প্রতিনিধি

শিবচর (মাদারীপুর): আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া লকডাউনে শিবচরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে যাত্রীরা ফেরিতে পদ্মা পার হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় মাদারীপুরসহ দেশের ৭ জেলায় আজ সকাল থেকে চলছে লকডাউন। ফলে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে বন্ধ রাখা হয়েছে লঞ্চ চলাচল। তবে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পণ্যবাহী পরিবহন ও সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি যাত্রীরাও ফেরিতে পার হচ্ছে।
বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, লঞ্চ বন্ধ থাকায় আজ সকাল থেকেই ফেরিতে রয়েছে যাত্রীদের ভিড়। পঁচিশ টাকা করে ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের ফেরিতে ওঠানো হচ্ছে। তবে ঘাটে যানবাহনের তেমন কোনো চাপ নেই। নৌরুটে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে।
মো. মিরাজুল শেখ নামের ঢাকাগামী শিবচরের এক যাত্রী বলেন, ‘নির্বাচনে ভোট দিতে বাড়ি এসেছিলাম। গতকাল সোমবার ছিল নির্বাচন। আজ ভোরে পরিবার নিয়ে ঢাকায় রওনা হয়েছি। লকডাউনের কথা রাতেই জেনেছি। তবে লঞ্চ চলাচলও যে বন্ধ থাকবে তা জানা ছিল না। লঞ্চ বন্ধ দেখে ফেরিতে পার হচ্ছি। লঞ্চ বন্ধ থাকায় ফেরিঘাটে যাত্রীদের ভিড় রয়েছে অনেক। তবে সবগুলো ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকায় সহজেই পার হওয়া যাচ্ছে।’
বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক জামাল উদ্দিন বলেন, আজ ভোর থেকেই মাদারীপুরসহ ৭ জেলায় লকডাউন শুরু হয়েছে। লঞ্চ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকায় ফেরিতে যাত্রীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। ঘাটে পরিবহনের তেমন কোনো চাপ নেই।
বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, সকাল থেকেই লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে নৌরুটে। অনেক যাত্রী লঞ্চঘাটে চলে আসছে। তবে তাদের ফিরে যেতে বলা হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ব্যবস্থাপক মো. জামিল আহমেদ বলেন, সবগুলো ফেরি চলছে। লঞ্চ বন্ধ থাকায় লঞ্চের যাত্রীরা ফেরিতে পার হচ্ছে। ঘাটে কিছু পণ্যবাহী পরিবহন রয়েছে। তবে ছোট যানবাহন তেমন নেই।

শিবচর (মাদারীপুর): আজ মঙ্গলবার সকাল থেকে শুরু হওয়া লকডাউনে শিবচরের বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে। এতে যাত্রীরা ফেরিতে পদ্মা পার হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, করোনা সংক্রমণ বেড়ে যাওয়ায় মাদারীপুরসহ দেশের ৭ জেলায় আজ সকাল থেকে চলছে লকডাউন। ফলে বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটে বন্ধ রাখা হয়েছে লঞ্চ চলাচল। তবে ফেরি চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। পণ্যবাহী পরিবহন ও সাধারণ যানবাহনের পাশাপাশি যাত্রীরাও ফেরিতে পার হচ্ছে।
বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, লঞ্চ বন্ধ থাকায় আজ সকাল থেকেই ফেরিতে রয়েছে যাত্রীদের ভিড়। পঁচিশ টাকা করে ভাড়া নিয়ে যাত্রীদের ফেরিতে ওঠানো হচ্ছে। তবে ঘাটে যানবাহনের তেমন কোনো চাপ নেই। নৌরুটে ১৬টি ফেরি চলাচল করছে।
মো. মিরাজুল শেখ নামের ঢাকাগামী শিবচরের এক যাত্রী বলেন, ‘নির্বাচনে ভোট দিতে বাড়ি এসেছিলাম। গতকাল সোমবার ছিল নির্বাচন। আজ ভোরে পরিবার নিয়ে ঢাকায় রওনা হয়েছি। লকডাউনের কথা রাতেই জেনেছি। তবে লঞ্চ চলাচলও যে বন্ধ থাকবে তা জানা ছিল না। লঞ্চ বন্ধ দেখে ফেরিতে পার হচ্ছি। লঞ্চ বন্ধ থাকায় ফেরিঘাটে যাত্রীদের ভিড় রয়েছে অনেক। তবে সবগুলো ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকায় সহজেই পার হওয়া যাচ্ছে।’
বাংলাবাজার ফেরিঘাটের ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক জামাল উদ্দিন বলেন, আজ ভোর থেকেই মাদারীপুরসহ ৭ জেলায় লকডাউন শুরু হয়েছে। লঞ্চ বন্ধ রাখার নির্দেশ দিয়েছে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ। ফেরি চলাচল স্বাভাবিক থাকায় ফেরিতে যাত্রীদের ভিড় দেখা যাচ্ছে। ঘাটে পরিবহনের তেমন কোনো চাপ নেই।
বিআইডব্লিউটিএর বাংলাবাজার ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, সকাল থেকেই লঞ্চ চলাচল বন্ধ রয়েছে নৌরুটে। অনেক যাত্রী লঞ্চঘাটে চলে আসছে। তবে তাদের ফিরে যেতে বলা হচ্ছে।
বিআইডব্লিউটিসির সহকারী ব্যবস্থাপক মো. জামিল আহমেদ বলেন, সবগুলো ফেরি চলছে। লঞ্চ বন্ধ থাকায় লঞ্চের যাত্রীরা ফেরিতে পার হচ্ছে। ঘাটে কিছু পণ্যবাহী পরিবহন রয়েছে। তবে ছোট যানবাহন তেমন নেই।

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২৪ মিনিট আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৫ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৬ ঘণ্টা আগে