গৌরীপুর (ময়মনসিংহ) প্রতিনিধি

ময়মনসিংহের গৌরীপুরের মাওহা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আল ফারুকের প্রচারণায় হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় তাঁর এক কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তবে কর্মীকে মারধরের পাল্টা অভিযোগ করেছেন অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী রমিজ উদ্দিন স্বপন।
আজ বৃহস্পতিবার রমিজ উদ্দিনের সমর্থকদের বিরুদ্ধে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন মোহাম্মদ আল ফারুক।
মাওহা ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, মাওহা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আল ফারুকের অভিযোগ পেয়েছেন তিনি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ প্রেরণ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাতে মাওহা ইউনিয়নের বৃ-নহটা গ্রামে মোহাম্মদ আল ফারুকের ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকেরা প্রচারণায় বের হয়। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী রমিজ উদ্দিনের সমর্থকেরা ঘোড়া প্রতীকের প্রচারণায় হামলা চালিয়ে পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এ হামলায় ঘোড়া প্রতীকের কর্মী জিএম ফারুক (৪৫) আহত হয়। বর্তমানে তিনি গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
মোহাম্মদ আল ফারুক বলেন, ‘চেয়ারম্যান প্রার্থী রমিজ উদ্দিনের নির্দেশে তাঁর সমর্থকেরা আমার প্রচারণায় হামলা করে এক কর্মীকে মারধর ও পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পাঁচ লাখ টাকার বেশি।’
এ বিষয়ে রমিজ উদ্দিন স্বপন পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ‘উল্লিখিত হামলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে এদিন রাতে আল ফারুকের সমর্থকদের হামলায় শাহীন আলম নামে আমার এক কর্মী আহত হয়েছেন।’
গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী বলেন, রিটার্নিং অফিসার বরাবর করা অভিযোগের অনুলিপি তিনি পেয়েছেন। তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ময়মনসিংহের গৌরীপুরের মাওহা ইউনিয়নে স্বতন্ত্র প্রার্থী মোহাম্মদ আল ফারুকের প্রচারণায় হামলার অভিযোগ পাওয়া গেছে। হামলায় তাঁর এক কর্মী আহত হয়েছেন বলে জানা গেছে। এছাড়াও পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করা হয়েছে বলে দাবি করেছেন তিনি। তবে কর্মীকে মারধরের পাল্টা অভিযোগ করেছেন অপর স্বতন্ত্র প্রার্থী রমিজ উদ্দিন স্বপন।
আজ বৃহস্পতিবার রমিজ উদ্দিনের সমর্থকদের বিরুদ্ধে রিটার্নিং কর্মকর্তা বরাবর লিখিত অভিযোগ করেছেন মোহাম্মদ আল ফারুক।
মাওহা ইউনিয়নের দায়িত্বপ্রাপ্ত রিটার্নিং অফিসার ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা কামাল হোসেন জানান, মাওহা ইউনিয়নের চেয়ারম্যান প্রার্থী আল ফারুকের অভিযোগ পেয়েছেন তিনি। প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে অভিযোগ প্রেরণ করা হয়েছে।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত বুধবার রাতে মাওহা ইউনিয়নের বৃ-নহটা গ্রামে মোহাম্মদ আল ফারুকের ঘোড়া প্রতীকের সমর্থকেরা প্রচারণায় বের হয়। এ সময় প্রতিদ্বন্দ্বী চেয়ারম্যান প্রার্থী রমিজ উদ্দিনের সমর্থকেরা ঘোড়া প্রতীকের প্রচারণায় হামলা চালিয়ে পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করে। এ হামলায় ঘোড়া প্রতীকের কর্মী জিএম ফারুক (৪৫) আহত হয়। বর্তমানে তিনি গৌরীপুর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন আছেন।
মোহাম্মদ আল ফারুক বলেন, ‘চেয়ারম্যান প্রার্থী রমিজ উদ্দিনের নির্দেশে তাঁর সমর্থকেরা আমার প্রচারণায় হামলা করে এক কর্মীকে মারধর ও পাঁচটি মোটরসাইকেল ভাঙচুর করেছে। ক্ষয়ক্ষতির পরিমাণ পাঁচ লাখ টাকার বেশি।’
এ বিষয়ে রমিজ উদ্দিন স্বপন পাল্টা অভিযোগ করে বলেন, ‘উল্লিখিত হামলার বিষয়ে তিনি কিছু জানেন না। তবে এদিন রাতে আল ফারুকের সমর্থকদের হামলায় শাহীন আলম নামে আমার এক কর্মী আহত হয়েছেন।’
গৌরীপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) খান আব্দুল হালিম সিদ্দিকী বলেন, রিটার্নিং অফিসার বরাবর করা অভিযোগের অনুলিপি তিনি পেয়েছেন। তদন্ত পূর্বক প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৩ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৩ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৪ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৪ ঘণ্টা আগে