জনবল-সরঞ্জাম সংকট
রাকিবুল ইসলাম, গাংনী (মেহেরপুর)

প্রায় ৩১ বছর আগে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নে স্থাপন করা হয় গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উপকেন্দ্র পশু হাসপাতাল। এর ঠিক তিন থেকে চার বছর পরই বন্ধ হয়ে যায় উপকেন্দ্রটি। এরপর থেকে তিন দশক ধরে এভাবেই পড়ে রয়েছে হাসপাতালটি। এর মধ্যে দেখা মেলেনি কোনো প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তার। উপায় না পেয়ে পশুর চিকিৎসা দেওয়ার জন্য যেতে হয় উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে। এতে একদিকে যেমন বেড়ে যায় ব্যয়, তেমনি বাড়ে কষ্ট।
স্থানীয় খামারিদের দাবি, দ্রুত এই পশু হাসপাতালটি চালু করা হোক, কর্তৃপক্ষের কাছে এটিই চাওয়া। এদিকে গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে বলা হয়েছে, শিগগিরই এর কাগজপত্র প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিন দশক এই পশু হাসপাতালটি অবহেলা আর অযত্নে পড়ে রয়েছে। গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ অসুস্থ হলে গ্রামের পশুচিকিৎসক দিয়েই চিকিৎসা করাতে হয়। এতে বেড়ে যায় বাড়তি খরচ। যদি পশু হাসপাতালটি দ্রুত চালু করা হয় তাহলে স্থানীয় পশু পালনকারীদের উপকার হবে। আর প্রকৃত সেবাটাও পাওয়া যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবু সাঈদ বিশ্বাস বলেন, ‘এত দিন ধরে পড়ে থাকার কারণে পশু হাসপাতালটি একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে। শুধু দাঁড়িয়ে আছে ঘরটি। হারিয়ে গেছে পশু চিকিৎসার সরঞ্জাম ও দরজা-জানালা। মানুষ এখন খড়ির ঘর হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে দ্রুত এ ঘরটি সংস্কার করে নতুনভাবে চালু করা হোক, এটিই আমাদের প্রত্যাশা।’
মো. নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, বর্তমানে পশু হাসপাতালটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পশু পালনকারীদের বাইরে চিকিৎসা দিতে গিয়ে বাড়তি ব্যয় হয়। যদি সরকারি পশু হাসপাতালটি চালু থাকত, তাহলে অনেক খরচ কমে যেত। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস কোনো খোঁজখবর রাখে না বলেই হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। হাসপাতালটি দ্রত চালু করার দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘পশু হাসপাতালটি বন্ধ থাকার কারণে আমরা দীর্ঘদিন ধরে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উপকেন্দ্রটি নিয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। তা ছাড়া কী কারণে বন্ধ রয়েছে, তাও আমরা জানি না। প্রায় ৩১ বছর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। চিকিৎসা সরঞ্জাম তো দূরের কথা, জানালা-দরজাও নেই। ঘরটিতে এখন খড়ি রাখা হয়। তাই এটি দ্রুত চালু করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’
বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘হাসপাতালটি দীর্ঘদিন পড়ে থাকার কারণে একেবারে পরিত্যক্ত হয়ে গেছে। তাই আমাদের জোর দাবি, এই পশু হাসপাতালটি চালু করা হোক। খামারিদের পশু অসুস্থ হলে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য উপজেলায় যেতে হয়। এটা অত্যন্ত কষ্টকর। তাই এই পশু হাসপাতালটি আবার চালু করা হলে সেই কষ্ট আর থাকবে না।’
গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সাবেক উপসহকারী কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী বলেন, ‘পশু হাসপাতালটি হওয়ার পর আমি তিন থেকে চার বছর সেখানে কর্মরত ছিলাম। প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে তেমন কোনো সহযোগিতা পাচ্ছিলাম না। আর পিয়ন ও নাইটগার্ড কোনো কিছুই ছিল না। আশপাশে কোনো বাড়িও ছিল না সে সময়। তাই অফিস আবার আমাকে উপজেলায় টেনে নেয়। পরে সেখানকার কোনো সরঞ্জাম পায়নি। শুধু একটি ভাঙা যন্ত্র আমার কাছে আছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছি নিয়ে যাওয়ার জন্য।’
