙ্গ আখচাষী সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ ইব্রাহীম খলিল (হাতুড়ি) পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৩০ ভোট; আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মো. রমজান আলী সরকার (কাঁচি) পেয়েছেন ২ হাজার ৬১৪ ভোট; জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার মো. আশিক হোসেন (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২ হাজার ৩৬ ভোট; আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কাজল রায় (ঢেঁকি) পেয়েছেন ১ হাজার ১৩৬ ভোট; জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের (ইনু) ইঞ্জিনিয়ার মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (মশাল) পেয়েছেন ৮১৭ ভোট; জাসদ স্বতন্ত্র মো. জামাল উদ্দিন ফারুক (ট্রাক) পেয়েছেন ৪৬৮ ভোট এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) মো. লিয়াকত আলী (একতারা) পেয়েছেন ৪৫১ ভোট।
নাটোর-১ (লালপুর ও বাগাতিপাড়া) আসনে ইউনিয়ন সংখ্যা ১৫টি, পৌরসভা ২টি, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড ১টি, মোট ভোট কেন্দ্র ১২৫টি, ভোট কক্ষ স্থায়ী ৭৪৮টি ও অস্থায়ী ২৬টি মোট ৭৭৪টি, মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৬৯ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫০ জন, নারী ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬১৭ জন ও হিজরা ২ জন।
এর মধ্যে প্রদত্ত ভোট ১ লাখ ৭০ হাজার ২৪৯টি, বাতিল ভোট ৫ হাজার ৪০৭টি। মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৪২টি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ৫৮ নাটোর-১ (লালপুর-বাগাতিপাড়া) আসনে নৌকা ডুবিয়ে ঈগল জয় লাভ করেছে। আজ রোববার (৭ জানুয়ারি) নির্বাচনে সাবেক সংসদ সদস্য স্বতন্ত্র প্রার্থী নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি ও বীর মুক্তিযোদ্ধা এ্যাড. আবুল কালাম আজাদ (ঈগল) ৭৭ হাজার ৯৪৩ ভোট পেয়ে বেসরকারিভাবে বিজয়ী হয়েছেন।
তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বি বর্তমান সংসদ সদস্য আওয়ামী লীগ মনোনীত প্রার্থী ও নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের সহসভাপতি শহিদুল ইসলাম বকুল (নৌকা) ৭৫ হাজর ৯৪৭ ভোট। তাঁদের ভোটের ব্যবধান ১ হাজার ৯৯৬ ভোট।
এ ছাড়া বাংলাদেশ ওয়ার্কার্স পার্টির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্য ও নাটোর জেলা শাখার সভাপতি, উত্তরবঙ্গ আখচাষী সমিতির সভাপতি অধ্যক্ষ ইব্রাহীম খলিল (হাতুড়ি) পেয়েছেন ৩ হাজার ৪৩০ ভোট; আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের উপদেষ্টা সদস্য লে. কর্নেল (অব.) মো. রমজান আলী সরকার (কাঁচি) পেয়েছেন ২ হাজার ৬১৪ ভোট; জাতীয় পার্টির ব্যারিস্টার মো. আশিক হোসেন (লাঙ্গল) পেয়েছেন ২ হাজার ৩৬ ভোট; আওয়ামী লীগের স্বতন্ত্র প্রার্থী নাটোর জেলা আওয়ামী লীগের বন ও পরিবেশ বিষয়ক সম্পাদক কাজল রায় (ঢেঁকি) পেয়েছেন ১ হাজার ১৩৬ ভোট; জাতীয় সমাজতান্ত্রিক দল-জাসদের (ইনু) ইঞ্জিনিয়ার মো. মোয়াজ্জেম হোসেন (মশাল) পেয়েছেন ৮১৭ ভোট; জাসদ স্বতন্ত্র মো. জামাল উদ্দিন ফারুক (ট্রাক) পেয়েছেন ৪৬৮ ভোট এবং বাংলাদেশ সুপ্রিম পার্টির (বিএসপি) মো. লিয়াকত আলী (একতারা) পেয়েছেন ৪৫১ ভোট।
নাটোর-১ (লালপুর ও বাগাতিপাড়া) আসনে ইউনিয়ন সংখ্যা ১৫টি, পৌরসভা ২টি, ক্যান্টনমেন্ট বোর্ড ১টি, মোট ভোট কেন্দ্র ১২৫টি, ভোট কক্ষ স্থায়ী ৭৪৮টি ও অস্থায়ী ২৬টি মোট ৭৭৪টি, মোট ভোটার সংখ্যা ৩ লাখ ৪৯ হাজার ৩৬৯ জন। এরমধ্যে পুরুষ ১ লাখ ৭৪ হাজার ৭৫০ জন, নারী ১ লাখ ৭৪ হাজার ৬১৭ জন ও হিজরা ২ জন।
এর মধ্যে প্রদত্ত ভোট ১ লাখ ৭০ হাজার ২৪৯টি, বাতিল ভোট ৫ হাজার ৪০৭টি। মোট বৈধ ভোটের সংখ্যা ১ লাখ ৬৪ হাজার ৮৪২টি।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে