প্রতিনিধি, সাটুরিয়া (মানিকগঞ্জ)

ঝড়-বৃষ্টি নাই তবুও শত বছরের পুরোনো আম গাছটি রাস্তায় ভেঙে পড়েছে। এতে কোন প্রাণহানির কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে রাস্তা, বিদ্যুৎ ও ডিশের লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সাটুরিয়া উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
আজ মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভেঙে পড়া আমগাছটি রাস্তা থেকে সরানোর জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজ করছেন একদল উদ্ধারকর্মী।
জুই আবাসিক ভবনের বাসিন্দা মিসেস ইকবাল বলেন, ঝড় নেই, বৃষ্টি নেই কিন্তু হঠাৎ করে আমার সামনেই মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে পড়ল গাছটি। এ সময় বিকট শব্দে ভয়ে আঁতকে উঠি। এ ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
মিসেস ইকবাল আরও বলেন, প্রতিদিন বিকেলে আমরা এই গাছের নিচ দিয়েই ঘোরাঘুরি করতাম। গতকাল ঘটনার কিছুক্ষণ আগেও আমি গাছটির নিচে ছিলাম। তখন পড়লে গাছের নিচে পড়ে আমিও মরে যেতাম।
স্থানীয় আরও কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বয়সের ভারেই আমগাছটি ভেঙে পড়েছে। একসময় এই উপজেলা চত্বর ছিল জমিদারদের বাগান বাড়ি। তখন এই গাছটি লাগান হয়েছিল। গাছটির বয়স ১০০ বছরের ওপরে হবে। দিনের বেলায় এই ঘটনাটি ঘটলে অনেক লোকের প্রাণহানি ঘটত।
এমন পুরোনো সকল গাছ কেটে নতুন করে আবার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জোর দাবি জানান তাঁরা।
সাটুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী এএফএম তৈয়াবুর রহমান বলেন, উপজেলা চত্বরের বেশির ভাগ গাছগুলোর বয়স ১০০ বছরের ওপরে হবে। ফলে গাছের ডালপালায় অনেক আগাছা জন্মে রোগাক্রান্ত হয়ে অনেক গাছ মরে যাচ্ছে। তাই প্রাণহানি ঘটার আগেই রোগাক্রান্ত গাছগুলো কেটে ফেলে পুনরায় গাছ লাগাতে হবে।
এ ব্যাপারে ইউএনও আশরাফুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুরোনো ও রোগাক্রান্ত গাছগুলো বাছাই করার জন্য একটি কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

ঝড়-বৃষ্টি নাই তবুও শত বছরের পুরোনো আম গাছটি রাস্তায় ভেঙে পড়েছে। এতে কোন প্রাণহানির কোনো ঘটনা ঘটেনি। তবে রাস্তা, বিদ্যুৎ ও ডিশের লাইন বিচ্ছিন্ন হয়ে পড়েছে। গতকাল সোমবার সন্ধ্যায় সাটুরিয়া উপজেলা পরিষদের আবাসিক এলাকায় ঘটনাটি ঘটে।
আজ মঙ্গলবার সকালে সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, ভেঙে পড়া আমগাছটি রাস্তা থেকে সরানোর জন্য উপজেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে কাজ করছেন একদল উদ্ধারকর্মী।
জুই আবাসিক ভবনের বাসিন্দা মিসেস ইকবাল বলেন, ঝড় নেই, বৃষ্টি নেই কিন্তু হঠাৎ করে আমার সামনেই মুহূর্তের মধ্যে ভেঙে পড়ল গাছটি। এ সময় বিকট শব্দে ভয়ে আঁতকে উঠি। এ ঘটনায় কোন হতাহতের ঘটনা ঘটেনি।
মিসেস ইকবাল আরও বলেন, প্রতিদিন বিকেলে আমরা এই গাছের নিচ দিয়েই ঘোরাঘুরি করতাম। গতকাল ঘটনার কিছুক্ষণ আগেও আমি গাছটির নিচে ছিলাম। তখন পড়লে গাছের নিচে পড়ে আমিও মরে যেতাম।
স্থানীয় আরও কয়েকজন বাসিন্দা বলেন, বয়সের ভারেই আমগাছটি ভেঙে পড়েছে। একসময় এই উপজেলা চত্বর ছিল জমিদারদের বাগান বাড়ি। তখন এই গাছটি লাগান হয়েছিল। গাছটির বয়স ১০০ বছরের ওপরে হবে। দিনের বেলায় এই ঘটনাটি ঘটলে অনেক লোকের প্রাণহানি ঘটত।
এমন পুরোনো সকল গাছ কেটে নতুন করে আবার বিভিন্ন প্রজাতির গাছ রোপণ করার জন্য সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের কাছে জোর দাবি জানান তাঁরা।
সাটুরিয়া উপজেলা প্রকৌশলী এএফএম তৈয়াবুর রহমান বলেন, উপজেলা চত্বরের বেশির ভাগ গাছগুলোর বয়স ১০০ বছরের ওপরে হবে। ফলে গাছের ডালপালায় অনেক আগাছা জন্মে রোগাক্রান্ত হয়ে অনেক গাছ মরে যাচ্ছে। তাই প্রাণহানি ঘটার আগেই রোগাক্রান্ত গাছগুলো কেটে ফেলে পুনরায় গাছ লাগাতে হবে।
এ ব্যাপারে ইউএনও আশরাফুল আলম আজকের পত্রিকাকে বলেন, উপজেলা পরিষদ চত্বরের পুরোনো ও রোগাক্রান্ত গাছগুলো বাছাই করার জন্য একটি কমিটি গঠন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে