ঈশ্বরগঞ্জ (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

দশম গ্রেড বাস্তবায়নের এক দফা দাবিতে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে মানববন্ধন করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা। আজ রোববার বিকেলে উপজেলা পরিষদের সামনে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের ওপর এ কর্মসূচি পালিত হয়।
উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা মানববন্ধনে অংশ নেন। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর স্মারকলিপি দেন শিক্ষকেরা।
অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তারাটি নতুন বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নূরুল হুদার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সানোয়ার পারভেজ পিন্টু। এ ছাড়া বক্তব্য দেন ঈশ্বরগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আল-আমিন, সহকারী শিক্ষক রাশিদুজ্জামান রাজন, সাদ্দাম হোসেন রানা, মো. আমিনুল হক, টিপু সুলতান, আলমগীর হোসেন, শেখ আবু রায়হান, আইরিন আহসান প্রমুখ।
মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষকেরা সহকারী শিক্ষকদের জীবনমান উন্নত ও মর্যাদাসম্পন্ন করতে দশম গ্রেড বাস্তবায়নে বিভিন্ন ধরনের যুক্তি তুলে ধরেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে দশম গ্রেড বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান।
এ প্রসঙ্গে দুবলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাদ্দাম হোসেন রানা বলেন, ‘দশম গ্রেড শুধু আমাদের দাবিই নয়, এটি আমাদের ন্যায্য ও যৌক্তিক অধিকার। এর কারণ একজন নার্স এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমার পর নিয়োগ পেয়ে (এইচএসচি সমমান) বেতন পায় দশম গ্রেডে। শুধু তা–ই নয়, একজন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, পুলিশের উপপরিদর্শকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও স্নাতক সমমান যোগ্যতায় নিয়োগ পেয়ে বেতন পায় নবম-দশম গ্রেডে। তাহলে সমযোগ্যতা হওয়া সত্ত্বেও আমাদের সঙ্গে এই বৈষম্য কেন?’
হারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল হক বলেন, ‘স্নাতক সম্পন্ন করে একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বেতন পান ১৩তম গ্রেডে। অথচ অষ্টম শ্রেণি পাস করা একজন সরকারি গাড়িচালক বেতন পান ১২তম গ্রেডে। মানে একজন শিক্ষকের চেয়ে গাড়ি চালকের পদমর্যাদা বেশি। রাষ্ট্রের মুখপাত্রদের লজ্জা হওয়া উচিত।’
উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও কাকনহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সানোয়ার পারভেজ পিন্টু বলেন, ‘বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে একজন সহকারী শিক্ষকের ১৩তম গ্রেডে বেতন-ভাতা দিয়ে জীবন চালানো খুবই কঠিন। অনেক শিক্ষকের মাসের পর মাস ধারদেনা করে চলতে হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে দাবি, উনি যেন আমাদের যৌক্তিক দাবিটি মেনে নেন।’

দশম গ্রেড বাস্তবায়নের এক দফা দাবিতে ময়মনসিংহের ঈশ্বরগঞ্জে মানববন্ধন করেছেন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা। আজ রোববার বিকেলে উপজেলা পরিষদের সামনে ময়মনসিংহ-কিশোরগঞ্জ মহাসড়কের ওপর এ কর্মসূচি পালিত হয়।
উপজেলার বিভিন্ন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষকেরা মানববন্ধনে অংশ নেন। প্রায় ঘণ্টাব্যাপী মানববন্ধন শেষে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) বরাবর স্মারকলিপি দেন শিক্ষকেরা।
অনুষ্ঠিত মানববন্ধনে তারাটি নতুন বাজার সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. নূরুল হুদার সঞ্চালনায় স্বাগত বক্তব্য দেন সানোয়ার পারভেজ পিন্টু। এ ছাড়া বক্তব্য দেন ঈশ্বরগঞ্জ সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক মো. আল-আমিন, সহকারী শিক্ষক রাশিদুজ্জামান রাজন, সাদ্দাম হোসেন রানা, মো. আমিনুল হক, টিপু সুলতান, আলমগীর হোসেন, শেখ আবু রায়হান, আইরিন আহসান প্রমুখ।
মানববন্ধনে উপস্থিত শিক্ষকেরা সহকারী শিক্ষকদের জীবনমান উন্নত ও মর্যাদাসম্পন্ন করতে দশম গ্রেড বাস্তবায়নে বিভিন্ন ধরনের যুক্তি তুলে ধরেন। পাশাপাশি অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে দশম গ্রেড বাস্তবায়নের জোর দাবি জানান।
এ প্রসঙ্গে দুবলী সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সাদ্দাম হোসেন রানা বলেন, ‘দশম গ্রেড শুধু আমাদের দাবিই নয়, এটি আমাদের ন্যায্য ও যৌক্তিক অধিকার। এর কারণ একজন নার্স এবং উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা চার বছর মেয়াদি ডিপ্লোমার পর নিয়োগ পেয়ে (এইচএসচি সমমান) বেতন পায় দশম গ্রেডে। শুধু তা–ই নয়, একজন ইউনিয়ন পরিষদের সচিব, পুলিশের উপপরিদর্শকসহ বিভিন্ন মন্ত্রণালয়ের প্রশাসনিক কর্মকর্তারাও স্নাতক সমমান যোগ্যতায় নিয়োগ পেয়ে বেতন পায় নবম-দশম গ্রেডে। তাহলে সমযোগ্যতা হওয়া সত্ত্বেও আমাদের সঙ্গে এই বৈষম্য কেন?’
হারুয়া সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী প্রধান শিক্ষক মো. আমিনুল হক বলেন, ‘স্নাতক সম্পন্ন করে একজন প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক বেতন পান ১৩তম গ্রেডে। অথচ অষ্টম শ্রেণি পাস করা একজন সরকারি গাড়িচালক বেতন পান ১২তম গ্রেডে। মানে একজন শিক্ষকের চেয়ে গাড়ি চালকের পদমর্যাদা বেশি। রাষ্ট্রের মুখপাত্রদের লজ্জা হওয়া উচিত।’
উপজেলা শিক্ষক সমিতির সাধারণ সম্পাদক ও কাকনহাটি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সহকারী শিক্ষক সানোয়ার পারভেজ পিন্টু বলেন, ‘বর্তমান দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতিতে একজন সহকারী শিক্ষকের ১৩তম গ্রেডে বেতন-ভাতা দিয়ে জীবন চালানো খুবই কঠিন। অনেক শিক্ষকের মাসের পর মাস ধারদেনা করে চলতে হয়। অন্তর্বর্তীকালীন সরকারের প্রধান উপদেষ্টার কাছে দাবি, উনি যেন আমাদের যৌক্তিক দাবিটি মেনে নেন।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
২ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
২ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৩ ঘণ্টা আগে