এম কে দোলন বিশ্বাস ইসলামপুর (জামালপুর)

জামালপুরের ইসলামপুরে শহীদ মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ (বীর উত্তম) সেতুর জন্য অধিগ্রহণ করা জমি দখলের মহোৎসব চলছে। ১০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫৬০ মিটার সেতুর দুই পাড়ের অধিকাংশ জমি এরই মধ্যে দখলে নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে ঘর ও দোকান। সেসব ভাড়া দিয়ে টাকা নিচ্ছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর নির্মিত এ সেতু ২০১৮ সালে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এরপর থেকে সেতুর দুই পাড় দখল চলছে। তবে গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দখলের মাত্রা বেড়েছে। দখলের কারণে ইসলামপুর-শেরপুর-বকশীগঞ্জ বহুমুখী সড়কে ফকিরপাড়া পাইলিং ঘাটে নির্মিত সেতুটি তার সৌন্দর্য হারাচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক মতাদর্শ ভিন্ন হলেও সেতুর পাড়ের জমি দখল চলছে মিলেমিশে। দখল ঠেকাতে রহস্যজনক কারণে নীরব রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জমি অধিগ্রহণ করে ইসলামপুর-শেরপুর-বকশীগঞ্জ বহুমুখী সড়কে ফকিরপাড়া পাইলিং ঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ১০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৬০ মিটার দৈর্ঘ্যে শহীদ মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ২০১৮ সালে চলাচলের জন্য সেতু উন্মুক্ত করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর দুই পাড় অনেকটা দখল হয়ে গেছে। দখলদারদের মাটিতে ঢাকা পড়েছে সেতুর সিসি ব্লকও। অনেকে দখলের জায়গায় বাড়ির পাশাপাশি নির্মাণ করছেন দোকানপাটও। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এরই মধ্যে অর্ধশত দোকানঘর উত্তোলন করে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। অনেকে ব্রহ্মপুত্র নদ খননে ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রে মাটি কেটে সেতুর পাড় ভরাট করে নিয়েছে। সেতুর পশ্চিম অংশের দক্ষিণ পাশে মাটি কেটে বাড়ি ও দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থাপনা নির্মাণের সুবিধার্থে সেতুর সিসি ব্লকও কাটা হয়েছে।
দখল চলছে দিনদুপুরে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কিছু প্রভাবশালী লোক সেতুর দুই পাশের জায়গাগুলো দখল করে নিচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র নদ খননে ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রে মাটি কেটে ভরাট করেছে সেতুর সরকারি জমি। এসব জায়গা বন্দোবস্ত দেওয়া হয়নি। মানুষজন যে যার মতো দখল করে নিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কয়েক বছর ধরে এই দখল কর্মকাণ্ড চলছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা নিয়ে প্রশাসনের অবহেলা, নাকি অন্য কিছু—প্রশ্ন তাঁদের।