ইউসুফ আলী আরও বলেন, ‘আমিসহ আরও কিছু লোক টাকাপয়সা তুলে এই জমি ক্রয় করেছিলাম। পরে উপজেলা পরিষদের টাকা দিয়ে ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল। আমিও চাই পশু হাসপাতালটি আবার চালু করা হোক।’
গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মোত্তালেব আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপকেন্দ্র পশু হাসপাতালটি ১৯৯০ অথবা ১৯৯১ সালের দিকে নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘ ৩১ বছর পড়ে থাকায় নানা সমস্যায় জর্জরিত উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিসের উপকেন্দ্রটি। এটি বামন্দী ইউনিয়নে অবস্থিত। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পশু হাসপাতালটি নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।’
মোত্তালেব আলী আরও বলেন, ‘বিষয়টি জানার পরই আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। সেখানে তিনটি রুমবিশিষ্ট ঘর ছাড়া কিছু নেই। কোনো জানালা, দরজা বা চিকিৎসার সরঞ্জাম দেখতে পাইনি। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। বিভিন্ন দপ্তরে যেতে হচ্ছে।’

প্রায় ৩১ বছর আগে মেহেরপুরের গাংনী উপজেলার বামন্দী ইউনিয়নে স্থাপন করা হয় গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উপকেন্দ্র পশু হাসপাতাল। এর ঠিক তিন থেকে চার বছর পরই বন্ধ হয়ে যায় উপকেন্দ্রটি। এরপর থেকে তিন দশক ধরে এভাবেই পড়ে রয়েছে হাসপাতালটি। এর মধ্যে দেখা মেলেনি কোনো প্রাণিসম্পদ অফিসের কর্মকর্তার। উপায় না পেয়ে পশুর চিকিৎসা দেওয়ার জন্য যেতে হয় উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসে। এতে একদিকে যেমন বেড়ে যায় ব্যয়, তেমনি বাড়ে কষ্ট।
স্থানীয় খামারিদের দাবি, দ্রুত এই পশু হাসপাতালটি চালু করা হোক, কর্তৃপক্ষের কাছে এটিই চাওয়া। এদিকে গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে বলা হয়েছে, শিগগিরই এর কাগজপত্র প্রস্তুত করে ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।
স্থানীয়রা জানান, প্রায় তিন দশক এই পশু হাসপাতালটি অবহেলা আর অযত্নে পড়ে রয়েছে। গরু, ছাগল, ভেড়া, মহিষ অসুস্থ হলে গ্রামের পশুচিকিৎসক দিয়েই চিকিৎসা করাতে হয়। এতে বেড়ে যায় বাড়তি খরচ। যদি পশু হাসপাতালটি দ্রুত চালু করা হয় তাহলে স্থানীয় পশু পালনকারীদের উপকার হবে। আর প্রকৃত সেবাটাও পাওয়া যাবে।
স্থানীয় বাসিন্দা আবু সাঈদ বিশ্বাস বলেন, ‘এত দিন ধরে পড়ে থাকার কারণে পশু হাসপাতালটি একেবারেই নষ্ট হয়ে গেছে। শুধু দাঁড়িয়ে আছে ঘরটি। হারিয়ে গেছে পশু চিকিৎসার সরঞ্জাম ও দরজা-জানালা। মানুষ এখন খড়ির ঘর হিসেবে ব্যবহার করছে। তবে দ্রুত এ ঘরটি সংস্কার করে নতুনভাবে চালু করা হোক, এটিই আমাদের প্রত্যাশা।’
মো. নজরুল ইসলাম নামের এক ব্যক্তি বলেন, বর্তমানে পশু হাসপাতালটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পশু পালনকারীদের বাইরে চিকিৎসা দিতে গিয়ে বাড়তি ব্যয় হয়। যদি সরকারি পশু হাসপাতালটি চালু থাকত, তাহলে অনেক খরচ কমে যেত। উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিস কোনো খোঁজখবর রাখে না বলেই হাসপাতালটি দীর্ঘদিন ধরে বন্ধ রয়েছে। হাসপাতালটি দ্রত চালু করার দাবি জানান তিনি।
স্থানীয় মো. আব্দুর রাজ্জাক বলেন, ‘পশু হাসপাতালটি বন্ধ থাকার কারণে আমরা দীর্ঘদিন ধরে সেবা থেকে বঞ্চিত হচ্ছি। দীর্ঘদিন ধরে উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের উপকেন্দ্রটি নিয়ে কর্তৃপক্ষ কোনো উদ্যোগ গ্রহণ করেনি। তা ছাড়া কী কারণে বন্ধ রয়েছে, তাও আমরা জানি না। প্রায় ৩১ বছর পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। চিকিৎসা সরঞ্জাম তো দূরের কথা, জানালা-দরজাও নেই। ঘরটিতে এখন খড়ি রাখা হয়। তাই এটি দ্রুত চালু করার জোর দাবি জানাচ্ছি।’
