সাবিত আল হাসান, নারায়ণগঞ্জ

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন চার প্রার্থী। চারজনই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ফলে তাঁদের মধ্যে চলছে অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা।
জানা গেছে, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ জুটিয়ে নিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের সমর্থন। এদিকে ভোটের লড়াইয়ে কে জয় ছিনিয়ে আনবেন, তা নিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে হিসাব-নিকাশ চললেও ভোটারদের মধ্যে নেই তেমন কোনো উত্তাপ।
২১ মে এই উপজেলার ভোট। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলার বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান বাবুল ওমর বাবু (আনারস), উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম (ঘোড়া), উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু (মোটরসাইকেল) এবং উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার (দোয়াতকলম)। তাদের মধ্যে বাবুল ওমর বাবু নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল কায়সার এবং একই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার সমর্থন পাচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রাখছেন মাহফুজুর রহমানকে। জানা গেছে, সংসদ সদস্য কায়সারকে চ্যালেঞ্জ করে রাজনীতি করা এই নেতার রয়েছে নিজস্ববলয়। মনে করা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে মূল লড়াই হবে বাবুল ওমর এবং মাহফুজুর রহমানের মধ্যেই।
উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রার্থীদের নির্বাচনী পোস্টার নেই বললেই চলে। তার বদলে স্থান পেয়েছে রঙিন ব্যানার এবং ফেস্টুন। অলিগলিতে কিছু পোস্টারের দেখা মিললেও সেগুলো রশিতে ঝোলানো হয়নি। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে দেয়ালে সাঁটানো হয়েছে। এ ছাড়া ব্যানার-ফেস্টুনে প্রতীক সাদাকালো রাখার নির্দেশনা থাকলেও, তা মানা হয়নি। ব্যানার তৈরিতে পিভিসি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
কাঁচপুর এলাকার বাসিন্দা কাজিম উদ্দিন বলেন, ‘কেউ ভোট চাইতেও আসেনি আমার কাছে।’
স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতা জানান, নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে নির্মাণ হতে যাওয়া বাস টার্মিনাল। দূরপাল্লার বাস চলাচলের এই টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ নিতে নজর রয়েছে উপজেলা নির্বাচনে নামা প্রার্থীদের। যিনি চেয়ারম্যান হতে পারবেন, অঘোষিতভাবে তাঁর অনুসারীরাই নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবেন এই টার্মিনাল। এ ছাড়া শীতলক্ষ্যা এবং মেঘনা নদীতে বালুর ব্যবসা নিয়ন্ত্রক হিসেবেও বেশ কয়েকজন প্রার্থীর তকমা রয়েছে।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহফুজুর রহমান কালাম বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ ভালো দেখছি, তবে স্থানীয় সংসদ সদস্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কারণে ভোটারদের মধ্যে শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।’
রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত ভালোই দেখছি। আচরণবিধি নিয়ে কারও বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই।’
আরেক প্রার্থী বাবুল ওমর বাবু এবং সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল কায়সারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাঁরা ফোন রিসিভ করেননি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বি বলেন, ‘আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো অভিযোগ পেলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাহমুদুল হক বলেন, বন্দর উপজেলা নির্বাচনের মতোই সোনারগাঁ, আড়াইহাজার এবং রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে নির্বাচনী এলাকায়। ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার সহ্য করা হবে না।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে লড়ছেন চার প্রার্থী। চারজনই ক্ষমতাসীন আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত। ফলে তাঁদের মধ্যে চলছে অভ্যন্তরীণ প্রতিযোগিতা।
জানা গেছে, তাঁদের মধ্যে কেউ কেউ জুটিয়ে নিয়েছেন স্থানীয় সংসদ সদস্য ও প্রভাবশালী রাজনীতিবিদদের সমর্থন। এদিকে ভোটের লড়াইয়ে কে জয় ছিনিয়ে আনবেন, তা নিয়ে প্রার্থীদের মধ্যে হিসাব-নিকাশ চললেও ভোটারদের মধ্যে নেই তেমন কোনো উত্তাপ।
