নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনার মদনে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে প্রায় এক ঘণ্টা স্থায়ী ঝড়ে ভেঙে গেছে অসংখ্য ঘর-বাড়ি। আম, কাঁঠাল, লিচু, শাকসবজি ও পাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গাছ ও ডালপালা ভেঙে উপজেলার বিভিন্ন রাস্তায় যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে উপজেলার মানুষজন।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা রাস্তার ওপর থেকে গাছ ও ডালপালা সরিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন মাঠ পর্যায়ে ঘুরে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছেন।
মদন পৌর সদরের বাসিন্দারা জানান, প্রায় এক ঘণ্টার কালবৈশাখী ঝড়ে অনেক ঘর-বাড়ি ভেঙে গেছে। ঝড়ের পর থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক বাড়িতে পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে রান্না করা যাচ্ছে না। বিদ্যুৎ না থাকায় পুরো উপজেলা অন্ধকারাচ্ছন্ন।
নেত্রকোনা পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির মদন জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের অনেক খুঁটি ভেঙে গেছে। আমার অফিসের লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল করার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে আম, কাঁঠাল, শাকসবজি ও পাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাত হয়ে যাওয়ায় মাঠ পর্যায় থেকে সঠিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। আগামীকাল ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, রোববার কাল বৈশাখী ঝড়ে ঘর-বাড়িসহ ফসলের ক্ষতি হয়েছে। শতাধিক ঘর-বাড়ি ভেঙে যাওয়ার তথ্য রাত পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগে, স্বাস্থ্য বিভাগ, কৃষি বিভাগসহ জনপ্রতিনিধিরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে কাজ করে যাচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

নেত্রকোনার মদনে কালবৈশাখী ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে প্রায় এক ঘণ্টা স্থায়ী ঝড়ে ভেঙে গেছে অসংখ্য ঘর-বাড়ি। আম, কাঁঠাল, লিচু, শাকসবজি ও পাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। গাছ ও ডালপালা ভেঙে উপজেলার বিভিন্ন রাস্তায় যানচলাচল বন্ধ রয়েছে। বিদ্যুৎ সংযোগ বন্ধ থাকায় সীমাহীন দুর্ভোগে পড়েছে উপজেলার মানুষজন।
উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে। স্বেচ্ছাসেবক ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা রাস্তার ওপর থেকে গাছ ও ডালপালা সরিয়ে যোগাযোগ ব্যবস্থা স্বাভাবিক করার চেষ্টা চালাচ্ছে। উপজেলা প্রশাসন মাঠ পর্যায়ে ঘুরে ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করছেন।
মদন পৌর সদরের বাসিন্দারা জানান, প্রায় এক ঘণ্টার কালবৈশাখী ঝড়ে অনেক ঘর-বাড়ি ভেঙে গেছে। ঝড়ের পর থেকে বিদ্যুৎ না থাকায় অনেক বাড়িতে পানি সরবরাহ বন্ধ রয়েছে। এতে রান্না করা যাচ্ছে না। বিদ্যুৎ না থাকায় পুরো উপজেলা অন্ধকারাচ্ছন্ন।
নেত্রকোনা পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির মদন জোনাল অফিসের ডিজিএম মো. ফিরোজ হোসেন বলেন, ‘ঝড়ে বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুতের অনেক খুঁটি ভেঙে গেছে। আমার অফিসের লোকজন ও ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা কাজ করছে। বিদ্যুৎ ব্যবস্থা সচল করার জন্য চেষ্টা অব্যাহত রয়েছে।’
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা হাবিবুর রহমান বলেন, ঝড় ও শিলা বৃষ্টিতে আম, কাঁঠাল, শাকসবজি ও পাটের ব্যাপক ক্ষতি হয়েছে। রাত হয়ে যাওয়ায় মাঠ পর্যায় থেকে সঠিক ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ নিরূপণ করা সম্ভব হয়নি। আগামীকাল ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানা যাবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মো. শাহ আলম মিয়া বলেন, রোববার কাল বৈশাখী ঝড়ে ঘর-বাড়িসহ ফসলের ক্ষতি হয়েছে। শতাধিক ঘর-বাড়ি ভেঙে যাওয়ার তথ্য রাত পর্যন্ত সংগ্রহ করা হয়েছে। ফায়ার সার্ভিস, বিদ্যুৎ বিভাগে, স্বাস্থ্য বিভাগ, কৃষি বিভাগসহ জনপ্রতিনিধিরা ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ জানতে কাজ করে যাচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কন্ট্রোল রুম খোলা হয়েছে।

চানন্দী ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী করিম বাজার-দরবেশ বাজার এলাকার একটি পিচঢালাই রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ এনে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে এনসিপির এক নেতা ফেসবুকে পোস্ট দেন। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের সব কটিতেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, তাঁদের আয় ও সম্পদের চিত্র।
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম অংশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ তিন চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। মহাসড়ক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা হাইওয়ে পুলিশকেও পাত্তা দিচ্ছেন না এসব অটোরিকশাচালক। পুলিশের সামনেই তাঁরা অটোরিকশা চালাচ্ছেন, যত্রতত্র যাত্রী তুলছেন-নামাচ্ছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলঘেঁষা কৃষিজমির মাটি ১০০ ফুট গভীরে খনন করে লুটপাট করা হচ্ছে। গভীর খননের ফলে নিচের স্তরে মাটির পরিবর্তে দেখা মিলেছে সিলিকন বালু। এতে করে মাটিখেকোদের দাপট বেড়েই চলেছে। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলে এই দাপট।
৬ ঘণ্টা আগে