ঘিওর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

মানিকগঞ্জের ঘিওরে লায়লা আরজু (৬০) নামের এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের রাথুরা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
রাথুরা গ্রামের মোহাম্মদ সেকেন্দার আলীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী লায়লা আরজু। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির গৃহকর্মী সাইদা বেগম (৩৮) ও তাঁর স্বামী হালিমকে (৪৮) থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।
সরেজমিনে দেখা যায়, বানিয়াজুরী-ঘিওর সড়কের পাশে রাথুরা গ্রামের সেকেন্দার ভিলার তিনতলা ভবনের দোতলার একটি কক্ষের মেঝেতে লায়লা আরজুর গলাকাটা রক্তাক্ত লাশ পড়ে রয়েছে। ঘিওর থানার পুলিশ ও জেলা ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে।
ঘিওর থানার পুলিশ, স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার সকালের দিকে নিহতের স্বামী সেকেন্দার আলী স্থানীয় বানিয়াজুরী বাজারে যান। ঘণ্টাখানেক পর বাড়ি ফিরে দেখেন মেঝেতে তাঁর স্ত্রীর গলাকাটা লাশ পড়ে রয়েছে। খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও ডিবি পুলিশ আসে।
সেকেন্দার আলী জানান, ক্যানসার আক্রান্ত স্ত্রীকে বাসায় রেখে তিনি সকাল ৭টার দিকে কাঁচাবাজার করতে বাড়ি থেকে বের হন। সকাল ৮টার দিকে বাসায় এসে স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তিনি বলেন, ‘কে বা কারা বাসায় প্রবেশ করে তাঁর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছে।’
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল পৌনে ৮টার দিকে এক বা একাধিক দুর্বৃত্ত সেকেন্দার আলীর স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
শিবালয় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবরিনা সাদিয়া চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনস্থল পরিদর্শন করেছি, তদন্ত চলমান। ঢাকা থেকে ফরেনসিক টিম আসছে। প্রাথমিকভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

মানিকগঞ্জের ঘিওরে লায়লা আরজু (৬০) নামের এক গৃহবধূর গলাকাটা লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। আজ বুধবার দুপুরে উপজেলার বানিয়াজুরী ইউনিয়নের রাথুরা গ্রামের নিজ বাড়ি থেকে তাঁর লাশ উদ্ধার করা হয়।
রাথুরা গ্রামের মোহাম্মদ সেকেন্দার আলীর স্ত্রী দুই সন্তানের জননী লায়লা আরজু। তিনি দীর্ঘদিন যাবৎ ক্যানসারে আক্রান্ত ছিলেন। এ ঘটনায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য বাড়ির গৃহকর্মী সাইদা বেগম (৩৮) ও তাঁর স্বামী হালিমকে (৪৮) থানায় নিয়ে গেছে পুলিশ।
সরেজমিনে দেখা যায়, বানিয়াজুরী-ঘিওর সড়কের পাশে রাথুরা গ্রামের সেকেন্দার ভিলার তিনতলা ভবনের দোতলার একটি কক্ষের মেঝেতে লায়লা আরজুর গলাকাটা রক্তাক্ত লাশ পড়ে রয়েছে। ঘিওর থানার পুলিশ ও জেলা ডিবি পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করছে।
ঘিওর থানার পুলিশ, স্বজন ও স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, আজ বুধবার সকালের দিকে নিহতের স্বামী সেকেন্দার আলী স্থানীয় বানিয়াজুরী বাজারে যান। ঘণ্টাখানেক পর বাড়ি ফিরে দেখেন মেঝেতে তাঁর স্ত্রীর গলাকাটা লাশ পড়ে রয়েছে। খবর পেয়ে সকাল ১০টার দিকে ঘটনাস্থলে পুলিশ ও ডিবি পুলিশ আসে।
সেকেন্দার আলী জানান, ক্যানসার আক্রান্ত স্ত্রীকে বাসায় রেখে তিনি সকাল ৭টার দিকে কাঁচাবাজার করতে বাড়ি থেকে বের হন। সকাল ৮টার দিকে বাসায় এসে স্ত্রীর রক্তাক্ত দেহ মেঝেতে পড়ে থাকতে দেখেন। তিনি বলেন, ‘কে বা কারা বাসায় প্রবেশ করে তাঁর স্ত্রীকে গলা কেটে হত্যা করেছে।’
ঘিওর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মোহাম্মদ রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘সকাল পৌনে ৮টার দিকে এক বা একাধিক দুর্বৃত্ত সেকেন্দার আলীর স্ত্রীকে জবাই করে হত্যা করেছে। বিষয়টি তদন্ত করে দেখা হচ্ছে।’
শিবালয় সার্কেলের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার সাবরিনা সাদিয়া চৌধুরী বলেন, ‘ঘটনস্থল পরিদর্শন করেছি, তদন্ত চলমান। ঢাকা থেকে ফরেনসিক টিম আসছে। প্রাথমিকভাবে কিছু বলা যাচ্ছে না। এ বিষয়ে তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৮ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৮ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৮ ঘণ্টা আগে