২১ মে এই উপজেলার ভোট। নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীদের মধ্যে রয়েছেন উপজেলার বর্তমান ভাইস চেয়ারম্যান বাবুল ওমর বাবু (আনারস), উপজেলা আওয়ামী লীগের সাবেক ভারপ্রাপ্ত সাধারণ সম্পাদক মাহফুজুর রহমান কালাম (ঘোড়া), উপজেলা যুবলীগের সভাপতি রফিকুল ইসলাম নান্নু (মোটরসাইকেল) এবং উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আলী হায়দার (দোয়াতকলম)। তাদের মধ্যে বাবুল ওমর বাবু নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনের সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল কায়সার এবং একই আসনের সাবেক সংসদ সদস্য লিয়াকত হোসেন খোকার সমর্থন পাচ্ছেন বলে বিভিন্ন সূত্রে জানা গেছে।
এদিকে ক্ষমতাসীন দলের নেতা-কর্মীরা জনপ্রিয়তায় এগিয়ে রাখছেন মাহফুজুর রহমানকে। জানা গেছে, সংসদ সদস্য কায়সারকে চ্যালেঞ্জ করে রাজনীতি করা এই নেতার রয়েছে নিজস্ববলয়। মনে করা হচ্ছে, এবারের নির্বাচনে মূল লড়াই হবে বাবুল ওমর এবং মাহফুজুর রহমানের মধ্যেই।
উপজেলার বেশ কয়েকটি এলাকা ঘুরে দেখা যায়, প্রার্থীদের নির্বাচনী পোস্টার নেই বললেই চলে। তার বদলে স্থান পেয়েছে রঙিন ব্যানার এবং ফেস্টুন। অলিগলিতে কিছু পোস্টারের দেখা মিললেও সেগুলো রশিতে ঝোলানো হয়নি। আচরণবিধি লঙ্ঘন করে দেয়ালে সাঁটানো হয়েছে। এ ছাড়া ব্যানার-ফেস্টুনে প্রতীক সাদাকালো রাখার নির্দেশনা থাকলেও, তা মানা হয়নি। ব্যানার তৈরিতে পিভিসি ব্যবহারের নিষেধাজ্ঞা থাকলেও তা উপেক্ষা করা হয়েছে।
কাঁচপুর এলাকার বাসিন্দা কাজিম উদ্দিন বলেন, ‘কেউ ভোট চাইতেও আসেনি আমার কাছে।’
স্থানীয় কয়েকজন আওয়ামী লীগের নেতা জানান, নতুন ক্ষেত্র তৈরি হচ্ছে সোনারগাঁয়ের কাঁচপুরে নির্মাণ হতে যাওয়া বাস টার্মিনাল। দূরপাল্লার বাস চলাচলের এই টার্মিনালের নিয়ন্ত্রণ নিতে নজর রয়েছে উপজেলা নির্বাচনে নামা প্রার্থীদের। যিনি চেয়ারম্যান হতে পারবেন, অঘোষিতভাবে তাঁর অনুসারীরাই নিয়ন্ত্রণ করতে চাইবেন এই টার্মিনাল। এ ছাড়া শীতলক্ষ্যা এবং মেঘনা নদীতে বালুর ব্যবসা নিয়ন্ত্রক হিসেবেও বেশ কয়েকজন প্রার্থীর তকমা রয়েছে।
চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মাহফুজুর রহমান কালাম বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ ভালো দেখছি, তবে স্থানীয় সংসদ সদস্য একজন প্রার্থীকে সমর্থন দেওয়ার কারণে ভোটারদের মধ্যে শঙ্কা সৃষ্টি হয়েছে।’
রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনের পরিবেশ এখন পর্যন্ত ভালোই দেখছি। আচরণবিধি নিয়ে কারও বিরুদ্ধে আমার কোনো অভিযোগ নেই।’
আরেক প্রার্থী বাবুল ওমর বাবু এবং সংসদ সদস্য আবদুল্লাহ আল কায়সারের বক্তব্য নেওয়ার চেষ্টা করা হলেও তাঁরা ফোন রিসিভ করেননি।
রিটার্নিং কর্মকর্তা সাকিব আল রাব্বি বলেন, ‘আচরণবিধি লঙ্ঘনের কোনো অভিযোগ পেলে আমরা আইনগত ব্যবস্থা নেব।’
জেলা প্রশাসক (ডিসি) মাহমুদুল হক বলেন, বন্দর উপজেলা নির্বাচনের মতোই সোনারগাঁ, আড়াইহাজার এবং রূপগঞ্জ উপজেলা নির্বাচন সুষ্ঠু হবে। পর্যাপ্ত আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী মোতায়েন করা হবে নির্বাচনী এলাকায়। ভোটকেন্দ্রে কোনো ধরনের প্রভাব বিস্তার সহ্য করা হবে না।

রাজশাহী শহরে নির্মাণাধীন চারটি ফ্লাইওভারের নকশা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। অভিযোগ রয়েছে, নকশার ত্রুটির কারণে ফ্লাইওভারগুলো চালু হলে উল্টো সেগুলোর মুখেই যানজট সৃষ্টি হতে পারে। এ নিয়ে রাজশাহী সিটি করপোরেশনের (রাসিক) প্রশাসক ও বিভাগীয় কমিশনার আ ন ম বজলুর রশীদ ৬ জানুয়ারি সংশ্লিষ্টদের নিয়ে জরুরি বৈঠক ডেকেছেন।
৪২ মিনিট আগে
পদ্মা সেতুর দক্ষিণ প্রান্ত-সংলগ্ন মাদারীপুরের শিবচর এবং শরীয়তপুরের জাজিরা উপজেলার জায়গা নিয়ে বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয় তাঁতপল্লি নির্মাণের কাজ শুরু করে ২০১৮ সালের শেষের দিকে। কাজের বেশ অগ্রগতিও হয়েছিল। তবে ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের পর বন্ধ হয়ে যায় প্রকল্পের কাজ।
১ ঘণ্টা আগে
আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে নরসিংদীর পাঁচটি সংসদীয় আসনে ভোটের মাঠ ক্রমেই উত্তপ্ত হয়ে উঠছে। চায়ের আড্ডা থেকে শুরু করে গ্রামগঞ্জের অলিগলিতে প্রার্থী ও সমর্থকদের প্রচার-প্রচারণায় ছড়িয়ে পড়েছে নির্বাচনী আমেজ।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচনে রাজশাহীর ছয়টি সংসদীয় আসনে ৩৮টি মনোনয়নপত্র দাখিল হয়েছে। এর মধ্যে একজন প্রার্থী দুটি আসনে মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন। সে হিসেবে ভোটের মাঠে আছেন ৩৭ জন। তাঁদের মধ্যে ৩৪ জন অর্থাৎ প্রায় ৯২ শতাংশ প্রার্থীই উচ্চশিক্ষিত।
২ ঘণ্টা আগে