বেলাব (নরসিংদী) প্রতিনিধি

নরসিংদীর বেলাব উপজেলার ধুকুন্দি ক্যাডেট কোর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় আজ মঙ্গলবার মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা। বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ধুকুন্দি ক্যাডেট কোর উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে স্কুলের নিকটবর্তী উজিলাব ধুকুন্দি রাস্তায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত অভিযোগ ও শিক্ষকদের সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার আমলাব ইউনিয়নের ধুকুন্দি ক্যাডেট কোর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণি বাংলা ক্লাস নিচ্ছিলেন। এ সময় বিদ্যালয়ের সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. মকবুল মিয়া ক্লাসে ঢুকে শিক্ষক ওমর ফারুককে হাজিরা খাতা ছাড়া হাজিরা শিটের স্বাক্ষর নেওয়ার কারণ জানতে চান। এই সময় প্রধান শিক্ষকের চাবি তাঁর কাছে কেন জানতে চেয়ে গালাগালি করেন। এ সময় অভিযুক্ত মকবুল মিয়া জোর করে শিক্ষকের কাছ থেকে হাজিরা খাতা ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং এই ব্যাপারে কোনোরকম আইনের আশ্রয় নিলে তাঁকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তিনি চলে যায়।
৭ম শ্রেণির ছাত্রী সাগরিকা বলেন, ‘ক্লাসে আমাদের সামনে স্যারকে অপমান করেছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
১০ম শ্রেণির ছাত্রী সুমনা বলেন, ‘আমাদের স্যারকে লাঞ্ছিত করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা এর সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মকবুল হাসান বলেন, ‘যেহেতু সব ক্লাসেই হাজিরা খাতায় উপস্থিতি নেওয়া হচ্ছে সে জায়গায় ৭ম শ্রেণিতে ওই শিক্ষক সাদা কাগজে হাজিরা নিচ্ছেন। এ সময় তাকে আমি বললাম, আপনি সাদা কাগজে কেন হাজিরা নিচ্ছেন? এটা থেকেই একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে। এ ছাড়া ৭ম শ্রেণির রিয়াজুল ইসলাম নাদিম নামে এক শিক্ষার্থী স্কুলে উপস্থিত না হয়েও হাজিরা খাতায় উপস্থিত দেখানো নিয়ে তাঁর সাথে একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে। তবে তাঁর সাথে আমার লাঞ্ছিত করা ও গালাগালির ঘটনা ঘটেনি।’
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তামান্না তারিন বলেন, ‘বহিরাগতরা আমাদের ক্লাসে এসে শিক্ষকদের অপমান করবে। এটা আমরা মেনে নিবোনা। যতক্ষণ পর্যন্ত সুষ্ঠু বিচার না পাব ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের ক্লাস বর্জন অব্যাহত রাখব।’
হাজিরা খাতা রেখে কেন সাদা কাগজে উপস্থিতির তালিকা করা হচ্ছিল এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্কুলটির অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘স্কুলটির ৭ম শ্রেণির একটি শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা চলায় কিছুদিন আগে ওই শ্রেণির হাজিরা খাতাটি কোর্টে জমা করা হয়েছে। যার ফলে, আমার নির্দেশেই শ্রেণি শিক্ষক সাদা পাতায় উপস্থিতির তলিকা (হাজিরা) নিচ্ছিল। এই ঘটনার বিষয়ে বেলাব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তাকে আমি মোবাইলে অবগত করেছি।’
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ভাস্কর অলি মাহমুদ বলেন, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। যদি এমনটা হয়ে থাকে আসলে এইটা খুবই দুঃখজনক। আমি দ্রুত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ সকল শিক্ষক বৃন্দ, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে বিষয়টি দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মতিউর রহমান বলেন, ‘গতকাল এ ঘটনা শুনে আমরা অভিযুক্ত মকবুল হোসেনকে ডেকেছি। তিনি আমাদের কাছে ভুল স্বীকার করেছেন। ভবিষ্যতে এ রকম কাজ আর করবেন না বলে কথা দিয়েছেন।’
এ বিষয়ে বেলাব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাফায়েত হোসেন পলাশ বলেন, ‘এই ঘটনায় একজন শিক্ষক থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

নরসিংদীর বেলাব উপজেলার ধুকুন্দি ক্যাডেট কোর উচ্চ বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক লাঞ্ছিত হওয়ার ঘটনায় আজ মঙ্গলবার মানববন্ধন করেছেন শিক্ষক ও ছাত্র-ছাত্রীরা। বেলা ১২টা থেকে দুপুর ১টা পর্যন্ত ধুকুন্দি ক্যাডেট কোর উচ্চ বিদ্যালয়ের সকল শিক্ষক ও শিক্ষার্থীদের আয়োজনে স্কুলের নিকটবর্তী উজিলাব ধুকুন্দি রাস্তায় এ মানববন্ধন অনুষ্ঠিত হয়।
লিখিত অভিযোগ ও শিক্ষকদের সূত্রে জানা যায়, গতকাল সোমবার আমলাব ইউনিয়নের ধুকুন্দি ক্যাডেট কোর উচ্চ বিদ্যালয়ে ৭ম শ্রেণি বাংলা ক্লাস নিচ্ছিলেন। এ সময় বিদ্যালয়ের সাবেক ম্যানেজিং কমিটির সদস্য মো. মকবুল মিয়া ক্লাসে ঢুকে শিক্ষক ওমর ফারুককে হাজিরা খাতা ছাড়া হাজিরা শিটের স্বাক্ষর নেওয়ার কারণ জানতে চান। এই সময় প্রধান শিক্ষকের চাবি তাঁর কাছে কেন জানতে চেয়ে গালাগালি করেন। এ সময় অভিযুক্ত মকবুল মিয়া জোর করে শিক্ষকের কাছ থেকে হাজিরা খাতা ছিনিয়ে নিয়ে যায় এবং এই ব্যাপারে কোনোরকম আইনের আশ্রয় নিলে তাঁকে জানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে তিনি চলে যায়।
৭ম শ্রেণির ছাত্রী সাগরিকা বলেন, ‘ক্লাসে আমাদের সামনে স্যারকে অপমান করেছে। আমরা এর সুষ্ঠু বিচার চাই।’
১০ম শ্রেণির ছাত্রী সুমনা বলেন, ‘আমাদের স্যারকে লাঞ্ছিত করায় তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানাই। আমরা এর সুষ্ঠু বিচারের দাবি জানাচ্ছি।’
এ বিষয়ে অভিযুক্ত মকবুল হাসান বলেন, ‘যেহেতু সব ক্লাসেই হাজিরা খাতায় উপস্থিতি নেওয়া হচ্ছে সে জায়গায় ৭ম শ্রেণিতে ওই শিক্ষক সাদা কাগজে হাজিরা নিচ্ছেন। এ সময় তাকে আমি বললাম, আপনি সাদা কাগজে কেন হাজিরা নিচ্ছেন? এটা থেকেই একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে। এ ছাড়া ৭ম শ্রেণির রিয়াজুল ইসলাম নাদিম নামে এক শিক্ষার্থী স্কুলে উপস্থিত না হয়েও হাজিরা খাতায় উপস্থিত দেখানো নিয়ে তাঁর সাথে একটু কথা-কাটাকাটি হয়েছে। তবে তাঁর সাথে আমার লাঞ্ছিত করা ও গালাগালির ঘটনা ঘটেনি।’
বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক তামান্না তারিন বলেন, ‘বহিরাগতরা আমাদের ক্লাসে এসে শিক্ষকদের অপমান করবে। এটা আমরা মেনে নিবোনা। যতক্ষণ পর্যন্ত সুষ্ঠু বিচার না পাব ততক্ষণ পর্যন্ত আমাদের ক্লাস বর্জন অব্যাহত রাখব।’
হাজিরা খাতা রেখে কেন সাদা কাগজে উপস্থিতির তালিকা করা হচ্ছিল এ বিষয়ে জানতে চাইলে স্কুলটির অধ্যক্ষ মো. মনিরুজ্জামান বলেন, ‘স্কুলটির ৭ম শ্রেণির একটি শিক্ষার্থীর বিরুদ্ধে মামলা চলায় কিছুদিন আগে ওই শ্রেণির হাজিরা খাতাটি কোর্টে জমা করা হয়েছে। যার ফলে, আমার নির্দেশেই শ্রেণি শিক্ষক সাদা পাতায় উপস্থিতির তলিকা (হাজিরা) নিচ্ছিল। এই ঘটনার বিষয়ে বেলাব উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও শিক্ষা কর্মকর্তাকে আমি মোবাইলে অবগত করেছি।’
বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ভাস্কর অলি মাহমুদ বলেন, বিষয়টি আমি অবগত হয়েছি। যদি এমনটা হয়ে থাকে আসলে এইটা খুবই দুঃখজনক। আমি দ্রুত বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক সহ সকল শিক্ষক বৃন্দ, অভিভাবক ও এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে বিষয়টি দ্রুত সমস্যা সমাধানের চেষ্টা করব।
উপজেলা মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা শেখ মতিউর রহমান বলেন, ‘গতকাল এ ঘটনা শুনে আমরা অভিযুক্ত মকবুল হোসেনকে ডেকেছি। তিনি আমাদের কাছে ভুল স্বীকার করেছেন। ভবিষ্যতে এ রকম কাজ আর করবেন না বলে কথা দিয়েছেন।’
এ বিষয়ে বেলাব থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মো. সাফায়েত হোসেন পলাশ বলেন, ‘এই ঘটনায় একজন শিক্ষক থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছে। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া হচ্ছে।’

কেন্দ্রীয় বিএনপির দলীয় প্যাডে দেওয়া বিজ্ঞপ্তিতে উল্লেখ করা হয়, ইতিপূর্বে দলীয় শৃঙ্খলা ভঙ্গ এবং দলের নীতি ও আদর্শ পরিপন্থী কার্যকলাপের জন্য বকশীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক আহ্বায়ক ফখরুজ্জামান মতিনকে দলের প্রাথমিক সদস্যসহ সব পর্যায়ের পদ থেকে বহিষ্কার করা হয়েছিল।
৫ মিনিট আগে
রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
৩ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে