হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ) প্রতিনিধি

ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চরাঞ্চলে সরিষাখেতে পানি জমেছে। অনেক জমির গাছ থেকে ঝরে পড়ছে সরিষা। এতে সরিষার আবাদ নিয়ে ক্ষতির শঙ্কা করছেন কৃষকেরা।
কৃষকেরা জানান, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি দীর্ঘায়িত হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে। আগাম সরিষাখেতে ফুল এসেছে। সরিষার জমিগুলো বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে গাছ নুয়ে পড়েছে। ফুল ও ফল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
চরাঞ্চলের আজিমনগর, লেছড়াগঞ্জ, সুতালড়ী ইউনিয়নসহ চরাঞ্চলে টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে অনেক জমির সরিষাগাছ পড়ে গেছে। কিছু নিচু জমিতে পানিও জমেছে বলেও জানান কৃষকেরা।
উপজেলার বয়ড়া ইউনিয়নের মীরডাঙ্গি চরের সরিষাচাষি কুব্বাত বলেন, ‘দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। বৃষ্টিতে আগাম বোনা কিছু সরিষার ক্ষতি হয়েছে।’
আজিমনগর ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামের চাষি লতিফ পাল বলেন, ‘ছয় বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছি। বৃষ্টির ফলে কিছু জমির সরিষার ফুল পড়ে গেছে।’
একই এলাকার আরেক চাষি শহিদ ব্যাপারী বলেন, ‘এ বছর এক শ দেড় বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছি। বৃষ্টির কারণে সরিষার চারা গাছগুলো নুয়ে পড়েছে।’
হরিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, ‘চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১১ হাজার ৬৪৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরিষা ভালো হয়েছে। বৃষ্টির কারণে বেশির ভাগ জমি সরিষার জন্য ভালো হয়েছে। তবে আগাম সরিষা কম চাষ হওয়ায় সরিষার ক্ষতিও কম হয়েছে। তবে চরাঞ্চলে কী পরিমাণ সরিষার ক্ষতি হয়েছে, এর প্রতিবেদন এখনো পাইনি। খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’

ঘূর্ণিঝড় মিগজাউমের প্রভাবে গত বুধবার থেকে শুরু হওয়া টানা বৃষ্টিতে মানিকগঞ্জের হরিরামপুরের চরাঞ্চলে সরিষাখেতে পানি জমেছে। অনেক জমির গাছ থেকে ঝরে পড়ছে সরিষা। এতে সরিষার আবাদ নিয়ে ক্ষতির শঙ্কা করছেন কৃষকেরা।
কৃষকেরা জানান, গুঁড়ি গুঁড়ি বৃষ্টি দীর্ঘায়িত হলে ফসলের ব্যাপক ক্ষতি হবে। আগাম সরিষাখেতে ফুল এসেছে। সরিষার জমিগুলো বৃষ্টি ও বাতাসের কারণে গাছ নুয়ে পড়েছে। ফুল ও ফল নষ্ট হয়ে যাচ্ছে।
চরাঞ্চলের আজিমনগর, লেছড়াগঞ্জ, সুতালড়ী ইউনিয়নসহ চরাঞ্চলে টানা দুই দিনের বৃষ্টিতে অনেক জমির সরিষাগাছ পড়ে গেছে। কিছু নিচু জমিতে পানিও জমেছে বলেও জানান কৃষকেরা।
উপজেলার বয়ড়া ইউনিয়নের মীরডাঙ্গি চরের সরিষাচাষি কুব্বাত বলেন, ‘দুই বিঘা জমিতে সরিষা চাষ করেছি। বৃষ্টিতে আগাম বোনা কিছু সরিষার ক্ষতি হয়েছে।’
আজিমনগর ইউনিয়নের এনায়েতপুর গ্রামের চাষি লতিফ পাল বলেন, ‘ছয় বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছি। বৃষ্টির ফলে কিছু জমির সরিষার ফুল পড়ে গেছে।’
একই এলাকার আরেক চাষি শহিদ ব্যাপারী বলেন, ‘এ বছর এক শ দেড় বিঘা জমিতে সরিষা আবাদ করেছি। বৃষ্টির কারণে সরিষার চারা গাছগুলো নুয়ে পড়েছে।’
হরিরামপুর উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা মো. তৌহিদুজ্জামান বলেন, ‘চলতি মৌসুমে উপজেলায় ১১ হাজার ৬৪৫ হেক্টর জমিতে সরিষা চাষের লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয়েছে। সরিষা ভালো হয়েছে। বৃষ্টির কারণে বেশির ভাগ জমি সরিষার জন্য ভালো হয়েছে। তবে আগাম সরিষা কম চাষ হওয়ায় সরিষার ক্ষতিও কম হয়েছে। তবে চরাঞ্চলে কী পরিমাণ সরিষার ক্ষতি হয়েছে, এর প্রতিবেদন এখনো পাইনি। খোঁজ নেওয়া হচ্ছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
৩ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
৩ ঘণ্টা আগে