মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ
মাহিদুল ইসলাম, কমলগঞ্জ, মৌলভীবাজার

আসাম ও চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে ১৮৯৮ সালে কুলাউড়া ও আখাউড়া হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেললাইন স্থাপন করা হয়। ১২৭ বছর আগের এই রেলপথ এখন জরাজীর্ণ। সিলেট-আখাউড়া রেলপথের শ্রীমঙ্গল-কুলাউড়া অংশে দেশ-বিদেশের অনেক পর্যটকের সমাগম হয়। যাতায়াত ব্যবস্থায় তাদের পছন্দের তালিকায় প্রথমেই থাকে রেল। তবে সংস্কারের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে এই রেলপথ।
কুলাউড়া থেকে শ্রীমঙ্গল পর্যন্ত ৮-১০টি সেতু ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া রেললাইন থেকে নাট, বল্টু ও ক্লিপ চুরি পছন্দের এ পথ দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে। মাঝেমধ্যে এসব লাইন মেরামত করা হলেও নতুন রেললাইন বা বড় ধরনের মেরামতের উদ্যোগ নিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে এই অঞ্চলে আগত পর্যটকদের বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
রেলযাত্রীদের অভিযোগ, সিলেট থেকে শায়েস্তাগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এই পথে যখন রেল চলাচল করে, তখন অনেক জায়গায় ধীরগতিতে চলতে হয়; আবার কোথাও দাঁড়িয়ে থাকে। লাউয়াছড়া বনে প্রায় সময় ট্রেন থেমে থাকে। এ ছাড়া রেললাইনে নাট, বল্টু ও ক্লিপ না থাকায় রেললাইন বেঁকে যেতে পারে। রেলপথের ত্রুটির কারণে অনেক সময় নিরাপদ যাত্রা বিলম্বিত হয়ে পড়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সিলেট-আখাউড়া রেলপথের মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থেকে কুলাউড়া পর্যন্ত ৮ থেকে ১০টি ঝুঁকিপূর্ণ সেতু রয়েছে। এ জেলায় পর্যটকেরা বিশেষ করে কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, হাম হাম জলপ্রপাত, শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, বড়লেখার মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে আগত পর্যটকেরা রেলপথে বেশি আসা-যাওয়া করেন। রেললাইন তৈরি হওয়ার পর থেকে নতুন করে এগুলোর বড় ধরনের সংস্কার করা হয়নি। ফলে এগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। এ ছাড়া রেললাইনের শ্রীমঙ্গল, ভানুগাছ, শমশেরনগর, মনু, টিলাগাঁও, লংলা, বরমচাল ও কুলাউড়া স্টেশনের মাঝে অনেক স্থানে ক্লিপ-হুক ও নাট-বল্টু নেই। অনেক যন্ত্রাংশ চুরি হওয়ার পরও লাগানো হচ্ছে না। নাট-বল্টু ও ক্লিপ না থাকায় তীব্র গরমে লাইন বাঁকা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ২০১৮ সালে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় সেতু ভেঙে ট্রেন দুর্ঘটনায় পড়ে। গত বছর লাউয়াছড়ায় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে কয়েকটি বগি উল্টে যায়। রেলপথ ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় লাউয়াছড়া উদ্যানের পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত ট্রেন আটকা পড়ে।
চট্টগ্রাম থেকে মৌলভীবাজারে ঘুরতে আশা পর্যটক রিয়াদ আহমেদ বলেন, ‘আমরা বন্ধুরা মিলে ট্রেনে ঘুরতে আসি। লাউয়াছড়া বনের ভেতর হঠাৎ ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। পরে ধীরগতিতে এগিয়ে যায় ট্রেন। এই পথে ট্রেন চলাচলের সময় একটা ভয় কাজ করে। পুরোনো রেলপথ নতুন করে সংস্কার করলে এই অঞ্চলের পর্যটনশিল্প আরও এগিয়ে যেত।’
ট্রেনের নিয়মিত যাত্রী কুলাউড়া উপজেলার জুনেদ আহমদ, কমলগঞ্জ উপজেলা নজমুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়িক কাজে প্রতি মাসে ৫-৬ বার ঢাকায় যাতায়াত করি। সিলেট থেকে শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশন পর্যন্ত রেলপথ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সব সময় এই এলাকায় ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল করে। এর পরেও অনেক জায়গায় রেললাইনের ত্রুটির কারণে ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকে। সংশ্লিষ্টদের সঠিক তদারকির অভাবে রেলপথের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে। পুরোনো এই লাইন মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় না। এই লাইনে বেশ কিছু রেলস্টেশন পরিত্যক্ত রয়েছে। এগুলো পুনরায় চালু করলে মানুষের উপকার হতো।’
রেলওয়ের কুলাউড়া জংশনে দায়িত্বে থাকা ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমরা যতটুকু সম্ভব রেললাইন নিরাপদ রাখার চেষ্টা করি। মাঝেমধ্যে নাট-বল্টু, ক্লিপ চুরি হয়। এগুলো সঙ্গে সঙ্গে আবার লাগানো হয়। কিছু জায়গায় সুতা দিয়ে বাঁধা হয় ট্রেন চলাচলের সময় যেন এগুলো উড়ে না যায়।’
শ্রীমঙ্গল রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল্লাহ বলেন, ‘আমরা সেতুগুলো মেরামতের করছি। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি সেতুতে কাজ হবে। রেলের এই সমস্যাগুলো দীর্ঘদিনের। আমাদের পক্ষ থেকে সব সময় লাইনে কাজ করা হয়, যাতে কোনো সমস্যা না হয়। রেলপথে হুক, ক্লিপসহ লাইন মেরামত নিয়মিত করে থাকি।’

আসাম ও চট্টগ্রামের মধ্যে সরাসরি যোগাযোগ স্থাপনে ১৮৯৮ সালে কুলাউড়া ও আখাউড়া হয়ে চট্টগ্রাম পর্যন্ত রেললাইন স্থাপন করা হয়। ১২৭ বছর আগের এই রেলপথ এখন জরাজীর্ণ। সিলেট-আখাউড়া রেলপথের শ্রীমঙ্গল-কুলাউড়া অংশে দেশ-বিদেশের অনেক পর্যটকের সমাগম হয়। যাতায়াত ব্যবস্থায় তাদের পছন্দের তালিকায় প্রথমেই থাকে রেল। তবে সংস্কারের অভাবে ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে এই রেলপথ।
কুলাউড়া থেকে শ্রীমঙ্গল পর্যন্ত ৮-১০টি সেতু ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। এ ছাড়া রেললাইন থেকে নাট, বল্টু ও ক্লিপ চুরি পছন্দের এ পথ দিন দিন ঝুঁকিপূর্ণ করে তুলছে। মাঝেমধ্যে এসব লাইন মেরামত করা হলেও নতুন রেললাইন বা বড় ধরনের মেরামতের উদ্যোগ নিচ্ছে না সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফলে এই অঞ্চলে আগত পর্যটকদের বেশ ভোগান্তিতে পড়তে হয়।
রেলযাত্রীদের অভিযোগ, সিলেট থেকে শায়েস্তাগঞ্জ পর্যন্ত রেললাইন খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। এই পথে যখন রেল চলাচল করে, তখন অনেক জায়গায় ধীরগতিতে চলতে হয়; আবার কোথাও দাঁড়িয়ে থাকে। লাউয়াছড়া বনে প্রায় সময় ট্রেন থেমে থাকে। এ ছাড়া রেললাইনে নাট, বল্টু ও ক্লিপ না থাকায় রেললাইন বেঁকে যেতে পারে। রেলপথের ত্রুটির কারণে অনেক সময় নিরাপদ যাত্রা বিলম্বিত হয়ে পড়ে।
সরেজমিনে দেখা যায়, সিলেট-আখাউড়া রেলপথের মৌলভীবাজার জেলার শ্রীমঙ্গল থেকে কুলাউড়া পর্যন্ত ৮ থেকে ১০টি ঝুঁকিপূর্ণ সেতু রয়েছে। এ জেলায় পর্যটকেরা বিশেষ করে কমলগঞ্জের লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান, মাধবপুর লেক, হাম হাম জলপ্রপাত, শ্রীমঙ্গলের চা-বাগান, চা গবেষণা ইনস্টিটিউট, বড়লেখার মাধবকুণ্ড জলপ্রপাতসহ বিভিন্ন পর্যটন কেন্দ্রে আগত পর্যটকেরা রেলপথে বেশি আসা-যাওয়া করেন। রেললাইন তৈরি হওয়ার পর থেকে নতুন করে এগুলোর বড় ধরনের সংস্কার করা হয়নি। ফলে এগুলো ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে উঠছে। এ ছাড়া রেললাইনের শ্রীমঙ্গল, ভানুগাছ, শমশেরনগর, মনু, টিলাগাঁও, লংলা, বরমচাল ও কুলাউড়া স্টেশনের মাঝে অনেক স্থানে ক্লিপ-হুক ও নাট-বল্টু নেই। অনেক যন্ত্রাংশ চুরি হওয়ার পরও লাগানো হচ্ছে না। নাট-বল্টু ও ক্লিপ না থাকায় তীব্র গরমে লাইন বাঁকা হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে। ২০১৮ সালে মৌলভীবাজারের কুলাউড়ায় সেতু ভেঙে ট্রেন দুর্ঘটনায় পড়ে। গত বছর লাউয়াছড়ায় গাছের সঙ্গে ধাক্কা লেগে কয়েকটি বগি উল্টে যায়। রেলপথ ত্রুটিপূর্ণ হওয়ায় লাউয়াছড়া উদ্যানের পাহাড়ি এলাকায় নিয়মিত ট্রেন আটকা পড়ে।
চট্টগ্রাম থেকে মৌলভীবাজারে ঘুরতে আশা পর্যটক রিয়াদ আহমেদ বলেন, ‘আমরা বন্ধুরা মিলে ট্রেনে ঘুরতে আসি। লাউয়াছড়া বনের ভেতর হঠাৎ ট্রেন বন্ধ হয়ে যায়। পরে ধীরগতিতে এগিয়ে যায় ট্রেন। এই পথে ট্রেন চলাচলের সময় একটা ভয় কাজ করে। পুরোনো রেলপথ নতুন করে সংস্কার করলে এই অঞ্চলের পর্যটনশিল্প আরও এগিয়ে যেত।’
ট্রেনের নিয়মিত যাত্রী কুলাউড়া উপজেলার জুনেদ আহমদ, কমলগঞ্জ উপজেলা নজমুল ইসলাম বলেন, ‘আমরা ব্যবসায়িক কাজে প্রতি মাসে ৫-৬ বার ঢাকায় যাতায়াত করি। সিলেট থেকে শায়েস্তাগঞ্জ স্টেশন পর্যন্ত রেলপথ খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। সব সময় এই এলাকায় ধীরগতিতে ট্রেন চলাচল করে। এর পরেও অনেক জায়গায় রেললাইনের ত্রুটির কারণে ট্রেন দাঁড়িয়ে থাকে। সংশ্লিষ্টদের সঠিক তদারকির অভাবে রেলপথের বিভিন্ন যন্ত্রাংশ চুরি হচ্ছে। পুরোনো এই লাইন মেরামতের কোনো উদ্যোগ নেওয়া হয় না। এই লাইনে বেশ কিছু রেলস্টেশন পরিত্যক্ত রয়েছে। এগুলো পুনরায় চালু করলে মানুষের উপকার হতো।’
রেলওয়ের কুলাউড়া জংশনে দায়িত্বে থাকা ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মো. মোজাম্মেল হক বলেন, ‘আমরা যতটুকু সম্ভব রেললাইন নিরাপদ রাখার চেষ্টা করি। মাঝেমধ্যে নাট-বল্টু, ক্লিপ চুরি হয়। এগুলো সঙ্গে সঙ্গে আবার লাগানো হয়। কিছু জায়গায় সুতা দিয়ে বাঁধা হয় ট্রেন চলাচলের সময় যেন এগুলো উড়ে না যায়।’
শ্রীমঙ্গল রেলওয়ের ঊর্ধ্বতন উপসহকারী প্রকৌশলী মো. সাইফুল্লাহ বলেন, ‘আমরা সেতুগুলো মেরামতের করছি। পর্যায়ক্রমে প্রতিটি সেতুতে কাজ হবে। রেলের এই সমস্যাগুলো দীর্ঘদিনের। আমাদের পক্ষ থেকে সব সময় লাইনে কাজ করা হয়, যাতে কোনো সমস্যা না হয়। রেলপথে হুক, ক্লিপসহ লাইন মেরামত নিয়মিত করে থাকি।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৪২ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
১ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে