নেত্রকোনা প্রতিনিধি

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দুই কুলই হারিয়েছেন নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস আরা ওরফে ঝুমা তালুকদার। সংসদ নির্বাচন করতে দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন ঝুমা। সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হেরে দুই কুলই গেল তাঁর।
গত রোববার রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঝুমা তালুকদারের ট্রাক প্রতীক পেয়েছে মাত্র ২৫ হাজার ২১৯ ভোট। আর ওই আসনে নৌকার প্রার্থী মোশতাক আহমেদ রুহী পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৯ ভোট। অর্থাৎ রুহীর চেয়ে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮০০ ভোট কম পেয়েছেন ঝুমা। ফলে ভোটের মাঠে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেননি তিনি।
তবে রোববার বিকেল সাড়ে ৩টায় কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন ঝুমা তালুকদার।
জানা গেছে, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে গত ৬ নভেম্বর দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেন ঝুমা তালুকদার। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন তাঁর কপালে জোটেনি। পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও নৌকার প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন তিনি।
জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঝুমা তালুকদার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েও পাননি। পরে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সে সময় নৌকার প্রার্থীকে পরাজিত করে উপজেলার প্রথম নারী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে গত ৬ নভেম্বর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেন ঝুমা, কিন্তু এবারও দলের মনোনয়ন জোটেনি তাঁর। এ কারণে ট্রাক প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই ভোটের মাঠে অবতীর্ণ হন।
স্থানীয়রা জানান, দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঝুমা তালুকদার যতটা প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছিলেন, সদ্য অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে তিনি তার কিছুই দেখাতে পারেননি। উপরন্তু উপজেলা চেয়ারম্যানের পদটিও হারাতে হয়েছে তাঁকে।
ঝুমা তালুকদারের দাবি, তাঁর আসনে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। নৌকার সমর্থকেরা তাঁর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছেন। ভোটারদের হুমকি দিয়েছেন। কারচুপি করে তাঁরা ভোটে জিতেছেন। ভোটের দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় তিনি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
ঝুমা তালুকদারের বাবা প্রয়াত জালাল উদ্দিন তালুকদার নেত্রকোনা জেলার একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ১৯৭৯ সালে তৎকালীন ময়মনসিংহ-১২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নেত্রকোনা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নেত্রকোনা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি।

দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশগ্রহণ করে দুই কুলই হারিয়েছেন নেত্রকোনা-১ (দুর্গাপুর-কলমাকান্দা) আসনের স্বতন্ত্র প্রার্থী জান্নাতুল ফেরদৌস আরা ওরফে ঝুমা তালুকদার। সংসদ নির্বাচন করতে দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে অব্যাহতি নিয়েছিলেন ঝুমা। সংসদ নির্বাচনে বিপুল ভোটের ব্যবধানে হেরে দুই কুলই গেল তাঁর।
গত রোববার রাতে জেলা রিটার্নিং কর্মকর্তা ঘোষিত ফলাফল অনুযায়ী, ঝুমা তালুকদারের ট্রাক প্রতীক পেয়েছে মাত্র ২৫ হাজার ২১৯ ভোট। আর ওই আসনে নৌকার প্রার্থী মোশতাক আহমেদ রুহী পেয়েছেন ১ লাখ ৫৯ হাজার ১৯ ভোট। অর্থাৎ রুহীর চেয়ে ১ লাখ ৩৩ হাজার ৮০০ ভোট কম পেয়েছেন ঝুমা। ফলে ভোটের মাঠে কোনো প্রতিদ্বন্দ্বিতাই করতে পারেননি তিনি।
তবে রোববার বিকেল সাড়ে ৩টায় কারচুপির অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন ঝুমা তালুকদার।
জানা গেছে, দ্বাদশ সংসদ নির্বাচনে দলীয় মনোনয়ন পেতে গত ৬ নভেম্বর দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেন ঝুমা তালুকদার। কিন্তু দলীয় মনোনয়ন তাঁর কপালে জোটেনি। পরে স্বতন্ত্র প্রার্থী হয়ে নির্বাচনে অংশ নিলেও নৌকার প্রার্থীর কাছে পরাজিত হয়েছেন তিনি।
জেলা আওয়ামী লীগ সূত্রে জানা গেছে, ২০১৯ সালের মার্চ মাসে অনুষ্ঠিত দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঝুমা তালুকদার আওয়ামী লীগের মনোনয়ন চেয়েও পাননি। পরে বিদ্রোহী প্রার্থী হিসেবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করে সে সময় নৌকার প্রার্থীকে পরাজিত করে উপজেলার প্রথম নারী চেয়ারম্যান নির্বাচিত হন।
দ্বাদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে গত ৬ নভেম্বর উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানের পদ থেকে স্বেচ্ছায় অব্যাহতি নেন ঝুমা, কিন্তু এবারও দলের মনোনয়ন জোটেনি তাঁর। এ কারণে ট্রাক প্রতীক নিয়ে স্বতন্ত্র প্রার্থী হিসেবেই ভোটের মাঠে অবতীর্ণ হন।
স্থানীয়রা জানান, দুর্গাপুর উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে ঝুমা তালুকদার যতটা প্রভাব বিস্তার করতে পেরেছিলেন, সদ্য অনুষ্ঠিত সংসদ নির্বাচনে তিনি তার কিছুই দেখাতে পারেননি। উপরন্তু উপজেলা চেয়ারম্যানের পদটিও হারাতে হয়েছে তাঁকে।
ঝুমা তালুকদারের দাবি, তাঁর আসনে নির্বাচন অবাধ ও সুষ্ঠু হয়নি। নৌকার সমর্থকেরা তাঁর এজেন্টদের কেন্দ্র থেকে বের করে দিয়েছেন। ভোটারদের হুমকি দিয়েছেন। কারচুপি করে তাঁরা ভোটে জিতেছেন। ভোটের দিন বিকেল সাড়ে ৩টায় সংবাদ সম্মেলন করে এমন অভিযোগ করেন তিনি। এ সময় তিনি নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন।
ঝুমা তালুকদারের বাবা প্রয়াত জালাল উদ্দিন তালুকদার নেত্রকোনা জেলার একজন রাজনীতিবিদ ছিলেন। তিনি ১৯৭৯ সালে তৎকালীন ময়মনসিংহ-১২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৮৬ সালে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নেত্রকোনা-২ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ১৯৯৬ সালে সপ্তম জাতীয় সংসদ নির্বাচনে আওয়ামী লীগের প্রার্থী হিসেবে নেত্রকোনা-১ আসন থেকে সংসদ সদস্য নির্বাচিত হন। ২০১২ সালের ২৬ সেপ্টেম্বর নিজ বাড়িতে গুলিবিদ্ধ হয়ে মারা যান তিনি।

কুলকান্দী ইউপি চেয়ারম্যান আনিছুর রহমান আনিছ বলেন, আনন্দ বাজার এলাকায় দেশীয় অস্ত্রসহ ঘোরাফেরা করতে দেখে আনোয়ারকে আটক করে স্থানীয় লোকজন ইউপি কার্যালয়ে এনে গ্রাম পুলিশের কাছে হস্তান্তর করে। পরে সেনাবাহিনীর একটি দল তাঁকে থানায় নিয়ে যায়।
৩১ মিনিট আগে
নেত্রকোনার কলমাকান্দা উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) মাসুদুর রহমানকে পিরোজপুরের ভান্ডারিয়া উপজেলায় বদলি করা হয়েছে। গতকাল মঙ্গলবার জনপ্রশাসন মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সহকারী সচিব সামিউল আমিন স্বাক্ষরিত প্রজ্ঞাপনে তাঁকে বদলি করা হয়। আজ বুধবার সকালে ইউএনও মাসুদুর রহমান নিজেই বদলির বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
১ ঘণ্টা আগে
দীর্ঘদিন বন্ধ থাকার পর বর্তমান কলেজ প্রশাসন ছাত্রাবাসটি পুনরায় চালুর উদ্যোগ নেয়। ইতিমধ্যে বিজ্ঞপ্তির মাধ্যমে ১৪ জন শিক্ষার্থীকে সিট বরাদ্দ দেওয়া হয়েছে। চলতি মাসের মধ্যেই শিক্ষার্থীরা সেখানে উঠবেন বলে জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।
২ ঘণ্টা আগে
নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার গোগনগর এলাকায় একটি প্লাস্টিক পণ্য তৈরির কারখানায় অগ্নিকাণ্ডের ঘটনা ঘটেছে। গতকাল মঙ্গলবার দিবাগত রাত দেড়টায় গোগনগরের মসিনাবন্দ এলাকায় এই ঘটনা ঘটে। প্রায় চার ঘণ্টা চেষ্টার পর আগুন নিয়ন্ত্রণে আনেন ফায়ার সার্ভিস কর্মীরা।
২ ঘণ্টা আগে