প্রতিনিধি, গৌরীপুর (ময়মনসিংহ)

গৌরীপুরে শালিহর বধ্যভূমিতে নবনির্মিত স্মৃতিসৌধের নামফলকে ‘গণশহীদদের’ নামের তালিকার শিরোনামে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনওর) কাছে মৌখিক প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এদিকে উপজেলা প্রশাসন ও ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগ এ ভুলের জন্য একে অপরকে দায়ী করছে।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড গৌরীপুর পৌর শাখার সভাপতি মশিউর রহমান কাউসার বলেন, ‘শালিহর বধ্যভূমিতে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের শুরু থেকেই চরম অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে গণপূর্ত বিভাগ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এটা কেবল একটি ভুল নয়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি ও গণশহীদদের প্রতি অবহেলা করা হয়েছে।’
কমান্ডের গৌরীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আবুল ফজল মুহাম্মদ আজাদ হীরা অভিযোগ করে বলেন, ‘শুধু ইতিহাস বিকৃতি নয়, এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণে ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়ম করা হয়েছে।’
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুর রহিম বলেন, ‘এটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির সামিল।’ এ ভুলটি সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুজ্জামান চুন্নু বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে গণশহীদদের নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখপূর্বক তালিকা মোতাবেক বধ্যভূমির স্মৃতিসৌধের নামফলকে তাঁদের নাম লেখা হয়েছে। আর এ তালিকা মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তা ছাড়া নবনির্মিত স্মৃতিসৌধ হস্তান্তরের সময় এ বিষয়ে ইউএনও কোনো অভিযোগ করেননি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মারুফ বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসন থেকে উল্লেখিত ব্যক্তিদের গণশহীদ হিসেবে উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে তালিকা পাঠানো হয়েছে। কাউকে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। এ ভুলের দায় গণপূর্ত বিভাগের।’ ভুল সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করবেন বলে তিনি জানান।

গৌরীপুরে শালিহর বধ্যভূমিতে নবনির্মিত স্মৃতিসৌধের নামফলকে ‘গণশহীদদের’ নামের তালিকার শিরোনামে ‘বীর মুক্তিযোদ্ধা’ লেখা হয়েছে। এ নিয়ে স্থানীয় বীর মুক্তিযোদ্ধা ও সন্তান কমান্ডের নেতৃবৃন্দ ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন। বিষয়টি নিয়ে তাঁরা উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার (ইউএনওর) কাছে মৌখিক প্রতিবাদ জানিয়েছেন। এদিকে উপজেলা প্রশাসন ও ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগ এ ভুলের জন্য একে অপরকে দায়ী করছে।
মুক্তিযোদ্ধা সংসদ সন্তান কমান্ড গৌরীপুর পৌর শাখার সভাপতি মশিউর রহমান কাউসার বলেন, ‘শালিহর বধ্যভূমিতে স্মৃতিসৌধ নির্মাণের শুরু থেকেই চরম অবহেলা ও দায়িত্বহীনতার পরিচয় দিয়েছে গণপূর্ত বিভাগ ও ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এটা কেবল একটি ভুল নয়, মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতি ও গণশহীদদের প্রতি অবহেলা করা হয়েছে।’
কমান্ডের গৌরীপুর উপজেলা শাখার সভাপতি আবুল ফজল মুহাম্মদ আজাদ হীরা অভিযোগ করে বলেন, ‘শুধু ইতিহাস বিকৃতি নয়, এ স্মৃতিসৌধ নির্মাণে ব্যাপক কারচুপি ও অনিয়ম করা হয়েছে।’
উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা সংসদের সাবেক কমান্ডার বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. আব্দুর রহিম বলেন, ‘এটি মুক্তিযুদ্ধের ইতিহাস বিকৃতির সামিল।’ এ ভুলটি সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দ্রুত হস্তক্ষেপ কামনা করেন তিনি।
এ বিষয়ে ময়মনসিংহ গণপূর্ত বিভাগের নির্বাহী প্রকৌশলী মো. সাইফুজ্জামান চুন্নু বলেন, ‘মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয় থেকে গণশহীদদের নাম বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখপূর্বক তালিকা মোতাবেক বধ্যভূমির স্মৃতিসৌধের নামফলকে তাঁদের নাম লেখা হয়েছে। আর এ তালিকা মুক্তিযোদ্ধা বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে প্রেরণ করেছেন উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। তা ছাড়া নবনির্মিত স্মৃতিসৌধ হস্তান্তরের সময় এ বিষয়ে ইউএনও কোনো অভিযোগ করেননি।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) হাসান মারুফ বলেন, ‘উপজেলা প্রশাসন থেকে উল্লেখিত ব্যক্তিদের গণশহীদ হিসেবে উল্লেখ করে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ে তালিকা পাঠানো হয়েছে। কাউকে বীর মুক্তিযোদ্ধা হিসেবে উল্লেখ করা হয়নি। এ ভুলের দায় গণপূর্ত বিভাগের।’ ভুল সংশোধনের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে অবগত করবেন বলে তিনি জানান।

সোমবার ভোরে বাবুল মিয়ার মা ঘুম থেকে উঠে ছেলের ঘরের দরজা বাইরে থেকে লাগানো দেখতে পান। তাঁর ডাকে পরিবারের অন্য সদস্যরা জেগে ওঠেন। বাবলু মিয়ার ছোট ছেলে ঘরে গিয়ে বিছানায় তার মায়ের ক্ষতবিক্ষত মরদেহ দেখতে পান। তবে ঘরে বা বাড়িতে বাবলু মিয়াকে খুঁজে পাওয়া যায়নি।
২৩ মিনিট আগে
নির্বাচনী পরিস্থিতি সম্পর্কে মির্জা ফখরুল বলেন, ‘এখন পর্যন্ত নির্বাচন পরিস্থিতি ভালোই মনে হচ্ছে। তবে প্রকৃত পরিস্থিতি বোঝা যাবে প্রচারণা শুরু হলে। তার আগে সবাই মনোনয়নসহ সাংবিধানিক বিষয়গুলো গুছিয়ে নিচ্ছে।’
১ ঘণ্টা আগে
শহরের গোয়ালপাড়া এলাকার বাসিন্দা ওয়াকার আলী দীর্ঘদিন ধরে তাঁর সাঙ্গপাঙ্গ নিয়ে মাছবাজারের ব্যবসায়ীদের কাছ থেকে প্রতিদিন ১০০ থেকে ১৫০ টাকা করে চাঁদা আদায় করতেন। গত বৃহস্পতিবার বিকেলে চাঁদা তুলতে গেলে ব্যবসায়ীরা দিতে অস্বীকৃতি জানান।
২ ঘণ্টা আগে
টানা সাত দিন ধরে ১০ ডিগ্রির নিচে তাপমাত্রা বিরাজ করছে উত্তরের জেলা পঞ্চগড়ে। ফলে এই জেলায় শীতের প্রভাব বেড়েছে। সোমবার (১২ জানুয়ারি) সকাল ৯টায় জেলার তেঁতুলিয়া আবহাওয়া পর্যবেক্ষণ কেন্দ্রে সর্বনিম্ন তাপমাত্রা রেকর্ড করা হয়েছে ৮ দশমিক ৪ ডিগ্রি সেলসিয়াস।
৩ ঘণ্টা আগে