
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের সংঘর্ষের মামলায় ৬ জন যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গত বুধবার উপজেলার কাইকারটেক হাটের ইজারার দরপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দু-পক্ষই পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে।
গত শুক্রবার রাতে ছাত্রলীগের পক্ষে সিরাজুল ইসলাম সজল বাদী হয়ে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরদিন গতকাল শনিবার যুবলীগের নেতা-কর্মীদের পক্ষে ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
জানা যায়, সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের চত্বরে বুধবার উপজেলার কাইকারটেক হাটের দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা দরপত্র জমা দেওয়ার সময় যুবলীগের নেতা–কর্মীরা বাধা দেন। এতে দুপক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন।
এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা সজল বাদী হয়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম নান্নু, স্থানীয় মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আরিফ মাসুদ বাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর মাসুমসহ ২২ জনকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়ের করেন।
অপরদিকে, যুবলীগ নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে যুবলীগ কর্মী ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি সোহাগ রনিকে প্রধান আসামি করে ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়ের করেন।
এদিকে মামলার পর এ মামলার আসামি যুবলীগ কর্মী রবিউল প্রধান, রোমান বাদশা, হৃদয় মিয়া, অনিক হোসেন, আল-আমিন ও শান্ত হোসেনসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারগাঁ থানা-পুলিশ।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, দরপত্র জমা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় দুপক্ষের মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলায় যুবলীগ-ছাত্রলীগের সংঘর্ষের মামলায় ৬ জন যুবলীগ নেতাকে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার রাতে তাঁদের গ্রেপ্তার করা হয়েছে। এর আগে গত বুধবার উপজেলার কাইকারটেক হাটের ইজারার দরপত্র জমা দেওয়াকে কেন্দ্র করে যুবলীগ ও ছাত্রলীগের দুপক্ষের সংঘর্ষের ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় দু-পক্ষই পৃথক দুটি মামলা দায়ের করে।
গত শুক্রবার রাতে ছাত্রলীগের পক্ষে সিরাজুল ইসলাম সজল বাদী হয়ে যুবলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। পরদিন গতকাল শনিবার যুবলীগের নেতা-কর্মীদের পক্ষে ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে ছাত্রলীগের নেতা-কর্মীদের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন।
জানা যায়, সোনারগাঁ উপজেলা পরিষদের চত্বরে বুধবার উপজেলার কাইকারটেক হাটের দরপত্র জমা দেওয়ার শেষ দিনে ছাত্রলীগের নেতা–কর্মীরা দরপত্র জমা দেওয়ার সময় যুবলীগের নেতা–কর্মীরা বাধা দেন। এতে দুপক্ষের মধ্যে কথা-কাটাকাটি হয়। একপর্যায়ে দুপক্ষের মধ্যে সংঘর্ষ হয়। সংঘর্ষে ছাত্রলীগ ও যুবলীগের কমপক্ষে ১৫ জন আহত হন।
এ ঘটনায় ছাত্রলীগ নেতা সজল বাদী হয়ে উপজেলা যুবলীগের সভাপতি ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য রফিকুল ইসলাম নান্নু, স্থানীয় মোগরাপাড়া ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য আরিফ মাসুদ বাবু, নারায়ণগঞ্জ জেলা পরিষদের সদস্য ও উপজেলা আওয়ামী লীগের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য মোস্তাফিজুর মাসুমসহ ২২ জনকে আসামি করে সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়ের করেন।
অপরদিকে, যুবলীগ নেতা-কর্মীদের ওপর হামলার অভিযোগে যুবলীগ কর্মী ফারুক আহমেদ বাদী হয়ে নারায়ণগঞ্জ জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি সোহাগ রনিকে প্রধান আসামি করে ২৮ জনের নাম উল্লেখ করে সোনারগাঁ থানায় মামলা দায়ের করেন।
এদিকে মামলার পর এ মামলার আসামি যুবলীগ কর্মী রবিউল প্রধান, রোমান বাদশা, হৃদয় মিয়া, অনিক হোসেন, আল-আমিন ও শান্ত হোসেনসহ ছয়জনকে গ্রেপ্তার করেছে সোনারগাঁ থানা-পুলিশ।
সোনারগাঁ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোহাম্মদ হাফিজুর রহমান বলেন, দরপত্র জমা নিয়ে সংঘর্ষের ঘটনায় দুপক্ষের মামলা গ্রহণ করা হয়েছে। ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে ৬ জনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে। অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তারে অভিযান চলছে।

নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
৪০ মিনিট আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
৪৩ মিনিট আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
১ ঘণ্টা আগে
উল্লাসরত নেতা-কর্মীরা বলেন, কমিটি বিলুপ্তির এই সিদ্ধান্ত তাঁদের জন্য নতুন করে কাজ করার সুযোগ তৈরি করেছে। তাঁদের দাবি, দীর্ঘদিন ধরে দলীয় সাংগঠনিক সীমাবদ্ধতার কারণে তাঁরা প্রকাশ্যে রাজনৈতিক কার্যক্রম চালাতে পারেননি।
২ ঘণ্টা আগে