ঢামেক প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পাগলায় ট্রাকের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ ৭ জন দগ্ধের ঘটনায় চিকিৎসাধীন দুজন মারা গেছেন। গতকাল রোববার দিবাগত রাতে ও আজ সোমবার সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তাঁরা মারা যান। মৃতরা হলেন জজ মিয়া (৫০) ও আলম (৪০)।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন।
আইউব হোসেন জানান, জজ মিয়ার শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এইচডিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার সকাল ৮টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। আর আলম শরীরের শতভাগ দগ্ধ নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি ছিল। গতকাল মধ্যরাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
আইউব হোসেন বলেন, ‘এই ঘটনায় আরও ৩ জন ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের অবস্থাও গুরুতর।’
এর আগে গতকাল রোববার দুপুর দেড়টার দিকে ফতুল্লার পাগলার আলীগঞ্জে ঘটনাটি ঘটে। এরপর আহতদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
বর্তমানে হাসিনা মমতাজ (৪৭) শরীরের ৬৬ শতাংশ, আসমা বেগম (৪৫) ৪১ শতাংশ, ও হাফসা আক্তার (৬) ১৬ শতাংশ দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
দগ্ধ জজ মিয়ার ভাই নাজমুল হাসান জানান, তাঁদের বাসা নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পাগলার আলীগঞ্জে। সবার বাসা পাশাপাশি। একই বাড়ির ট্রাকমালিক আব্দুল বাতেন দুপুরে ট্রাকের একটি গ্যাস সিলিন্ডার তাদের বাসার কাছে রাখেন। গ্যাস সিলিন্ডারের মুখ খুলে দিলে সেখান থেকে গ্যাস বের হতে থাকে। এ সময় দগ্ধ আলম সিগারেট খেয়ে সিলিন্ডারের পাশে ফেলে দিলে গ্যাসের সিলিন্ডারে আগুন লেগে যায়। সেই আগুনের ফুলকি কয়েকটি বাড়ির মধ্যে চলে যায়। এতে তাঁরা দগ্ধ হন।
প্রতিবেশী ফাতেমা আক্তার বলেন, ‘আমাদের সবার বাসা পাশাপাশি। বাতেনের একটি ট্রাক আছে। সেই ট্রাকের একটি গ্যাস সিলিন্ডার বাসার পাশেই রাখা ছিল। ওই সিলিন্ডারের মুখ থেকে গ্যাস বের হচ্ছিল। আলম সিগারেট খেয়ে সিলিন্ডারের কাছে ফেলেন। তখনই গ্যাসের আগুন ফুলকি দিয়ে বাড়ির মধ্যে ঢুকে যায়। এতে ট্রাকচালক বাতেনের স্ত্রী আসমাসহ ৭ জন দগ্ধ হন। পরে তাঁদের দ্রুত শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।’

নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পাগলায় ট্রাকের গ্যাস সিলিন্ডার বিস্ফোরণে নারী ও শিশুসহ ৭ জন দগ্ধের ঘটনায় চিকিৎসাধীন দুজন মারা গেছেন। গতকাল রোববার দিবাগত রাতে ও আজ সোমবার সকালে শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে তাঁরা মারা যান। মৃতরা হলেন জজ মিয়া (৫০) ও আলম (৪০)।
মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটের জরুরি বিভাগের আবাসিক সার্জন ডা. এস এম আইউব হোসেন।
আইউব হোসেন জানান, জজ মিয়ার শরীরের ৮০ শতাংশ দগ্ধ ছিল। এইচডিইউতে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আজ সোমবার সকাল ৮টার দিকে তাঁর মৃত্যু হয়েছে। আর আলম শরীরের শতভাগ দগ্ধ নিয়ে আইসিইউতে ভর্তি ছিল। গতকাল মধ্যরাতে তাঁর মৃত্যু হয়।
আইউব হোসেন বলেন, ‘এই ঘটনায় আরও ৩ জন ভর্তি রয়েছেন। তাঁদের অবস্থাও গুরুতর।’
এর আগে গতকাল রোববার দুপুর দেড়টার দিকে ফতুল্লার পাগলার আলীগঞ্জে ঘটনাটি ঘটে। এরপর আহতদের শেখ হাসিনা জাতীয় বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে ভর্তি করা হয়।
বর্তমানে হাসিনা মমতাজ (৪৭) শরীরের ৬৬ শতাংশ, আসমা বেগম (৪৫) ৪১ শতাংশ, ও হাফসা আক্তার (৬) ১৬ শতাংশ দগ্ধ হয়ে হাসপাতালে ভর্তি আছেন।
দগ্ধ জজ মিয়ার ভাই নাজমুল হাসান জানান, তাঁদের বাসা নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার পাগলার আলীগঞ্জে। সবার বাসা পাশাপাশি। একই বাড়ির ট্রাকমালিক আব্দুল বাতেন দুপুরে ট্রাকের একটি গ্যাস সিলিন্ডার তাদের বাসার কাছে রাখেন। গ্যাস সিলিন্ডারের মুখ খুলে দিলে সেখান থেকে গ্যাস বের হতে থাকে। এ সময় দগ্ধ আলম সিগারেট খেয়ে সিলিন্ডারের পাশে ফেলে দিলে গ্যাসের সিলিন্ডারে আগুন লেগে যায়। সেই আগুনের ফুলকি কয়েকটি বাড়ির মধ্যে চলে যায়। এতে তাঁরা দগ্ধ হন।
প্রতিবেশী ফাতেমা আক্তার বলেন, ‘আমাদের সবার বাসা পাশাপাশি। বাতেনের একটি ট্রাক আছে। সেই ট্রাকের একটি গ্যাস সিলিন্ডার বাসার পাশেই রাখা ছিল। ওই সিলিন্ডারের মুখ থেকে গ্যাস বের হচ্ছিল। আলম সিগারেট খেয়ে সিলিন্ডারের কাছে ফেলেন। তখনই গ্যাসের আগুন ফুলকি দিয়ে বাড়ির মধ্যে ঢুকে যায়। এতে ট্রাকচালক বাতেনের স্ত্রী আসমাসহ ৭ জন দগ্ধ হন। পরে তাঁদের দ্রুত শেখ হাসিনা বার্ন ও প্লাস্টিক সার্জারি ইনস্টিটিউটে নিয়ে আসা হয়।’

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
২৯ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে