মৌলভীবাজারের কোদালীপুল-ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে ১৪ জন রোহিঙ্গাকে আটক করেছে পুলিশ। আজ শুক্রবার সন্ধ্যায় তাঁদের আটক করা হয়।
আটককৃতরা হলেন-কুতুপালং ৮ নম্বর ক্যাম্প, ব্লক-৫৯ এর একই পরিবারের মো. হামিদ হোসেন (৫০), হারুন (১৮), জুনায়েদ (১৪), ওসমানগনি (১০), ওমর ফারুক (১৬ মাস), নূর বেগম (৯), নূর কায়দা (৭) ও সাদিয়া ফাতেমা (৩)। কুতুপালং ৭ নম্বর ক্যাম্প, ব্লক-ই ৩৮ এর একই পরিবারের শফিক (২২), মিনারা (২০) ও রিয়াজ (৫ মাস)।
এ ছাড়াও রয়েছেন-কুতুপালং ৮w ক্যাম্প, ব্লক-৩৮ এর আজিজুল হক (২৫)। কুতুপালং ৮ নং ক্যাম্প, ব্লক-৫৮ এর নূর হাসান (৩১)। বালুখালি 8w ক্যাম্প, ব্লক-এ ৩২ এর সোনালি (৫১)।
জানা গেছে, গত ৫ দিন আগে দুই পরিবারের ১১ জন রোহিঙ্গা কক্সবাজারের কুতুপালং এবং বালুখালি ক্যাম্প থেকে মৌলভীবাজারে আসেন। তাঁদের সঙ্গে ৬ শিশুও রয়েছেন। এ ছাড়া তাঁদের সঙ্গে আরও ৩ জন রোহিঙ্গাও আছেন। প্রাথমিকভাবে জানা গেছে এর আগে তাঁরা ক্যাম্প থেকে পালিয়ে চট্টগ্রামে আসেন। সেখান থেকে কাজের খোঁজে মৌলভীবাজারে এসেছেন।
মৌলভীবাজারের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) মো. জিয়াউর রহমান জানান, আজ সন্ধ্যায় কোদালীপুল-ঢাকা বাসস্ট্যান্ড এলাকা থেকে তাঁদের আটক করা হয়। আটককৃতদের মৌলভীবাজার মডেল থানায় নিয়ে আসা হয়েছে।

চাঁদপুরের আট উপজেলায় ৯২টি ইউনিয়ন স্বাস্থ্য ও উপস্বাস্থ্যকেন্দ্রে কাগজে-কলমে চিকিৎসক রয়েছেন। অথচ সেসব চিকিৎসক সদর হাসপাতাল, উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সসহ বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানে সংযুক্তিতে দায়িত্ব পালন করছেন। ফলে প্রত্যন্ত অঞ্চলের মানুষকে সামান্য সেবা পেতেও ছুটতে হচ্ছে উপজেলা কিংবা জেলা সদরে।
৪ ঘণ্টা আগে
বাগেরহাটের চিতলমারীতে অবৈধ ড্রেজার ও রুট পারমিটবিহীন বাল্কহেড দিয়ে ভূগর্ভ থেকে বালু উত্তোলন ও পরিবহনের মহোৎসব চলছে। প্রশাসনের জরিমানার পরেও উপজেলার ১০ থেকে ১২ জন চিহ্নিত ড্রেজার ও বাল্কহেডের মালিক ভূগর্ভ থেকে প্রতিদিন হাজার হাজার ঘনফুট বালু উত্তোলন ও পরিবহন করছেন।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার সুন্দরগঞ্জে তিস্তার ভয়াল গ্রাসে প্রতিনিয়ত ঘরবাড়ি হারাচ্ছেন নদীপাড়ের মানুষেরা। গত ৭২ ঘণ্টায় তিস্তা নদীর আকস্মিক ভাঙনে বিলীন হয়ে গেছে ৮৩টি পরিবারের বসতভিটা। এর মধ্যে ১২টি পরিবারের অন্তত সাতটি টিনের ঘর পুরোপুরি নদীতে তলিয়ে গেছে এবং কয়েকটি ঘরের আংশিক নদীতে চলে গেছে।
৫ ঘণ্টা আগে
জীবিকার তাগিদে বঙ্গোপসাগরে মাছ ধরতে গিয়ে ৩৩ বছরে নিখোঁজ বরগুনার পাথরঘাটার ১৯২ জেলে। ঝড়, জলোচ্ছ্বাস, উত্তাল ঢেউ ও বৈরী আবহাওয়ার কবলে ট্রলারডুবির পাশাপাশি গভীর সমুদ্রে যোগাযোগব্যবস্থার সীমাবদ্ধতাও বাড়াচ্ছে এ ঝুঁকি। অনেকের পরিবার এখনো স্বজনের অপেক্ষায়।
৫ ঘণ্টা আগে