
মৌলভীবাজারে দ্রব্যমূল্যের ঊর্ধ্বগতির বাজারে সব ধরনের মুরগির দামই বাড়তি যাচ্ছে। যে কারণে আমিষের চাহিদা পূরণে নিম্ন আয়ের মানুষের ব্রয়লার মুরগিই ভরসা। কিন্তু ব্রয়লারও যাঁরা কিনতে পারছেন না, তাঁরাই দোকানে গিয়ে খুঁজছেন মুরগির গিলা, কলিজা, পা ও মাথা। বর্তমান বাজারে প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগির দাম ১৮০ থেকে ২০০ টাকা। অন্যদিকে মুরগির পা ও মাথা একসঙ্গে করে বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে।
নিম্ন আয়ের মানুষেরা জানান, প্রায় সব ধরনের দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। আয়ের তুলনায় ব্যয় বেড়ে গেছে। বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম ১৮০-২০০ টাকা কেজি। মুরগি কেনা সম্ভব হয় না। এ জন্য বাজার থেকে ১০০ থেকে ১২০ টাকা কেজি দরে মুরগির পা ও মাথা কিনছেন তাঁরা।
গতকাল বৃহস্পতিবার সরেজমিন জেলার বিভিন্ন বাজার ঘুরে দেখা যায়, প্রতি কেজি ব্রয়লার মুরগি বিক্রি হচ্ছে ১৮০ থেকে ২০০ টাকায়। সোনালি কক বিক্রি হচ্ছে ২৮০ থেকে ৩০০ টাকায়, লাল মুরগি প্রতিটি ৭০০-৭৫০ টাকা করে বিক্রি হচ্ছে। মুরগি কিনতে না পারায় বাজারে নিম্ন আয়ের মানুষেরা এসেছেন ব্রয়লার মুরগির পা ও মাথা কিনতে। পা ও মাথা বিক্রি হচ্ছে ১০০ থেকে ১৩০ টাকা কেজি দরে।
মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার মুরগি বিক্রেতা সাচ্চু মিয়া বলেন, ‘বাজারে ব্রয়লার মুরগির দাম বেড়েছে। অনেক ক্রেতা আছেন, যাঁরা মুরগি কিনে পরিষ্কার করে নেয় কিন্তু পা ও মাথা নেন না। এসব পা ও মাথা আমরা জমিয়ে কেজি দরে বিক্রি করি। ১০০-১৩০ টাকা পর্যন্ত বিক্রি হয়।’
শহরের মুরগি বিক্রেতা জহির মিয়া বলেন, ‘অনেক মানুষ আসেন মুরগির গিলা, কলিজা, পা ও মাথা কেনার জন্য। আমরাও বিক্রি করি। মাঝেমধ্যে মুরগির চামড়া কেনার জন্যও অনেকে আসেন। যারা আসেন সবাই নিম্ন আয়ের মানুষ।’
জহুরা বেগম নামে এক নারী ক্রেতা বলেন, ‘আমি বাজারে এসেছি ব্রয়লার মুরগি কিনতে। এসে দেখি প্রতি কেজি মুরগি ১৮০ টাকায় বিক্রি হচ্ছে। পরে ১২০ টাকা কেজি দরে মুরগির পা ও মাথা কিনে নিয়েছি। আমি মানুষের বাড়িতে কাজ করি। একটা মুরগি কেনার সাহস নেই আমাদের।’
শমশেরনগর বাজার থেকে মুরগির মাথা ও পা কিনে নিয়ে যাচ্ছেন রফিক মিয়া। তিনি বলেন, ‘গত এক মাসে একটা মুরগি কিনতে পারিনি। ঠেলাগাড়ি চালিয়ে জীবন চলে। মাঝেমধ্যে মুরগির পা ও মাথা কিনে আনি বাচ্চাদের জন্য। তা-ও আবার ১২০ টাকা কেজি করে।’
জাতীয় ভোক্তা-অধিকার সংরক্ষণ অধিদপ্তরের মৌলভীবাজার জেলা কার্যালয়ের সহকারী পরিচালক মো. আল-আমিন বলেন, ‘সিন্ডিকেটের কারণে বাজারে মুরগির দাম বৃদ্ধি পেয়েছে। নিয়মিত বাজার তদারকি করছি। সিন্ডিকেট ভাঙার চেষ্টা করছি। যারা অন্যায় ভাবে দ্রব্যমূল্যের দাম বৃদ্ধি করছে তাদের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।’

গাইবান্ধায় এবার নদীভাঙনে বিলীন হয়েছে ৮টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়। এসব বিদ্যালয়ে পাঠদান চলছে ছাপরাঘরে কিংবা খোলা আকাশের নিচে। ফলে অনেক শিক্ষার্থী বিদ্যালয়ে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে। এতে শিক্ষার্থী ঝরে পড়ার আশঙ্কাও তৈরি হয়েছে। এই পরিস্থিতিতে আরও কিছু বিদ্যালয় ঝুঁকিতে রয়েছে।
৩ ঘণ্টা আগে
বগুড়া জেলা পুলিশের বিভিন্ন বিল-ভাউচারে জালিয়াতির নতুন তথ্য সামনে এসেছে। এই জালিয়াতির ঘটনায় গঠন করা তদন্ত কমিটি সূত্রে জানা গেছে, ভুয়া টিএ বিল তৈরি করে সরকারি অর্থ আত্মসাতের পরিমাণ ইতিমধ্যে তিন কোটি টাকা ছাড়িয়েছে। এ ঘটনায় বগুড়া জেলা পুলিশের সাবেক ও বর্তমান কর্মরত প্রায় ৩০ সদস্যের নাম তদন্তে এসেছে।
৩ ঘণ্টা আগে
কুড়িগ্রামের চিলমারীতে ব্রহ্মপুত্র নদের ডান তীর রক্ষা বাঁধের চারটি পৃথক স্থানে প্রায় ২০০ মিটার অংশে ধস দেখা দিয়েছে। গত বৃহস্পতিবার রাতে উপজেলার কাঁচকোল বাজার ও পুঁটিমারি এলাকার মাঝামাঝি স্থানে বাঁধে নতুন করে ৩৫ মিটার ধস সৃষ্টি হয়।
৪ ঘণ্টা আগে
বিদ্যালয়ের মাঠের উত্তর দিকে একতলা ভবন। পূর্ব পাশে আরেকটি দোতলা ভবন। মাত্র ৫২ শতক জমির ওপর দুটি ভবন নির্মাণের কারণে বিদ্যালয়ের খেলার মাঠটি ছোট হয়ে গেছে। গত সোমবার কিশোরগঞ্জের হোসেনপুর উপজেলার আড়াইবাড়িয়া ইউনিয়নের কাওনা সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ে এই চিত্র দেখা যায়।
৪ ঘণ্টা আগে