নারায়ণগঞ্জ প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, আজকে যারা এই প্রজন্মের আছেন তাদের বলতে চাই। ডোন্ট ডু দ্যা পলিটিকস, জাস্ট ডু ওয়ান থিং, দেশটাকে ভালোবাসো। দেশ ভালো থাকলে তোমরা ভালো থাকবে। আমরা আজকে বঙ্গবন্ধু আর শেখ হাসিনাকে আওয়ামীকরণ করে ফেলছি। তাঁরা শুধু আওয়ামী লীগের নয়। তাঁরা গোটা জাতির সম্পদ। প্রধানমন্ত্রী হচ্ছে স্বপ্ন পূরণের আদর্শ। তিনি প্রমাণ করেছেন দেশ কারও ওপর ভরসা করে নয়, নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম।
আজ বৃহস্পতিবার শিল্পকলা একাডেমির সম্মাননা পদক অনুষ্ঠান প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। এদিন অনুষ্ঠানে পাঁচজন বিশিষ্ট শিল্পীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
শামীম ওসমান বলেন, ‘আজ দেশে অনেকেই গণতন্ত্রের ডেফিনেশন দেয়। অনেক বড় বড় কথা বলে সুশীল, কুশীল, আঁতেল যারা আছে। মাথায় আস্তে আস্তে রক্ত উঠতেছে। যেদিন ফাইনালি উঠে যাবে সেদিন কেউ থাকবে না মাঠে। রাজনীতি মন থেকে করি মাথা দিয়ে নয়। যারা মন থেকে রাজনীতিটা করি তাদেরকে নানান সময় ধাক্কা খেতে হয়। সামনেও ধাক্কা আসবে এটা সত্যি। আমরা রাস্তার লোক, রাস্তা থেকেই সৃষ্টি হয়েছি। পার্লামেন্টে জিজ্ঞাস করেছি কিসের উপমা দেন? যখন একজন নারীর পুরো পরিবারকে হত্যার পর তাঁর বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সমস্ত গণতন্ত্রের চর্চা কেবল আমাদেরই করতে হবে? সমস্ত দায় দায়িত্ব কেবল শেখ হাসিনারই?’
এমপি আরও বলেন, ‘সামনে কঠিন দিন আসছে। হয়তো আমি শামীম সেদিন থাকব না। তবে এটা নিশ্চিত যে ওরা জিততে পারবে না। ওরা বারবার পরাজিত হয়েছে। ওরা একাত্তরে পরাজিত হয়েছে, আগামীতেও পরাজিত হবে ইনশা আল্লাহ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাবে।’
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমীর খসরু, প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ আলম, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সালাম, জেলা কালচারাল অফিসার রুনা লায়লা।

নারায়ণগঞ্জ ৪ আসনের সংসদ সদস্য শামীম ওসমান বলেছেন, আজকে যারা এই প্রজন্মের আছেন তাদের বলতে চাই। ডোন্ট ডু দ্যা পলিটিকস, জাস্ট ডু ওয়ান থিং, দেশটাকে ভালোবাসো। দেশ ভালো থাকলে তোমরা ভালো থাকবে। আমরা আজকে বঙ্গবন্ধু আর শেখ হাসিনাকে আওয়ামীকরণ করে ফেলছি। তাঁরা শুধু আওয়ামী লীগের নয়। তাঁরা গোটা জাতির সম্পদ। প্রধানমন্ত্রী হচ্ছে স্বপ্ন পূরণের আদর্শ। তিনি প্রমাণ করেছেন দেশ কারও ওপর ভরসা করে নয়, নিজের পায়ে দাঁড়াতে সক্ষম।
আজ বৃহস্পতিবার শিল্পকলা একাডেমির সম্মাননা পদক অনুষ্ঠান প্রদান উপলক্ষে আয়োজিত অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্য তিনি এসব কথা বলেন। এদিন অনুষ্ঠানে পাঁচজন বিশিষ্ট শিল্পীকে সম্মাননা প্রদান করা হয়।
শামীম ওসমান বলেন, ‘আজ দেশে অনেকেই গণতন্ত্রের ডেফিনেশন দেয়। অনেক বড় বড় কথা বলে সুশীল, কুশীল, আঁতেল যারা আছে। মাথায় আস্তে আস্তে রক্ত উঠতেছে। যেদিন ফাইনালি উঠে যাবে সেদিন কেউ থাকবে না মাঠে। রাজনীতি মন থেকে করি মাথা দিয়ে নয়। যারা মন থেকে রাজনীতিটা করি তাদেরকে নানান সময় ধাক্কা খেতে হয়। সামনেও ধাক্কা আসবে এটা সত্যি। আমরা রাস্তার লোক, রাস্তা থেকেই সৃষ্টি হয়েছি। পার্লামেন্টে জিজ্ঞাস করেছি কিসের উপমা দেন? যখন একজন নারীর পুরো পরিবারকে হত্যার পর তাঁর বাড়িতে ঢুকতে দেওয়া হয়নি। সমস্ত গণতন্ত্রের চর্চা কেবল আমাদেরই করতে হবে? সমস্ত দায় দায়িত্ব কেবল শেখ হাসিনারই?’
এমপি আরও বলেন, ‘সামনে কঠিন দিন আসছে। হয়তো আমি শামীম সেদিন থাকব না। তবে এটা নিশ্চিত যে ওরা জিততে পারবে না। ওরা বারবার পরাজিত হয়েছে। ওরা একাত্তরে পরাজিত হয়েছে, আগামীতেও পরাজিত হবে ইনশা আল্লাহ। শেখ হাসিনার নেতৃত্বে দেশ এগিয়ে যাবে।’
অনুষ্ঠানে জেলা প্রশাসক মঞ্জুরুল হাফিজের সভাপতিত্বে আরও বক্তব্য রাখেন, অতিরিক্ত অতিরিক্ত পুলিশ সুপার আমীর খসরু, প্রেসক্লাবের সভাপতি শাহ আলম, সাংবাদিক ইউনিয়নের সভাপতি আব্দুস সালাম, জেলা কালচারাল অফিসার রুনা লায়লা।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
১ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৬ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৭ ঘণ্টা আগে