মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরের কালকিনিতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর সমর্থক ভ্যানচালক শহিদুল শেখকে (৪০) মারধর করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের কোলচোরি গ্রামে এই হামলা চালানো হয়। বিজয়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর লোকজন এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহত শহিদুল শেখ কোলচোরি গ্রামের শাজাহান শেখের ছেলে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. নুরুজ্জামান সরদারের সমর্থক শহিদুল শেখ রাত সাড়ে ৭টার দিকে ভ্যানগাড়ি নিয়ে বের হন। এ সময় নির্বাচনে বিজয়ী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী তৌফিকুজ্জামান শাহীনের কর্মী আনু শেখ লোকজন নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলার শিকার শহিদুলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাতেই তাঁকে মাদারীপুরের ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহত শহিদুল শেখ বলেন, ‘আমাকে আনু শেখ ও তাঁর লোকজন হাতুড়ি ও রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
এদিকে অভিযুক্ত আনু শেখ একই গ্রামের মালেক শেখের ছেলে। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। তাই তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভ্যানচালকের ওপর হামলার ঘটনা লোকমুখে শুনেছি। তবে এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, গত ২১ মে কালকিনিতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী তৌফিকুজ্জামান শাহীন ৩৬ হাজার ১৯০ ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মো. নুরুজ্জামান সরদার পেয়েছেন ১১ হাজার ৯১৬ ভোট।

মাদারীপুরের কালকিনিতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর সমর্থক ভ্যানচালক শহিদুল শেখকে (৪০) মারধর করা হয়েছে। গতকাল শনিবার রাতে উপজেলার লক্ষ্মীপুর ইউনিয়নের কোলচোরি গ্রামে এই হামলা চালানো হয়। বিজয়ী চেয়ারম্যান পদপ্রার্থীর লোকজন এই হামলা চালিয়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া গেছে।
আহত শহিদুল শেখ কোলচোরি গ্রামের শাজাহান শেখের ছেলে। তাঁকে হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
এলাকাবাসী জানায়, উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে পরাজিত চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী মো. নুরুজ্জামান সরদারের সমর্থক শহিদুল শেখ রাত সাড়ে ৭টার দিকে ভ্যানগাড়ি নিয়ে বের হন। এ সময় নির্বাচনে বিজয়ী মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী তৌফিকুজ্জামান শাহীনের কর্মী আনু শেখ লোকজন নিয়ে তাঁর ওপর হামলা চালায়। হামলার শিকার শহিদুলের চিৎকারে আশপাশের লোকজন এগিয়ে গেলে হামলাকারীরা পালিয়ে যান। পরে স্থানীয়রা গুরুতর আহত অবস্থায় উদ্ধার করে রাতেই তাঁকে মাদারীপুরের ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি করে।
আহত শহিদুল শেখ বলেন, ‘আমাকে আনু শেখ ও তাঁর লোকজন হাতুড়ি ও রড দিয়ে পিটিয়ে গুরুতর আহত করেছে। আমি এ ঘটনার বিচার চাই।’
এদিকে অভিযুক্ত আনু শেখ একই গ্রামের মালেক শেখের ছেলে। তাঁর ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি বন্ধ পাওয়া গেছে। তাই তাঁর বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) সরকার আবদুল্লাহ আল মামুন আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘ভ্যানচালকের ওপর হামলার ঘটনা লোকমুখে শুনেছি। তবে এখনো কেউ থানায় লিখিত অভিযোগ দেননি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
উল্লেখ্য, গত ২১ মে কালকিনিতে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে চেয়ারম্যান পদে মোটরসাইকেল প্রতীকের প্রার্থী তৌফিকুজ্জামান শাহীন ৩৬ হাজার ১৯০ ভোটে বেসরকারিভাবে নির্বাচিত হয়েছেন। তাঁর নিকটতম প্রতিদ্বন্দ্বী ঘোড়া প্রতীকের প্রার্থী মো. নুরুজ্জামান সরদার পেয়েছেন ১১ হাজার ৯১৬ ভোট।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে