রায়পুরা (নরসিংদী) প্রতিনিধি

চলতি বছর আমন মৌসুমের শুরুতে অনাবৃষ্টি ও খরায় ভাটা পড়েছিল চাষাবাদে। তবে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে কৃষকের মাঝে। রোপণ শেষে পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন নরসিংদীর রায়পুরার কৃষকেরা।
উপজেলার মুছাপুর, মির্জাপুর, মহেষপুর, রায়পুরা, উত্তর বাখরনগর, পলাশতলী, মির্জানগর, অলিপুরা, মরজাল, আমিরগন্জ ইউনিয়নসহ বেশ কিছু এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চাষিরা রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে খেতে পরিচর্যা করছেন।
স্থানীয় কৃষক স্বপ্ন বিশ্বাস, বাদল মিয়া, আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন আজকের পত্রিকাকে বলেন, চাষাবাদের শুরুতে বৃষ্টি না থাকায় সেচের পানিতে বেশির ভাগ জমি রোপণ করতে হয়। পরে টানা বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে। পরিচর্যায় মনোযোগ দিচ্ছেন তাঁরা। বৃষ্টিতে খেতগুলো ভালো দেখাচ্ছে। বাজারে ধানের দাম কম থাকায় কৃষকের মাঝে কিছুটা ভয় থাকলেও ভালো ফলনে লাভের আশায় স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা।
চাষি হারুনুর রশিদ বলেন, ‘গত মৌসুমে দাম ও ফলন বেশ ভালো পাওয়ায় এবারও চাষাবাদ করি। চলতি মৌসুমে সার-কীটনাশকসহ বিভিন্ন খরচ বেড়েছে। তবে আগামীতে বৃষ্টি না হলে খরচ আরও বেড়ে যাবে।’
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চাষিরা পরিচর্যায় ব্যস্ত। চলতি মৌসুমে ৮ হাজার ৬৫৯ হেক্টর জমিতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। চলতি মৌসুমে ৬৫০ জন উপকারভোগী কৃষকের মাঝে সরকারিভাবে উচ্চফলনশীল (উফশী) পাঁচ কেজি বীজ ও ২০ কেজি করে সার দেওয়া হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রাকৃতিক বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে এ মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায়। তাই এ মৌসুমে সেচের খরচ কম হয়। তবে চলতি মৌসুমে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় চাষাবাদে দেরি হয়েছে। টানা বৃষ্টিপাতে চাষিদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁরা। আশা করি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।’

চলতি বছর আমন মৌসুমের শুরুতে অনাবৃষ্টি ও খরায় ভাটা পড়েছিল চাষাবাদে। তবে কয়েক দিনের টানা বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে কৃষকের মাঝে। রোপণ শেষে পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন নরসিংদীর রায়পুরার কৃষকেরা।
উপজেলার মুছাপুর, মির্জাপুর, মহেষপুর, রায়পুরা, উত্তর বাখরনগর, পলাশতলী, মির্জানগর, অলিপুরা, মরজাল, আমিরগন্জ ইউনিয়নসহ বেশ কিছু এলাকায় গিয়ে দেখা যায়, চাষিরা রোদ-বৃষ্টি উপেক্ষা করে খেতে পরিচর্যা করছেন।
স্থানীয় কৃষক স্বপ্ন বিশ্বাস, বাদল মিয়া, আব্দুর রহমানসহ কয়েকজন আজকের পত্রিকাকে বলেন, চাষাবাদের শুরুতে বৃষ্টি না থাকায় সেচের পানিতে বেশির ভাগ জমি রোপণ করতে হয়। পরে টানা বৃষ্টিতে স্বস্তি ফিরেছে। পরিচর্যায় মনোযোগ দিচ্ছেন তাঁরা। বৃষ্টিতে খেতগুলো ভালো দেখাচ্ছে। বাজারে ধানের দাম কম থাকায় কৃষকের মাঝে কিছুটা ভয় থাকলেও ভালো ফলনে লাভের আশায় স্বপ্ন দেখছেন তাঁরা।
চাষি হারুনুর রশিদ বলেন, ‘গত মৌসুমে দাম ও ফলন বেশ ভালো পাওয়ায় এবারও চাষাবাদ করি। চলতি মৌসুমে সার-কীটনাশকসহ বিভিন্ন খরচ বেড়েছে। তবে আগামীতে বৃষ্টি না হলে খরচ আরও বেড়ে যাবে।’
উপজেলা কৃষি কার্যালয় সূত্রে জানা গেছে, চাষিরা পরিচর্যায় ব্যস্ত। চলতি মৌসুমে ৮ হাজার ৬৫৯ হেক্টর জমিতে উৎপাদন লক্ষ্যমাত্রা ধরা হয়েছে। চলতি মৌসুমে ৬৫০ জন উপকারভোগী কৃষকের মাঝে সরকারিভাবে উচ্চফলনশীল (উফশী) পাঁচ কেজি বীজ ও ২০ কেজি করে সার দেওয়া হয়।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘প্রাকৃতিক বৃষ্টিপাতের মাধ্যমে এ মৌসুমে পর্যাপ্ত পানি পাওয়া যায়। তাই এ মৌসুমে সেচের খরচ কম হয়। তবে চলতি মৌসুমে দীর্ঘদিন বৃষ্টি না হওয়ায় চাষাবাদে দেরি হয়েছে। টানা বৃষ্টিপাতে চাষিদের মধ্যে স্বস্তি ফিরেছে। পরিচর্যায় ব্যস্ত সময় পার করছেন তাঁরা। আশা করি আবহাওয়া অনুকূলে থাকলে চলতি মৌসুমে লক্ষ্যমাত্রা অর্জিত হবে।’

গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৬ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৬ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৬ ঘণ্টা আগে
সুনামগঞ্জের হাওরগুলোতে গেল বর্ষায় প্রচণ্ড পানিস্বল্পতা ছিল। পানি কম থাকায় অক্ষত রয়েছে অধিকাংশ ফসল রক্ষা বাঁধ। বিগত সময়ের তুলনায় ক্লোজারও (বড় ভাঙন) কমেছে সম্ভাব্য বাঁধগুলোতে। কিন্তু যেনতেন প্রাক্কলন, মনগড়া জরিপের মাধ্যমে বাড়ানো হয়েছে বরাদ্দ। হাওর সচেতন মানুষের অভিযোগ, বরাদ্দ বাড়িয়ে সরকারি অর্থ লুটপাট
৬ ঘণ্টা আগে