প্রতিনিধি

হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ): হরিরামপুরের ঝিটকা বাজারে পাইকারি আড়তে ৪-৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে মরিচ। হতাশায় অনেক কৃষক মরিচ বিক্রি না করে ফেলেও দিয়েছেন। এর আগে গত মাসে ১৫-২০ টাকা দরে মরিচ বিক্রি হয়। এতে খরচের টাকা কোনো রকম উঠছিল। এখন তো সেটিও হচ্ছে না।
সরেজমিনে ঝিটকা বাজার ঘুরে চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃষ্টির কারণে অনেক কৃষক ঠিকমতো মরিচ তুলতে না পারছেন না। যেটুকু তুলতে পারছেন তার দাম পাচ্ছেন না। অনেকে জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করেন, কিন্তু এভাবে ফসলের দাম না পেলে চাষাবাদ বন্ধ করে দিতে হবে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর হরিরামপুরে ১ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। উপজেলার বাল্লা, গালা আর গোপীনাথপুর ইউনিয়নে মরিচের বেশি চাষ হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি চাষাবাদ হয়েছে উপজেলার বাল্লা ইউনিয়নে।
উপজেলার বাল্লা ইউনিয়নের বাস্তা এলাকার মরিচচাষি শাহজাহান জানান, ১০ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। মাসখানেক আগে ১৫-২০ টাকা দরে মরিচ বিক্রি করলও এখন ৫ টাকা করে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতি কেজি মরিচ তুলতেই খরচ হচ্ছে ৫ টাকা। প্রতিদিন ২০০-২৫০ কেজি মরিচ বিক্রি করতে পারেন তিনি। কিন্তু দাম না থাকায় খরচের টাকাই ঠিকমতো ওঠে না।
ঝিটকা বাজারের প্রদীপ সরকার নামের এক মরিচ বিক্রেতা জানান, ৪০ কেজি মরিচ ২ টাকা করে বিক্রি করেছেন। কিন্তু মরিচ তুলতে ৫ টাকা আর পরিবহন খরচ ২ টাকাসহ কেজিতে ৭ টাকা খরচ পড়েছে তাঁর। এতে অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল গাফফার মুঠোফোনে জানান, এ বছর হরিরামপুরে ১ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। আমাদের উপজেলায় মরিচের উৎপাদন অনেকগুণ বেড়েছে। কিন্তু দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা। যদি সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের দিকে নজর দেওয়া হয়, তাহলে আমরা এ সমস্যা থেকে উতরাতে পারব বলেও জানান তিনি।

হরিরামপুর (মানিকগঞ্জ): হরিরামপুরের ঝিটকা বাজারে পাইকারি আড়তে ৪-৫ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে মরিচ। হতাশায় অনেক কৃষক মরিচ বিক্রি না করে ফেলেও দিয়েছেন। এর আগে গত মাসে ১৫-২০ টাকা দরে মরিচ বিক্রি হয়। এতে খরচের টাকা কোনো রকম উঠছিল। এখন তো সেটিও হচ্ছে না।
সরেজমিনে ঝিটকা বাজার ঘুরে চাষিদের সঙ্গে কথা বলে জানা গেছে, বৃষ্টির কারণে অনেক কৃষক ঠিকমতো মরিচ তুলতে না পারছেন না। যেটুকু তুলতে পারছেন তার দাম পাচ্ছেন না। অনেকে জমি বর্গা নিয়ে চাষাবাদ করেন, কিন্তু এভাবে ফসলের দাম না পেলে চাষাবাদ বন্ধ করে দিতে হবে।
উপজেলা কৃষি অফিস সূত্রে জানা যায়, এ বছর হরিরামপুরে ১ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। উপজেলার বাল্লা, গালা আর গোপীনাথপুর ইউনিয়নে মরিচের বেশি চাষ হয়েছে। তবে সবচেয়ে বেশি চাষাবাদ হয়েছে উপজেলার বাল্লা ইউনিয়নে।
উপজেলার বাল্লা ইউনিয়নের বাস্তা এলাকার মরিচচাষি শাহজাহান জানান, ১০ বিঘা জমিতে মরিচ চাষ করেছেন। মাসখানেক আগে ১৫-২০ টাকা দরে মরিচ বিক্রি করলও এখন ৫ টাকা করে বিক্রি করতে হচ্ছে। প্রতি কেজি মরিচ তুলতেই খরচ হচ্ছে ৫ টাকা। প্রতিদিন ২০০-২৫০ কেজি মরিচ বিক্রি করতে পারেন তিনি। কিন্তু দাম না থাকায় খরচের টাকাই ঠিকমতো ওঠে না।
ঝিটকা বাজারের প্রদীপ সরকার নামের এক মরিচ বিক্রেতা জানান, ৪০ কেজি মরিচ ২ টাকা করে বিক্রি করেছেন। কিন্তু মরিচ তুলতে ৫ টাকা আর পরিবহন খরচ ২ টাকাসহ কেজিতে ৭ টাকা খরচ পড়েছে তাঁর। এতে অনেক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলেও জানান তিনি।
উপজেলা কৃষি কর্মকর্তা আবদুল গাফফার মুঠোফোনে জানান, এ বছর হরিরামপুরে ১ হাজার ২৬৫ হেক্টর জমিতে মরিচের চাষ হয়েছে। আমাদের উপজেলায় মরিচের উৎপাদন অনেকগুণ বেড়েছে। কিন্তু দাম পাচ্ছেন না কৃষকেরা। যদি সাপ্লাই চেইন ম্যানেজমেন্টের দিকে নজর দেওয়া হয়, তাহলে আমরা এ সমস্যা থেকে উতরাতে পারব বলেও জানান তিনি।

কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের ৭৪টি এবং দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদও শূন্য রয়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান ওরফে কানা মিজান (৩৬) নামের এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন। নিহত যুবক আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য ও তাঁর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
৯ ঘণ্টা আগে