নেত্রকোনা প্রতিনিধি

নেত্রকোনায় কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার বেলা ১টার দিকে জেলা শহরের সাতপাই এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম অভিলাষ মোহন দাস (২৫)। তিনি জেলার মোহনগঞ্জ পালগাঁও দত্তগাতী গ্রামের দীনেশ মোহন দাসের ছেলে। আজ রোববার দুপুরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মো. লুৎফর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার ঠিকাদার মো. হারুন অর রশিদের সঙ্গে কৌশলে সম্পর্ক গড়ে তোলেন অভিলাষ। একপর্যায়ে পুলিশের কনস্টেবল পদে কোনো প্রার্থী থাকলে তাকে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব দেয় অভিলাষ।
হারুন অর রশিদ তাঁর শ্যালককে চাকরি দেওয়ার জন্য সাড়ে ৬ লাখ টাকায় চুক্তি করেন। চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত বছরের জানুয়ারিতে এক লাখ টাকা অগ্রিম অভিলাষের হাতে তুলে দেন তিনি। আর বাকি টাকা চাকরি পাওয়ার পরে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। বছর পার হলেও চাকরি আর দিতে পারেননি। পরে টাকা ফেরত চাইলে টালবাহানা শুরু করেন অভিলাষ।
সম্প্রতি পুলিশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে পুনরায় চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং আরও টাকা দাবি করেন অভিলাষ। সেই সঙ্গে আরও চাকরি প্রার্থী থাকলে তাঁদের থেকেও টাকা নিয়ে দিতে বলেন। টাকার জন্য গতকাল শনিবার শহরের সাতপাই এলাকায় দেখা করার জন্য হারুন অর রশিদকে দেখা করতে ডাকেন অভিলাষ। দুপুরে দেখা করে টাকা ফেরত চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করেন অভিলাষ। তবে এলাকাবাসীর সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। পরে খবর পেয়ে নেত্রকোনা থানার পুলিশ তাঁকে আটক করে।
এ ঘটনায় বিকেলে থানায় মামলা করেন হারুন অর রশিদ। পরে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রোববার দুপুরে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

নেত্রকোনায় কনস্টেবল পদে চাকরি দেওয়ার নামে টাকা আত্মসাতের অভিযোগে এক যুবককে গ্রেপ্তার করেছে পুলিশ। গতকাল শনিবার বেলা ১টার দিকে জেলা শহরের সাতপাই এলাকা থেকে তাঁকে গ্রেপ্তার করা হয়।
গ্রেপ্তার ব্যক্তির নাম অভিলাষ মোহন দাস (২৫)। তিনি জেলার মোহনগঞ্জ পালগাঁও দত্তগাতী গ্রামের দীনেশ মোহন দাসের ছেলে। আজ রোববার দুপুরে তাঁকে আদালতে পাঠানো হয়েছে।
জেলা পুলিশের মুখপাত্র অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (বিশেষ শাখা) মো. লুৎফর রহমান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, দুই বছর আগে ময়মনসিংহের গৌরিপুর উপজেলার ঠিকাদার মো. হারুন অর রশিদের সঙ্গে কৌশলে সম্পর্ক গড়ে তোলেন অভিলাষ। একপর্যায়ে পুলিশের কনস্টেবল পদে কোনো প্রার্থী থাকলে তাকে টাকার বিনিময়ে চাকরি দেওয়ার প্রস্তাব দেয় অভিলাষ।
হারুন অর রশিদ তাঁর শ্যালককে চাকরি দেওয়ার জন্য সাড়ে ৬ লাখ টাকায় চুক্তি করেন। চাকরির প্রতিশ্রুতি দিয়ে গত বছরের জানুয়ারিতে এক লাখ টাকা অগ্রিম অভিলাষের হাতে তুলে দেন তিনি। আর বাকি টাকা চাকরি পাওয়ার পরে দেওয়ার সিদ্ধান্ত হয়। বছর পার হলেও চাকরি আর দিতে পারেননি। পরে টাকা ফেরত চাইলে টালবাহানা শুরু করেন অভিলাষ।
সম্প্রতি পুলিশ নিয়োগ বিজ্ঞপ্তি প্রকাশিত হলে পুনরায় চাকরি দেওয়ার আশ্বাস দেন এবং আরও টাকা দাবি করেন অভিলাষ। সেই সঙ্গে আরও চাকরি প্রার্থী থাকলে তাঁদের থেকেও টাকা নিয়ে দিতে বলেন। টাকার জন্য গতকাল শনিবার শহরের সাতপাই এলাকায় দেখা করার জন্য হারুন অর রশিদকে দেখা করতে ডাকেন অভিলাষ। দুপুরে দেখা করে টাকা ফেরত চাইলে তা দিতে অস্বীকৃতি জানিয়ে পালিয়ে যেতে চেষ্টা করেন অভিলাষ। তবে এলাকাবাসীর সহায়তায় তাকে আটক করা হয়। পরে খবর পেয়ে নেত্রকোনা থানার পুলিশ তাঁকে আটক করে।
এ ঘটনায় বিকেলে থানায় মামলা করেন হারুন অর রশিদ। পরে এ মামলায় গ্রেপ্তার দেখিয়ে রোববার দুপুরে তাঁকে আদালতে সোপর্দ করা হয়।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
৫ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে