শেরপুর প্রতিনিধি

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও শেরপুর-১ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফেজ মু. রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, ‘সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু বলে জাতিকে বিভক্ত করা যাবে না। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নীতি-আদর্শের পার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সব রাজনৈতিক দল ও জনগণ ঐক্যবদ্ধ। দেশের মানুষকে যেকোনো মূল্যে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের অর্জন ধরে রাখতে হবে।’
গতকাল মঙ্গলবার রাতে শেরপুর শহরের খরমপুরে একটি কমিউনিটি সেন্টারে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় রাশেদুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
সাবেক শিবির সভাপতি আরও বলেন, ‘গত ১৬ বছরের কুকর্মের জন্য পতিত হাসিনা সরকার ও তাঁর দোসরদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। দেশে-বিদেশে অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ করার নানা অশুভ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দোসরদের পুনর্বাসনেরও কোনো অবকাশ নেই। আমরা সবাই মিলে এ দেশটাকে নতুন করে গড়ে তুলব।’
রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘৫ তারিখ জালিম সরকার বিদায় নিয়েছে। আমরা এখন দেশটাকে গঠন করব। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সহযোগিতা করব। জামায়াতে ইসলামীর ওপর সবচেয়ে বেশি নিপীড়ন চালিয়েছিল জালিম আওয়ামী লীগ সরকার।’
এ সময় হাফেজ মু. রাশেদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং ভবিষ্যতে শেরপুর জেলাকে এগিয়ে নিতে তাঁর কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি শেরপুর-১ (সদর) আসন থেকে নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থিতার কথাও জানান। তা ছাড়া শেরপুরের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও শিল্প খাতে উন্নয়নের জন্য সবার সহযোগিতা চান।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও শহর জামায়াতের নায়েবে আমির মু. গোলাম কিবরিয়ার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা। অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

বাংলাদেশ ইসলামী ছাত্রশিবিরের সাবেক কেন্দ্রীয় সভাপতি ও শেরপুর-১ (সদর) আসনে জামায়াত মনোনীত সংসদ সদস্য প্রার্থী হাফেজ মু. রাশেদুল ইসলাম বলেছেন, ‘সংখ্যাগুরু-সংখ্যালঘু বলে জাতিকে বিভক্ত করা যাবে না। দেশের রাজনৈতিক দলগুলোর মধ্যে নীতি-আদর্শের পার্থক্য থাকলেও জাতীয় স্বার্থ, সার্বভৌমত্ব, জাতীয় নিরাপত্তার স্বার্থে সব রাজনৈতিক দল ও জনগণ ঐক্যবদ্ধ। দেশের মানুষকে যেকোনো মূল্যে জুলাই-আগস্টের গণ-অভ্যুত্থানের অর্জন ধরে রাখতে হবে।’
গতকাল মঙ্গলবার রাতে শেরপুর শহরের খরমপুরে একটি কমিউনিটি সেন্টারে জেলায় কর্মরত সাংবাদিকদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় রাশেদুল ইসলাম এসব কথা বলেন।
সাবেক শিবির সভাপতি আরও বলেন, ‘গত ১৬ বছরের কুকর্মের জন্য পতিত হাসিনা সরকার ও তাঁর দোসরদের বিচারের মুখোমুখি হতে হবে। দেশে-বিদেশে অন্তর্বর্তী সরকারকে ব্যর্থ করার নানা অশুভ তৎপরতা অব্যাহত রয়েছে। ফ্যাসিবাদী শক্তি ও তাদের দোসরদের পুনর্বাসনেরও কোনো অবকাশ নেই। আমরা সবাই মিলে এ দেশটাকে নতুন করে গড়ে তুলব।’
রাশেদুল ইসলাম বলেন, ‘৫ তারিখ জালিম সরকার বিদায় নিয়েছে। আমরা এখন দেশটাকে গঠন করব। আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সহযোগিতা করব। জামায়াতে ইসলামীর ওপর সবচেয়ে বেশি নিপীড়ন চালিয়েছিল জালিম আওয়ামী লীগ সরকার।’
এ সময় হাফেজ মু. রাশেদুল ইসলাম সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাব দেন এবং ভবিষ্যতে শেরপুর জেলাকে এগিয়ে নিতে তাঁর কর্মপরিকল্পনা তুলে ধরেন। তিনি শেরপুর-১ (সদর) আসন থেকে নির্বাচনে জামায়াতের প্রার্থিতার কথাও জানান। তা ছাড়া শেরপুরের শিক্ষা, স্বাস্থ্য, কৃষি ও শিল্প খাতে উন্নয়নের জন্য সবার সহযোগিতা চান।
জেলা জামায়াতের আমির মাওলানা হাফিজুর রহমানের সভাপতিত্বে ও শহর জামায়াতের নায়েবে আমির মু. গোলাম কিবরিয়ার সঞ্চালনায় মতবিনিময় সভায় আরও বক্তব্য দেন প্রেসক্লাবের সভাপতি কাকন রেজা। অনুষ্ঠানে জেলা জামায়াত-শিবিরের নেতা-কর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।

চানন্দী ইউনিয়নের নদীতীরবর্তী করিম বাজার-দরবেশ বাজার এলাকার একটি পিচঢালাই রাস্তার ইট তুলে নেওয়ার অভিযোগ এনে স্থানীয় বিএনপির কয়েকজন নেতার নাম উল্লেখ করে এনসিপির এক নেতা ফেসবুকে পোস্ট দেন। ওই পোস্টকে কেন্দ্র করে এলাকায় উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়ে।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে সিরাজগঞ্জের ছয়টি আসনের সব কটিতেই মনোনয়নপত্র জমা দিয়েছেন বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর সম্ভাব্য প্রার্থীরা। নির্বাচন কমিশনে জমা দেওয়া হলফনামা বিশ্লেষণে উঠে এসেছে, তাঁদের আয় ও সম্পদের চিত্র।
৫ ঘণ্টা আগে
ঢাকা-চট্টগ্রাম মহাসড়কের কুমিল্লার চৌদ্দগ্রাম অংশে দাপিয়ে বেড়াচ্ছে নিষিদ্ধ তিন চাকার ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা। মহাসড়ক নিয়ন্ত্রণের দায়িত্বে থাকা হাইওয়ে পুলিশকেও পাত্তা দিচ্ছেন না এসব অটোরিকশাচালক। পুলিশের সামনেই তাঁরা অটোরিকশা চালাচ্ছেন, যত্রতত্র যাত্রী তুলছেন-নামাচ্ছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে সংরক্ষিত বনাঞ্চলঘেঁষা কৃষিজমির মাটি ১০০ ফুট গভীরে খনন করে লুটপাট করা হচ্ছে। গভীর খননের ফলে নিচের স্তরে মাটির পরিবর্তে দেখা মিলেছে সিলিকন বালু। এতে করে মাটিখেকোদের দাপট বেড়েই চলেছে। সন্ধ্যা থেকে শুরু হয়ে ভোররাত পর্যন্ত চলে এই দাপট।
৬ ঘণ্টা আগে