সেতুতে ঘুরতে আসা কলেজশিক্ষার্থী পারভেজ মিয়া বলেন, ‘এখন সেতুর পাড়ে বসা যায় না। মাটি কেটে বিশাল বিশাল স্তূপ করে রাখা হয়েছে। তাতে সেতুর সৌন্দর্য চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা আবেদ আলী, তোতা মিয়া, নাজমা আক্তারসহ অনেকে বলেন, ‘৫ আগস্টের পর প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি সেতুর জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। নাব্যতা ফেরাতে বেশ কিছুদিন ধরে ব্রহ্মপুত্র নদ খননের কাজ চলছে। নদ থেকে উত্তোলন করা বালু দখল করেও অনেকে পাকা বাড়ি নির্মাণ করছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা সেতুর জমি দখল করে স্থাপনা করে যাচ্ছে।’
সেতুর পাড়ে নির্মিত দোকানি আনিছ, হাইবর ও মিজান বলেন, ‘সেতুর জমি দখল করে ঘর উত্তোলন করেছে কি না জানি না। আমরা ব্যবসা করার জন্য ঘর ভাড়া নিয়েছি।’
সেতুর পাড়ে স্থাপনা নির্মাণকারী মিজান, হাসান, হেলাল, আকবর হোসেনসহ অনেকে বলেন, ‘আমরা সেতুর জমি দখল করে বাড়ি ও দোকান নির্মাণ করিনি। আমাদের নিজস্ব জমিতেই বাড়িঘর তুলেছি। তবে সেতুর পাড় ঘেঁষে ঘর তোলা হয়েছে। প্রয়োজনে ঘর সরিয়ে দেওয়া হবে।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গাইবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মাকছুদুর রহমান আনছারী বলেন, ‘সেতুসংলগ্ন আমার ক্রয় করা জমিতে বাড়ি নির্মাণ করেছি। সেতুর জায়গা দখল করা ঠিক হবে না। সেতুর সরকারি জমি রক্ষা করা আমাদেরও দায়িত্ব রয়েছে।’
অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা (অন্যত্র বদলিপ্রাপ্ত) এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. আমিনুল হক বলেন, ‘অধিগ্রহণ করা সেতুর জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করার বিষয়টি এরই মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আমাদের সমন্বয় বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত এলেই সেতুর জমি উদ্ধারে আমরা অভিযান শুরু করব।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘সেতুর জায়গা দখল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি লোক মারফত শুনেছি। কোনোভাবে সরকারি সম্পদ দখল হতে দেওয়া হবে না। সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করব। সেতুর পাড়ের সরকারি জমি দখল হয়ে থাকলে দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে।’

জামালপুরের ইসলামপুরে শহীদ মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ (বীর উত্তম) সেতুর জন্য অধিগ্রহণ করা জমি দখলের মহোৎসব চলছে। ১০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে নির্মিত ৫৬০ মিটার সেতুর দুই পাড়ের অধিকাংশ জমি এরই মধ্যে দখলে নিয়ে গড়ে তোলা হয়েছে ঘর ও দোকান। সেসব ভাড়া দিয়ে টাকা নিচ্ছে স্থানীয় কিছু প্রভাবশালী।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর নির্মিত এ সেতু ২০১৮ সালে চলাচলের জন্য উন্মুক্ত করে দেওয়া হয়। এরপর থেকে সেতুর দুই পাড় দখল চলছে। তবে গত ৫ আগস্ট রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর দখলের মাত্রা বেড়েছে। দখলের কারণে ইসলামপুর-শেরপুর-বকশীগঞ্জ বহুমুখী সড়কে ফকিরপাড়া পাইলিং ঘাটে নির্মিত সেতুটি তার সৌন্দর্য হারাচ্ছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজনৈতিক মতাদর্শ ভিন্ন হলেও সেতুর পাড়ের জমি দখল চলছে মিলেমিশে। দখল ঠেকাতে রহস্যজনক কারণে নীরব রয়েছে স্থানীয় প্রশাসন।
স্থানীয় সরকার প্রকৌশল অধিদপ্তর (এলজিইডি) উপজেলা কার্যালয় সূত্রে জানা যায়, জমি অধিগ্রহণ করে ইসলামপুর-শেরপুর-বকশীগঞ্জ বহুমুখী সড়কে ফকিরপাড়া পাইলিং ঘাটে ব্রহ্মপুত্র নদের ওপর ১০৪ কোটি টাকা ব্যয়ে ৫৬০ মিটার দৈর্ঘ্যে শহীদ মেজর জেনারেল খালেদ মোশাররফ বীর উত্তম সেতুটি নির্মাণ করা হয়। ২০১৮ সালে চলাচলের জন্য সেতু উন্মুক্ত করে দেয় কর্তৃপক্ষ।
সরেজমিনে দেখা গেছে, সেতুর দুই পাড় অনেকটা দখল হয়ে গেছে। দখলদারদের মাটিতে ঢাকা পড়েছে সেতুর সিসি ব্লকও। অনেকে দখলের জায়গায় বাড়ির পাশাপাশি নির্মাণ করছেন দোকানপাটও। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, এরই মধ্যে অর্ধশত দোকানঘর উত্তোলন করে ব্যবসা-বাণিজ্য করতে ভাড়া দেওয়া হয়েছে। অনেকে ব্রহ্মপুত্র নদ খননে ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রে মাটি কেটে সেতুর পাড় ভরাট করে নিয়েছে। সেতুর পশ্চিম অংশের দক্ষিণ পাশে মাটি কেটে বাড়ি ও দোকান নির্মাণ করা হচ্ছে। স্থাপনা নির্মাণের সুবিধার্থে সেতুর সিসি ব্লকও কাটা হয়েছে।
দখল চলছে দিনদুপুরে
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক স্থানীয় বাসিন্দারা বলেন, কিছু প্রভাবশালী লোক সেতুর দুই পাশের জায়গাগুলো দখল করে নিচ্ছে। ব্রহ্মপুত্র নদ খননে ব্যবহৃত ভারী যন্ত্রে মাটি কেটে ভরাট করেছে সেতুর সরকারি জমি। এসব জায়গা বন্দোবস্ত দেওয়া হয়নি। মানুষজন যে যার মতো দখল করে নিয়েছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। কয়েক বছর ধরে এই দখল কর্মকাণ্ড চলছে। একটি গুরুত্বপূর্ণ জায়গা নিয়ে প্রশাসনের অবহেলা, নাকি অন্য কিছু—প্রশ্ন তাঁদের।
সেতুতে ঘুরতে আসা কলেজশিক্ষার্থী পারভেজ মিয়া বলেন, ‘এখন সেতুর পাড়ে বসা যায় না। মাটি কেটে বিশাল বিশাল স্তূপ করে রাখা হয়েছে। তাতে সেতুর সৌন্দর্য চরমভাবে ব্যাহত হয়েছে।’
স্থানীয় বাসিন্দা আবেদ আলী, তোতা মিয়া, নাজমা আক্তারসহ অনেকে বলেন, ‘৫ আগস্টের পর প্রভাবশালী কিছু ব্যক্তি সেতুর জায়গা দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করেছেন। নাব্যতা ফেরাতে বেশ কিছুদিন ধরে ব্রহ্মপুত্র নদ খননের কাজ চলছে। নদ থেকে উত্তোলন করা বালু দখল করেও অনেকে পাকা বাড়ি নির্মাণ করছে। স্থানীয় প্রভাবশালীরা সেতুর জমি দখল করে স্থাপনা করে যাচ্ছে।’
সেতুর পাড়ে নির্মিত দোকানি আনিছ, হাইবর ও মিজান বলেন, ‘সেতুর জমি দখল করে ঘর উত্তোলন করেছে কি না জানি না। আমরা ব্যবসা করার জন্য ঘর ভাড়া নিয়েছি।’
সেতুর পাড়ে স্থাপনা নির্মাণকারী মিজান, হাসান, হেলাল, আকবর হোসেনসহ অনেকে বলেন, ‘আমরা সেতুর জমি দখল করে বাড়ি ও দোকান নির্মাণ করিনি। আমাদের নিজস্ব জমিতেই বাড়িঘর তুলেছি। তবে সেতুর পাড় ঘেঁষে ঘর তোলা হয়েছে। প্রয়োজনে ঘর সরিয়ে দেওয়া হবে।’
উপজেলা আওয়ামী লীগের যুগ্ম সাধারণ সম্পাদক ও গাইবান্ধা ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) চেয়ারম্যান মাকছুদুর রহমান আনছারী বলেন, ‘সেতুসংলগ্ন আমার ক্রয় করা জমিতে বাড়ি নির্মাণ করেছি। সেতুর জায়গা দখল করা ঠিক হবে না। সেতুর সরকারি জমি রক্ষা করা আমাদেরও দায়িত্ব রয়েছে।’
অতিরিক্ত দায়িত্বে থাকা (অন্যত্র বদলিপ্রাপ্ত) এলজিইডির উপজেলা প্রকৌশলী মো. আমিনুল হক বলেন, ‘অধিগ্রহণ করা সেতুর জমি দখল করে স্থাপনা নির্মাণ করার বিষয়টি এরই মধ্যে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষকে জানানো হয়েছে। আমাদের সমন্বয় বৈঠকেও বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে। ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের সিদ্ধান্ত এলেই সেতুর জমি উদ্ধারে আমরা অভিযান শুরু করব।’
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. তৌহিদুর রহমান বলেন, ‘সেতুর জায়গা দখল হয়ে যাওয়ার বিষয়টি লোক মারফত শুনেছি। কোনোভাবে সরকারি সম্পদ দখল হতে দেওয়া হবে না। সরেজমিনে গিয়ে বিষয়টি তদন্ত করব। সেতুর পাড়ের সরকারি জমি দখল হয়ে থাকলে দখলদারদের উচ্ছেদ করা হবে।’

নিহত ব্যক্তির বড় ভাই নয়ন চক্রবর্তী বলেন, পারিবারিক বিষয় নিয়ে সামান্য মতবিরোধের পর ১৬ জানুয়ারি সকালে বাড়িতে মোবাইল ফোন রেখে বের হন জয়। এর পর থেকে তাঁর কোনো খোঁজ পাওয়া যাচ্ছিল না। পরদিন (১৭ জানুয়ারি) কুমিল্লা কোতোয়ালি থানায় একটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়। বুধবার বেলা সাড়ে ১১টার দিকে
২৪ মিনিট আগে
বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, বর্তমানে নভোএয়ার প্রতিদিন চট্টগ্রাম রুটে একটি করে ফ্লাইট পরিচালনা করছে। ফ্লাইটটি ঢাকা থেকে বেলা ১টা ১৫ মিনিটে চট্টগ্রামের উদ্দেশে এবং চট্টগ্রাম থেকে বেলা ২টা ৪০ মিনিটে ঢাকার উদ্দেশে উড্ডয়ন করে। নতুন ফ্লাইটটি প্রতি সোম, মঙ্গল, বুধ ও বৃহস্পতিবার ঢাকা থেকে বিকেল ৪টা ১৫ মিনিটে...
২৭ মিনিট আগে
অভিযোগে বলা হয়, ‘আমরা গভীর উদ্বেগের সঙ্গে লক্ষ করছি যে আসন্ন নির্বাচনে আওয়ামী লীগের সহযোগী জাতীয় পার্টিসহ স্বৈরাচারী শাসনব্যবস্থার বিভিন্ন সহযোগী ব্যক্তি ও গোষ্ঠী মনোনয়নপত্র দাখিল করেছেন এবং প্রতীক বরাদ্দ দেওয়া হচ্ছে। এ সকল ব্যক্তি ও দল অতীতে গণতন্ত্র ধ্বংস, ভোটাধিকার হরণ, মানবাধিকার...
৪১ মিনিট আগে
খাদেমুল ইসলাম খুদি এর আগে কার্যক্রম নিষিদ্ধ আওয়ামী লীগের জোটসঙ্গী দল জাসদের কেন্দ্রীয় নেতা ছিলেন। পরে তিনি জাতীয় নাগরিক পার্টিতে (এনসিপি) যোগ দেন। গত বছরের ৩ ডিসেম্বর এনসিপির কেন্দ্রীয় কমিটির সদস্যসচিব আখতার হোসেন ও উত্তরাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক সারজিস আলমের অনুমোদনে খুদিকে আহ্বায়ক করে
১ ঘণ্টা আগে