ইলিয়াস আহমেদ, ময়মনসিংহ

অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সম্প্রতি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া ও ফুলপুর উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নিমজ্জিত হয় তিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা। পানিবন্দী হয়ে পড়ে বেশ কিছু কমিউনিটি ক্লিনিক। এতে ব্যাহত হচ্ছে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা। কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে বেড়েছে রোগীর চাপ।
স্থানীয় প্রশাসন ও বন্যাদুর্গতদের কাছ থেকে জানা গেছে, ৪ অক্টোবর বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির পর হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া ও ফুলপুরে পানি নামছে ধীরগতিতে। সেই সঙ্গে দেখা দিচ্ছে পানিবাহিত নানা রোগবালাই। তিন উপজেলায় পানিতে তলিয়ে যায় ৩০টির মতো কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র। পানি কমতে শুরু করলেও রাস্তাঘাট তলিয়ে থাকায় সেবা কেন্দ্রে যেতে পারছে না মানুষজন। এতে কয়েক হাজার মানুষ বিপাকে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পানি কমার পাশাপাশি ভেঙে যাওয়া রাস্তা মেরামত না করা পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবার পুরোপুরি সুফল পাবে না মানুষ।
স্থানীয় লোকজন জানায়, ফুলপুর উপজেলার সিংহেশ্বর ইউনিয়নের সঞ্চুর কমিউনিটি ক্লিনিকের চারপাশে এখনো কোমরসমান পানি। ৪ অক্টোবর থেকে বন্ধ রয়েছে সেবা কার্যক্রম।
স্থানীয় রাকিব হাসান বলেন, এ ক্লিনিকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১২০ জন সেবা নিত। বন্যা হওয়ার পর থেকে ক্লিনিকে রোগী ও দায়িত্বরত কেউ আসছে না। ক্লিনিক বন্ধ থাকলেও বিকল্প সেবা যদি চালু করা হতো, তাহলে বন্যার মধ্যে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হতো।
একই উপজেলার রূপসী স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রের দুটি ভবনে এখনো হাঁটুসমান পানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেখানকার দায়িত্বরত মোস্তাফিজুর রহমান নিয়মিত যান না। বন্যা হওয়ার পর তাঁর উপস্থিতি আরও কমেছে।
কৃষ্ণপুর গ্রামের কুদরত উল্লাহ বলেন, ‘আমাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ থাকলে ডাক্তার থাকে না, আর ডাক্তার থাকলে ওষুধ থাকে না। এভাবেই চলছে বছরের পর বছর। প্রতি মাসের ৮-১০ তারিখের মধ্যেই ওষুধ শেষ হয়ে যায়। স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে অডিট কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।’
রূপসী স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সবকিছুর তো সীমাবদ্ধতা আছে। প্রতি মাসে ২২-২৩ আইটেমের ওষুধ আসে, আবার কোনো মাসে আসেও না। ওষুধ এলে রোগী ছাড়া তার স্বজনেরাই নিতে ভিড় জমায়। তখন না দিলেই ভালো না।’
চারদিকে বন্যার পানির কারণে ধোবাউড়া উপজেলার পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়নের রাউতি কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা কার্যক্রম ৪ অক্টোবর থেকে ব্যাহত হচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিকটির হেলথকেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) রাসেল পালোয়ান বলেন, ‘ক্লিনিকের চারদিকে শুধু পানি আর পানি। আমি নিয়মিত গেলেও রোগীরা আসছে না।’
ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জায়েদ মাহবুব খান বলেন, ‘চলমান বন্যায় ফুলপুর সদর, ছনধরা এবং সিংহেশ্বর ইউনিয়নে ১০টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও সেগুলোর আশপাশের রাস্তায় পানি উঠে সেবা ব্যাহত হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ক্লিনিকে গেলেও রোগী আসতে পারছে না পানির কারণে। রাস্তাঘাট ঠিক না হওয়া পর্যন্ত মনে হচ্ছে না রোগীরা সেবা নিতে আসবে।’
ধোবাউড়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাহিদা নাজনীন নিপা বলেন, ‘পুরো উপজেলায় ২৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। চলমান বন্যার কারণে এখনো রাউতি কমিউনিটি ক্লিনিক, রায় কান্দুলিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক, পাতাম কমিউনিটি ক্লিনিক ও তারাইকান্দি কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা কার্যক্রম চালু হয়নি। অনেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার জন্য আসছে। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা চেষ্টা করছি শতভাগ সেবা নিশ্চিতের।’
হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রাণেশ চন্দ্র পণ্ডিত বলেন, উপজেলার বটগাছিয়া কান্দা কমিউনিটি ক্লিনিক ও আতুয়া জঙ্গল কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। বন্যায় ১০টি ক্লিনিকে পানি প্রবেশ করেছিল। সেগুলো থেকে পানি সরে গেলেও রাস্তাঘাটে পানি থাকায় সেবাগ্রহীতারা সেখানে যেতে পারছে না। এতে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ বেড়েছে।
ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তিন উপজেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা শতভাগ নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিছু কমিউনিটি ক্লিনিকে পানি ঢুকলেও ওষুধ এবং মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এখন পানি কমতে শুরু করলেও বেহাল রাস্তার কারণে রোগীরা সেবা নিতে আসতে পারছে না।’

অতিবৃষ্টি ও উজান থেকে নেমে আসা পাহাড়ি ঢলে সম্প্রতি ময়মনসিংহের হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া ও ফুলপুর উপজেলায় বন্যা পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। নিমজ্জিত হয় তিন উপজেলার বিভিন্ন এলাকা। পানিবন্দী হয়ে পড়ে বেশ কিছু কমিউনিটি ক্লিনিক। এতে ব্যাহত হচ্ছে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা। কাঙ্ক্ষিত সেবা না পেয়ে বিপাকে পড়েছে সাধারণ মানুষ। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সগুলোতে বেড়েছে রোগীর চাপ।
স্থানীয় প্রশাসন ও বন্যাদুর্গতদের কাছ থেকে জানা গেছে, ৪ অক্টোবর বন্যা পরিস্থিতি সৃষ্টির পর হালুয়াঘাট, ধোবাউড়া ও ফুলপুরে পানি নামছে ধীরগতিতে। সেই সঙ্গে দেখা দিচ্ছে পানিবাহিত নানা রোগবালাই। তিন উপজেলায় পানিতে তলিয়ে যায় ৩০টির মতো কমিউনিটি ক্লিনিক এবং ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্র। পানি কমতে শুরু করলেও রাস্তাঘাট তলিয়ে থাকায় সেবা কেন্দ্রে যেতে পারছে না মানুষজন। এতে কয়েক হাজার মানুষ বিপাকে পড়েছে।
সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা বলছেন, পানি কমার পাশাপাশি ভেঙে যাওয়া রাস্তা মেরামত না করা পর্যন্ত স্বাস্থ্যসেবার পুরোপুরি সুফল পাবে না মানুষ।
স্থানীয় লোকজন জানায়, ফুলপুর উপজেলার সিংহেশ্বর ইউনিয়নের সঞ্চুর কমিউনিটি ক্লিনিকের চারপাশে এখনো কোমরসমান পানি। ৪ অক্টোবর থেকে বন্ধ রয়েছে সেবা কার্যক্রম।
স্থানীয় রাকিব হাসান বলেন, এ ক্লিনিকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১২০ জন সেবা নিত। বন্যা হওয়ার পর থেকে ক্লিনিকে রোগী ও দায়িত্বরত কেউ আসছে না। ক্লিনিক বন্ধ থাকলেও বিকল্প সেবা যদি চালু করা হতো, তাহলে বন্যার মধ্যে মানুষের স্বাস্থ্যসেবা নিশ্চিত হতো।
একই উপজেলার রূপসী স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রের দুটি ভবনে এখনো হাঁটুসমান পানি। স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, সেখানকার দায়িত্বরত মোস্তাফিজুর রহমান নিয়মিত যান না। বন্যা হওয়ার পর তাঁর উপস্থিতি আরও কমেছে।
কৃষ্ণপুর গ্রামের কুদরত উল্লাহ বলেন, ‘আমাদের স্বাস্থ্যকেন্দ্রে ওষুধ থাকলে ডাক্তার থাকে না, আর ডাক্তার থাকলে ওষুধ থাকে না। এভাবেই চলছে বছরের পর বছর। প্রতি মাসের ৮-১০ তারিখের মধ্যেই ওষুধ শেষ হয়ে যায়। স্বাস্থ্যসেবার মান নিশ্চিত করতে অডিট কার্যক্রম জোরদার করা প্রয়োজন।’
রূপসী স্বাস্থ্য ও পরিবারকল্যাণ কেন্দ্রের উপসহকারী কমিউনিটি মেডিকেল অফিসার মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘সবকিছুর তো সীমাবদ্ধতা আছে। প্রতি মাসে ২২-২৩ আইটেমের ওষুধ আসে, আবার কোনো মাসে আসেও না। ওষুধ এলে রোগী ছাড়া তার স্বজনেরাই নিতে ভিড় জমায়। তখন না দিলেই ভালো না।’
চারদিকে বন্যার পানির কারণে ধোবাউড়া উপজেলার পোড়াকান্দুলিয়া ইউনিয়নের রাউতি কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা কার্যক্রম ৪ অক্টোবর থেকে ব্যাহত হচ্ছে। কমিউনিটি ক্লিনিকটির হেলথকেয়ার প্রোভাইডার (সিএইচসিপি) রাসেল পালোয়ান বলেন, ‘ক্লিনিকের চারদিকে শুধু পানি আর পানি। আমি নিয়মিত গেলেও রোগীরা আসছে না।’
ফুলপুর উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা জায়েদ মাহবুব খান বলেন, ‘চলমান বন্যায় ফুলপুর সদর, ছনধরা এবং সিংহেশ্বর ইউনিয়নে ১০টি কমিউনিটি ক্লিনিক ও সেগুলোর আশপাশের রাস্তায় পানি উঠে সেবা ব্যাহত হয়। সংশ্লিষ্ট ব্যক্তিরা ক্লিনিকে গেলেও রোগী আসতে পারছে না পানির কারণে। রাস্তাঘাট ঠিক না হওয়া পর্যন্ত মনে হচ্ছে না রোগীরা সেবা নিতে আসবে।’
ধোবাউড়া উপজেলার ভারপ্রাপ্ত স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা নাহিদা নাজনীন নিপা বলেন, ‘পুরো উপজেলায় ২৫টি কমিউনিটি ক্লিনিক রয়েছে। চলমান বন্যার কারণে এখনো রাউতি কমিউনিটি ক্লিনিক, রায় কান্দুলিয়া কমিউনিটি ক্লিনিক, পাতাম কমিউনিটি ক্লিনিক ও তারাইকান্দি কমিউনিটি ক্লিনিকে সেবা কার্যক্রম চালু হয়নি। অনেকে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে সেবার জন্য আসছে। সীমাবদ্ধতার মধ্যেও আমরা চেষ্টা করছি শতভাগ সেবা নিশ্চিতের।’
হালুয়াঘাট উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা প্রাণেশ চন্দ্র পণ্ডিত বলেন, উপজেলার বটগাছিয়া কান্দা কমিউনিটি ক্লিনিক ও আতুয়া জঙ্গল কমিউনিটি ক্লিনিকের সেবা পুরোপুরি বন্ধ রয়েছে। বন্যায় ১০টি ক্লিনিকে পানি প্রবেশ করেছিল। সেগুলো থেকে পানি সরে গেলেও রাস্তাঘাটে পানি থাকায় সেবাগ্রহীতারা সেখানে যেতে পারছে না। এতে গ্রামীণ স্বাস্থ্যসেবা ব্যাহত হচ্ছে। উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে রোগীর চাপ বেড়েছে।
ময়মনসিংহের সিভিল সার্জন নজরুল ইসলাম আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘তিন উপজেলার মানুষের স্বাস্থ্যসেবা শতভাগ নিশ্চিত করতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। কিছু কমিউনিটি ক্লিনিকে পানি ঢুকলেও ওষুধ এবং মালামাল নিরাপদ স্থানে সরিয়ে নেওয়া হয়। এখন পানি কমতে শুরু করলেও বেহাল রাস্তার কারণে রোগীরা সেবা নিতে আসতে পারছে না।’

খুলনা-১ আসনে (দাকোপ-বটিয়াঘাটা) নির্বাচনী লড়াইয়ে মাঠে আছেন ১০ প্রার্থী। তাঁদের মধ্যে বার্ষিক আয়ে এগিয়ে বিএনপির প্রার্থী আমির এজাজ খান। আর সম্পদে এগিয়ে জামায়াতের প্রার্থী কৃষ্ণ নন্দী। নির্বাচন অফিসে জমা দেওয়া হলফনামা পর্যালোচনা করে এ তথ্য পাওয়া গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
গাজীপুরের শ্রীপুরে সদ্য বিদায়ী বছরে অন্তত ৩৩টি হত্যাকাণ্ড ঘটেছে। কয়েকটি হত্যাকাণ্ডের রহস্য এখনো উদঘাটন করতে পারেনি আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী। ধর্ষণের মামলা করা হয়েছে ৪২টি। ৭০টি অপমৃত্যুর মামলা করাসহ ১১০ জনের লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শ্রীপুর থানা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
৬ ঘণ্টা আগে
পাবনার সাঁথিয়ার কাশিনাথপুর ইউনিয়ন উপস্বাস্থ্যকেন্দ্র এখন গণশৌচাগারে পরিণত হয়েছে। প্রতিদিন কয়েক শ মানুষ এখানে প্রস্রাব করার পাশাপাশি বাজারের ব্যবসায়ীরা প্রতিষ্ঠানটিকে ময়লা-আবর্জনা ফেলার কাজে ব্যবহার করছেন। এ ছাড়া স্বাস্থ্যকেন্দ্রের ভেতরে অপরিকল্পিতভাবে গড়ে তোলা হয়েছে হরিজন (সুইপার) সম্প্রদায়ের আবাসস্
৬ ঘণ্টা আগে
সুন্দরবনে হরিণশিকারিদের পাতা ফাঁদে আটকে পড়েছিল বাঘটি। বন বিভাগের কর্মীরা গতকাল রোববার ‘ট্রানকুইলাইজার গান’ দিয়ে ইনজেকশন পুশ করে অচেতন অবস্থায় বাঘটিকে উদ্ধার করেছেন। এরপর চিকিৎসার জন্য বাঘটিকে খুলনায় নিয়ে আসা হয়েছে খাঁচায় ভরে।
৭ ঘণ্টা আগে