
মেহেরপুরে পতাকা বৈঠকের মাধ্যমে ১৭ বাংলাদেশিকে বিজিবির হাতে হস্তান্তর করেছে ভারতীয় সীমান্তরক্ষী বাহিনী (বিএসএফ)। আজ শুক্রবার (১ আগস্ট) বেলা সাড়ে ১১টার দিকে মুজিবনগর সীমান্তের ১০৫ নম্বর পিলারের কাছে এ পতাকা বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। এ সময় বিভিন্ন সময়ে ভারতে অবৈধভাবে পাড়ি দেওয়া ১৭ বাংলাদেশিকে ফেরত পাঠানো হয়। বৈঠকে বিজিবির পক্ষ থেকে নেতৃত্ব দেন মুজিবনগর কোম্পানি কমান্ডার তাপস কুমার ঘোষ এবং বিএসএফের পক্ষে নেতৃত্ব দেন হৃদয়পুর কোম্পানি কমান্ডার ধর্মেন্দ্র কুমার পান্ডে।
১৭ বাংলাদেশির মধ্যে চার শিশুসহ পাঁচজন নারী ও আটজন পুরুষ সদস্য রয়েছেন। এঁদের মধ্যে তিনজন বাগেরহাট, একজন কুড়িগ্রাম, একজন যশোর জেলার এবং বাকি ১২ জন খুলনা জেলার বলে জানা গেছে। এঁরা কাজের সন্ধানে ২০ থেকে ২৫ বছর আগে ভারতে গিয়েছিলেন। বাংলা ভাষা ভুলেছেন কেউ কেউ। আবার অনেকের জন্ম ভারতে।
এঁরা হলেন বাগেরহাট জেলার মো. নাসির (৫৬), মো. মঞ্জু (৪৫) ও মোহাম্মদ ইয়াসিন (২৩)। খুলনা জেলার বুলবুল পাটোয়ারী (৩৫), আদনান (১০), রাজু খান (৩২), কোহিনুর (২৮), ইসরাফিল (৪), মারিয়া (২), ওমর (৩ মাস), রাজিয়া (৫০), আফরিন (৩০), রফিকুল (৪২), আনসার খান (৬২) ও রাজু আহমেদ (২৮)। যশোর জেলার ফাতেমা (৪২), কুড়িগ্রাম জেলার বিধান বর্মণ (১৯)। হস্তান্তরিত ব্যক্তিদের মুজিবনগর থানায় সোপর্দ করা হয়েছে বলে জানিয়েছে বিজিবি। এ বিষয়ে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে জানাচ্ছে পুলিশ প্রশাসন।

নীলফামারীর সৈয়দপুরে রেলওয়ের প্রায় ৫০ শতকের একটি জলাশয় ভরাট করে প্লট আকারে বিক্রির অভিযোগ উঠেছে। এরই মধ্যে মাটি ফেলে জলাশয়ের অর্ধেকের বেশি অংশ ভরাট করা হয়েছে। স্থানীয়দের অভিযোগ, মাহমুদ আলী নামের এক ব্যক্তি মাছ চাষের জন্য ইজারা নিয়ে ওই জমি প্লট আকারে বিক্রি করছেন।
৫ মিনিট আগে
ওমানে গাড়ির ভেতরে মারা যাওয়া চার সন্তানের করুণ পরিণতি সম্পর্কে এখনো জানেন না তাঁদের মা খাদিজা বেগম। বয়সের ভার ও রোগে এমনিতেই বেশ কাবু তিনি। স্বামীহীন সংসারের ঘানি টানতে টানতে ক্লান্তও। মারা যাওয়া চার ছেলেসহ পাঁচ ছেলেকে ছোট রেখেই মারা যান তাঁদের বাবা জামাল উদ্দিন।
১৫ মিনিট আগে
প্রায় ৫৩ হাজার একর সংরক্ষিত বনভূমি রয়েছে মৌলভীবাজার জেলায়। এই বনভূমি দেখভালের জন্য শত বছর ধরে স্থানীয় বাসিন্দারা থাকছে। আইনে রয়েছে, বনের ভেতরে পাকা স্থাপনা বা ঘর তৈরি করা যাবে না। তবে কয়েক বছর ধরে সেই আইন উপেক্ষা করে অবৈধভাবে পাকা ঘর তৈরি করছে অনেকে।
২৫ মিনিট আগে
নওগাঁ জেলা ধান-চাল উৎপাদনে বরাবরই সমৃদ্ধ। বর্তমানে এ জেলায় চলছে বোরো ধান কাটার মৌসুম। এরই মধ্যে বেশির ভাগই ধান ঘরে তুলেছেন কৃষক। হাট-বাজারে রয়েছে পর্যাপ্ত ধানের সরবরাহ। বোরোর এই ভরা মৌসুমে স্বাভাবিকভাবে চালের দাম নিম্নমুখী হওয়ার কথা থাকলেও নওগাঁর বাজারে বিপরীত চিত্র মিলেছে।
১ ঘণ্টা আগে