সিদ্ধিরগঞ্জ (নারায়ণগঞ্জ) প্রতিনিধি

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় বিএনপির আরও চার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান। এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মামুন মাহমুদের সহকারী মো. মহসিন হোসেন (৩৯), গাড়িচালক মো. জুয়েল (৩৯), কুতুবপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি ইমরান হোসেন বাবু (৩৫) ও বিএনপির সক্রিয় সদস্য মো. লিটন (৪০)।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ বলেন, ‘আমার কর্মী লিটন, গাড়িচালক ও সহকারীকে ধরে নিয়ে গেছে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে এর আগে থানায় কোনো মামলা ছিল না। নিরীহ ব্যক্তিদের এভাবে গ্রেপ্তার করা আসলেই খুব দুঃখজনক বিষয়।’
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেন, ‘আগামী ১০ ডিসেম্বরকে সামনে রেখে গায়েবিভাবে আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা উপস্থাপন করা হচ্ছে। যেসব ঘটনা কেউ দেখেনি, কেউ জানেন না অথচ পুলিশ সবই জানে। আমি পুলিশকে অনুরোধ করব তারা যেন কোনো দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব না করে।’
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এসব কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। আমি স্পষ্টভাবে বলছি, এগুলো গায়েবি মামলা এবং আসামি হলো সব ভৌতিক। এভাবে যত যাই করুক না কেন, আমাদের হামলা-মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না।’
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগে বিএনপির ৩৯ নেতা-কর্মীর নামে মামলা দায়ের করা হয়। অন্যদিকে, গত ১ ডিসেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বোমা বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম ও গণ অধিকার পরিষদের ৩৫ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই দিন রাতেই সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দুটি মামলায় বিএনপি ও নাগরিক ঐক্যের ছয় নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

নারায়ণগঞ্জের সিদ্ধিরগঞ্জে বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় বিএনপির আরও চার নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। আজ শনিবার সকালে বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান। এর আগে গতকাল শুক্রবার রাতে সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে।
গ্রেপ্তারকৃতরা হলেন জেলা বিএনপির সিনিয়র যুগ্ম-আহ্বায়ক মামুন মাহমুদের সহকারী মো. মহসিন হোসেন (৩৯), গাড়িচালক মো. জুয়েল (৩৯), কুতুবপুর ইউনিয়নের ৯ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সহসভাপতি ইমরান হোসেন বাবু (৩৫) ও বিএনপির সক্রিয় সদস্য মো. লিটন (৪০)।
এ বিষয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির যুগ্ম-আহ্বায়ক মামুন মাহমুদ বলেন, ‘আমার কর্মী লিটন, গাড়িচালক ও সহকারীকে ধরে নিয়ে গেছে পুলিশ। তাঁদের বিরুদ্ধে এর আগে থানায় কোনো মামলা ছিল না। নিরীহ ব্যক্তিদের এভাবে গ্রেপ্তার করা আসলেই খুব দুঃখজনক বিষয়।’
নারায়ণগঞ্জ জেলা বিএনপির আহ্বায়ক মুহাম্মদ গিয়াসউদ্দিন বলেন, ‘আগামী ১০ ডিসেম্বরকে সামনে রেখে গায়েবিভাবে আমাদের বিরুদ্ধে বিভিন্ন মামলা উপস্থাপন করা হচ্ছে। যেসব ঘটনা কেউ দেখেনি, কেউ জানেন না অথচ পুলিশ সবই জানে। আমি পুলিশকে অনুরোধ করব তারা যেন কোনো দলের হয়ে প্রতিনিধিত্ব না করে।’
জেলা বিএনপির আহ্বায়ক আরও বলেন, ‘সুস্থ রাজনৈতিক পরিবেশ নষ্ট করে ষড়যন্ত্রমূলকভাবে এসব কর্মকাণ্ড চালানো হচ্ছে। আমি স্পষ্টভাবে বলছি, এগুলো গায়েবি মামলা এবং আসামি হলো সব ভৌতিক। এভাবে যত যাই করুক না কেন, আমাদের হামলা-মামলা ও গ্রেপ্তারের ভয় দেখিয়ে দমিয়ে রাখা যাবে না।’
সিদ্ধিরগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মশিউর রহমান জানান, বিস্ফোরক আইনে দায়ের করা মামলায় ওই চারজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। আজ শনিবার দুপুরে তাঁদের আদালতে পাঠানো হবে।
উল্লেখ্য, গত ২৭ নভেম্বর সিদ্ধিরগঞ্জে পুলিশের ওপর ককটেল নিক্ষেপের অভিযোগে বিএনপির ৩৯ নেতা-কর্মীর নামে মামলা দায়ের করা হয়। অন্যদিকে, গত ১ ডিসেম্বর ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কে বোমা বিস্ফোরণ ও অগ্নিসংযোগের ঘটনায় বিএনপি, জামায়াতে ইসলাম ও গণ অধিকার পরিষদের ৩৫ জনের বিরুদ্ধে বিস্ফোরক আইনে আরেকটি মামলা দায়ের করা হয়েছে। একই দিন রাতেই সিদ্ধিরগঞ্জের বিভিন্ন এলাকায় অভিযান পরিচালনা করে দুটি মামলায় বিএনপি ও নাগরিক ঐক্যের ছয় নেতা-কর্মীকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
৩ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে