নকলা (শেরপুর) প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে নৌকার প্রার্থী ও জাতীয় সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, ‘জীবনে কোনো দিন দামি গাড়িতে চড়িনি, দামি কাপড় পরিনি, দামি খাবার খাইনি, বিলাসী জীবন যাপন করিনি। শুধু নকলা-নালিতাবাড়ীর উন্নয়ন নিয়ে ভেবেছি। আমার কোনো বাড়ি-গাড়ি নেই। আছে শুধু আপনাদের ভালোবাসা।’
গতকাল মঙ্গলবার রাতে শেরপুরের নকলা পৌর শহরের পশ্চিম বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মতিয়া চৌধুরী এসব কথা বলেন।
মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ আমার প্রাণের স্পন্দন। যত দিন আল্লায় আমাকে বাঁচিয়ে রাখবেন, আমি আপনাদের সেবা করে যেতে চাই। জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের কথা বলে যেতে চাই।’
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের ভালোবাসাই আমার চলার পথের একমাত্র পাথেয়। ইলেকশনের দিন আপনারা সবাই সকাল সকাল নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নৌকায় ভোট দিয়ে যাঁর যাঁর কাজ করবেন।’
তিনি বলেন, ‘কোনো মানুষ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। আমারও ভুল থাকতে পারে, ভুল হতে পারে। আপনারা নিজ গুণে আমাকে ক্ষমা করে দিয়ে আবারও বিপুল ভোটে আমাকে আপনাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন।’
নকলা বাজারের ব্যবসায়ী বীর মুক্তযোদ্ধা আবুল মুনসুর এতে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সোহেল।
সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. বোরহান উদ্দিন, পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, স্থানীয় ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান বন্দোবস্তকারী সমিতির সভাপতি বাবু ইন্দ্রজিৎ কুমার ধর সুভাষ।
আরও বক্তব্য দেন ইটভাটা ব্যবসায়ীদের পক্ষে আনিসুর রহমান সোজা, মিল মালিক সমিতির পক্ষে জয়েন উদ্দিন, সার ডিলার সমিতির পক্ষে বাবু কৃষ্ণ কান্তি রায়, জুতা ব্যবসায়ীদের পক্ষে লিটন মিয়া, ওষুধ ব্যবসায়ীদের পক্ষে দেবজিৎ বণিক, কাপড় ব্যবসায়ীদের পক্ষে মুসা কলিমুল্লাহ।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে শেরপুর-২ (নকলা-নালিতাবাড়ী) আসনে নৌকার প্রার্থী ও জাতীয় সংসদের উপনেতা মতিয়া চৌধুরী বলেছেন, ‘জীবনে কোনো দিন দামি গাড়িতে চড়িনি, দামি কাপড় পরিনি, দামি খাবার খাইনি, বিলাসী জীবন যাপন করিনি। শুধু নকলা-নালিতাবাড়ীর উন্নয়ন নিয়ে ভেবেছি। আমার কোনো বাড়ি-গাড়ি নেই। আছে শুধু আপনাদের ভালোবাসা।’
গতকাল মঙ্গলবার রাতে শেরপুরের নকলা পৌর শহরের পশ্চিম বাজারে স্থানীয় ব্যবসায়ীদের আয়োজনে নির্বাচনী জনসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে মতিয়া চৌধুরী এসব কথা বলেন।
মতিয়া চৌধুরী বলেন, ‘আমার নির্বাচনী এলাকার মানুষ আমার প্রাণের স্পন্দন। যত দিন আল্লায় আমাকে বাঁচিয়ে রাখবেন, আমি আপনাদের সেবা করে যেতে চাই। জননেত্রী শেখ হাসিনার উন্নয়নের কথা বলে যেতে চাই।’
ভোটারদের উদ্দেশে তিনি বলেন, ‘আপনাদের ভালোবাসাই আমার চলার পথের একমাত্র পাথেয়। ইলেকশনের দিন আপনারা সবাই সকাল সকাল নিজ নিজ ভোটকেন্দ্রে গিয়ে নৌকায় ভোট দিয়ে যাঁর যাঁর কাজ করবেন।’
তিনি বলেন, ‘কোনো মানুষ ভুলের ঊর্ধ্বে নয়। আমারও ভুল থাকতে পারে, ভুল হতে পারে। আপনারা নিজ গুণে আমাকে ক্ষমা করে দিয়ে আবারও বিপুল ভোটে আমাকে আপনাদের প্রতিনিধি নির্বাচিত করবেন।’
নকলা বাজারের ব্যবসায়ী বীর মুক্তযোদ্ধা আবুল মুনসুর এতে সভাপতিত্ব করেন। অনুষ্ঠানটি সঞ্চালনা করেন উপজেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক রফিকুল ইসলাম সোহেল।
সভায় বক্তব্য দেন উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক বীর মুক্তিযোদ্ধা শফিকুল ইসলাম জিন্নাহ, উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান শাহ মো. বোরহান উদ্দিন, পৌর মেয়র হাফিজুর রহমান লিটন, স্থানীয় ট্রাক ও কাভার্ড ভ্যান বন্দোবস্তকারী সমিতির সভাপতি বাবু ইন্দ্রজিৎ কুমার ধর সুভাষ।
আরও বক্তব্য দেন ইটভাটা ব্যবসায়ীদের পক্ষে আনিসুর রহমান সোজা, মিল মালিক সমিতির পক্ষে জয়েন উদ্দিন, সার ডিলার সমিতির পক্ষে বাবু কৃষ্ণ কান্তি রায়, জুতা ব্যবসায়ীদের পক্ষে লিটন মিয়া, ওষুধ ব্যবসায়ীদের পক্ষে দেবজিৎ বণিক, কাপড় ব্যবসায়ীদের পক্ষে মুসা কলিমুল্লাহ।

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
২৯ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৩১ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে