নরসিংদী প্রতিনিধি

‘মাইরের ওপর কোনো ওষুধ নাই’ বলে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে পেটানোর হুমকি দিয়ে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গের কারণে গ্রেপ্তার নরসিংদী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আহসানুল ইসলাম রিমন জামিন পেয়েছেন।
গ্রেপ্তার হওয়ার ২১ দিন পর আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট জামিন মঞ্জুর করেন বলে আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন তাঁর আইনজীবী আদনান সরকার।
নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে গত ৩০ নভেম্বর রাতে নরসিংদী সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওমর ফারুক বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় রিমনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরদিন ১ ডিসেম্বর শুক্রবার বেলা পৌনে ১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেট থেকে রিমনকে গ্রেপ্তার করে নরসিংদীর ডিবি।
গ্রেপ্তারের পর নিম্ন আদালতে জামিন না হওয়ায় তাঁর আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও আদনান সরকার উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করেন। আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে হাইকোর্ট তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।
গত ২৯ নভেম্বর দুপুরে নরসিংদী সদর-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম হিরুর মতবিনিময় সভায় দেওয়া বক্তব্যে ওই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীকে পেটানোর হুমকি দেন রিমন।
জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আহসানুল ইসলাম রিমন তাঁর বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘কোনো স্বতন্ত্র-মতন্ত্র আমরা চিনি না, মাইরের ওপর কোনো ওষুধ নাই। ছাত্রলীগের কোনো পোলাপান স্বতন্ত্ররে মানতো না, নরসিংদী শহরে ও সদরের কোনো এলাকায় তাকে থাকতে দেয়া হবে না।’
ছাত্রলীগের এ নেতার বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রচার হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তা ভাইরাল হয়। রিমনের দেওয়া বক্তব্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নম্বর ১৫৫)-এর ৭৩ ও ৮৪ (ক) এবং সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮-এর ধারা ১১ (ক)-এর লঙ্ঘন হওয়ায় মামলার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
একই সঙ্গে নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রিমনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল ওই আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।
অনুসন্ধান কমিটির সদস্য নরসিংদীর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ নাহিদুর রহমান নাহিদ এই নোটিশ দেন। নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

‘মাইরের ওপর কোনো ওষুধ নাই’ বলে স্বতন্ত্র প্রার্থীকে পেটানোর হুমকি দিয়ে নির্বাচনী আচরণ বিধিমালা ভঙ্গের কারণে গ্রেপ্তার নরসিংদী জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি আহসানুল ইসলাম রিমন জামিন পেয়েছেন।
গ্রেপ্তার হওয়ার ২১ দিন পর আজ বৃহস্পতিবার হাইকোর্ট জামিন মঞ্জুর করেন বলে আজকের পত্রিকাকে নিশ্চিত করেছেন তাঁর আইনজীবী আদনান সরকার।
নির্বাচনী আচরণবিধি ভঙ্গের অভিযোগে গত ৩০ নভেম্বর রাতে নরসিংদী সদর উপজেলা নির্বাচন কর্মকর্তা ওমর ফারুক বাদী হয়ে সদর মডেল থানায় রিমনের বিরুদ্ধে মামলা করেন। পরদিন ১ ডিসেম্বর শুক্রবার বেলা পৌনে ১টায় ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান হলের গেট থেকে রিমনকে গ্রেপ্তার করে নরসিংদীর ডিবি।
গ্রেপ্তারের পর নিম্ন আদালতে জামিন না হওয়ায় তাঁর আইনজীবী মনসুরুল হক চৌধুরী ও আদনান সরকার উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করেন। আজ বৃহস্পতিবার শুনানি শেষে হাইকোর্ট তাঁর জামিন মঞ্জুর করেন।
গত ২৯ নভেম্বর দুপুরে নরসিংদী সদর-১ আসনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী সংসদ সদস্য নজরুল ইসলাম হিরুর মতবিনিময় সভায় দেওয়া বক্তব্যে ওই আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থীকে পেটানোর হুমকি দেন রিমন।
জেলা ছাত্রলীগ সভাপতি আহসানুল ইসলাম রিমন তাঁর বক্তব্যে বলেছিলেন, ‘কোনো স্বতন্ত্র-মতন্ত্র আমরা চিনি না, মাইরের ওপর কোনো ওষুধ নাই। ছাত্রলীগের কোনো পোলাপান স্বতন্ত্ররে মানতো না, নরসিংদী শহরে ও সদরের কোনো এলাকায় তাকে থাকতে দেয়া হবে না।’
ছাত্রলীগের এ নেতার বক্তব্য বিভিন্ন সংবাদমাধ্যমে প্রচার হয় এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমেও তা ভাইরাল হয়। রিমনের দেওয়া বক্তব্য গণপ্রতিনিধিত্ব আদেশ ১৯৭২ (১৯৭২ সালের রাষ্ট্রপতি আদেশ নম্বর ১৫৫)-এর ৭৩ ও ৮৪ (ক) এবং সংসদ নির্বাচনে রাজনৈতিক দল ও প্রার্থীর আচরণ বিধিমালা, ২০০৮-এর ধারা ১১ (ক)-এর লঙ্ঘন হওয়ায় মামলার পর তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
একই সঙ্গে নির্বাচনী আইন লঙ্ঘনের এ ঘটনায় তাঁর বিরুদ্ধে কেন আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে না, জানতে চেয়ে রিমনকে কারণ দর্শানোর নোটিশ দিয়েছিল ওই আসনের নির্বাচনী অনুসন্ধান কমিটি।
অনুসন্ধান কমিটির সদস্য নরসিংদীর যুগ্ম জেলা ও দায়রা জজ নাহিদুর রহমান নাহিদ এই নোটিশ দেন। নোটিশ পাওয়ার ২৪ ঘণ্টার মধ্যে তাঁকে লিখিত জবাব দিতে বলা হয়েছিল।

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
১৬ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
২১ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
২৩ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
২৬ মিনিট আগে