বামন্দী ইউনিয়ন পরিষদের (ইউপি) সাবেক চেয়ারম্যান মো. আব্দুল আউয়াল বলেন, ‘হাসপাতালটি দীর্ঘদিন পড়ে থাকার কারণে একেবারে পরিত্যক্ত হয়ে গেছে। তাই আমাদের জোর দাবি, এই পশু হাসপাতালটি চালু করা হোক। খামারিদের পশু অসুস্থ হলে চিকিৎসা নেওয়ার জন্য উপজেলায় যেতে হয়। এটা অত্যন্ত কষ্টকর। তাই এই পশু হাসপাতালটি আবার চালু করা হলে সেই কষ্ট আর থাকবে না।’
গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ অফিসের সাবেক উপসহকারী কর্মকর্তা মো. ইউসুফ আলী বলেন, ‘পশু হাসপাতালটি হওয়ার পর আমি তিন থেকে চার বছর সেখানে কর্মরত ছিলাম। প্রাণিসম্পদ অফিস থেকে তেমন কোনো সহযোগিতা পাচ্ছিলাম না। আর পিয়ন ও নাইটগার্ড কোনো কিছুই ছিল না। আশপাশে কোনো বাড়িও ছিল না সে সময়। তাই অফিস আবার আমাকে উপজেলায় টেনে নেয়। পরে সেখানকার কোনো সরঞ্জাম পায়নি। শুধু একটি ভাঙা যন্ত্র আমার কাছে আছে। বিষয়টি কর্তৃপক্ষকেও জানিয়েছি নিয়ে যাওয়ার জন্য।’
ইউসুফ আলী আরও বলেন, ‘আমিসহ আরও কিছু লোক টাকাপয়সা তুলে এই জমি ক্রয় করেছিলাম। পরে উপজেলা পরিষদের টাকা দিয়ে ঘর নির্মাণ করা হয়েছিল। আমিও চাই পশু হাসপাতালটি আবার চালু করা হোক।’
গাংনী উপজেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা মো. মোত্তালেব আলী আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘উপকেন্দ্র পশু হাসপাতালটি ১৯৯০ অথবা ১৯৯১ সালের দিকে নির্মাণ করা হয়। দীর্ঘ ৩১ বছর পড়ে থাকায় নানা সমস্যায় জর্জরিত উপজেলার প্রাণিসম্পদ অফিসের উপকেন্দ্রটি। এটি বামন্দী ইউনিয়নে অবস্থিত। দীর্ঘদিন ব্যবহার না হওয়ায় এটি পরিত্যক্ত অবস্থায় পড়ে রয়েছে। পশু হাসপাতালটি নিয়ে ইতিমধ্যে আমরা কাজ শুরু করে দিয়েছি। প্রয়োজনীয় কাগজপত্র প্রস্তুত করে দ্রুত ঊর্ধ্বতন কর্তৃপক্ষের কাছে পাঠানো হবে।’
মোত্তালেব আলী আরও বলেন, ‘বিষয়টি জানার পরই আমরা সরেজমিনে পরিদর্শন করেছি। সেখানে তিনটি রুমবিশিষ্ট ঘর ছাড়া কিছু নেই। কোনো জানালা, দরজা বা চিকিৎসার সরঞ্জাম দেখতে পাইনি। এটা নিয়ে আমরা কাজ করছি। বিভিন্ন দপ্তরে যেতে হচ্ছে।’

মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের উপদেষ্টা ফরিদা আখতার বলেছেন, শহীদ শরিফ ওসমান বিন হাদি শুধু ঝালকাঠির নন, তিনি পুরো বাংলাদেশের সম্পদ। হাদি হত্যার বিচার অবশ্যই হবে—এ বিষয়ে অন্তর্বর্তী সরকার দৃঢ়ভাবে অঙ্গীকারবদ্ধ। সোমবার (১৯ জানুয়ারি) বিকেলে ঝালকাঠি জেলা প্রশাসনের উদ্যোগে শিশুপার্ক...
১৬ মিনিট আগে
জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) রাজশাহী জেলা ও মহানগর কমিটির সব ধরনের কার্যক্রম স্থগিত করা হয়েছে। আজ সোমবার এনসিপির দপ্তর সেলের সদস্য সাদিয়া ফারজানা দিনার সই করা এক বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়েছে। সন্ধ্যায় এনসিপির অফিশিয়াল ফেসবুক পেজে বিজ্ঞপ্তিটি প্রকাশ করা হয়।
২৭ মিনিট আগে
শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ নির্বাচন (শাকসু) আগামীকাল মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) হওয়ার নিশ্চয়তা দিতে না পারলে কঠোর কর্মসূচি দেওয়া হবে বলে হুঁশিয়ারি দিয়েছেন শিক্ষার্থীরা। আজ সোমবার রাত ৯টার পর এই ঘোষণা না দিতে পারলে প্রশাসনকে পদত্যাগ করতে হবে বলে সাবধান করেন তারা।
২৯ মিনিট আগে
গ্রামীণ পর্যায়ে স্বাস্থ্য সুবিধা নিশ্চিত করতে কাজ করবে বিএনপি। মানুষ যাতে ঘরে বসে মৌলিক চিকিৎসাসেবা নিতে পারে, সে জন্য তৃণমূলে এক লাখ স্বাস্থ্যকর্মী নিয়োগ করা হবে।
৩৯ মিনিট আগে