Ajker Patrika

মাদারীপুরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ

মাদারীপুর প্রতিনিধি
মাদারীপুরে পাল্টাপাল্টি ধাওয়া: ঢাকা-বরিশাল মহাসড়কে এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদের লক্ষ্য করে দুই পক্ষের লোকজন তেড়ে আসে। ছবি: আজকের পত্রিকা

মাদারীপুর সদর উপজেলার মোস্তফাপুর ইউনিয়নের মোস্তফাপুর এলাকায় আধিপত্য বিস্তারকে কেন্দ্র করে সরদার ও হাওলাদার বংশের মধ্যে পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটেছে। এ সময় উভয় পক্ষ অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। সংঘর্ষে অন্তত পাঁচজন আহত হয়েছেন। আহত পাঁচজনকে মাদারীপুর ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট জেলা হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।

আজ মঙ্গলবার (৩০ ডিসেম্বর) বিকেল থেকে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টা পর্যন্ত দফায় দফায় এ সংঘর্ষ চলে। এতে ঢাকা–বরিশাল মহাসড়কে প্রায় এক ঘণ্টা যান চলাচল বন্ধ থাকে। ফলে সড়কের উভয় পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়। প্রায় এক ঘণ্টা পর যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।

পুলিশ ও স্থানীয় সূত্র জানায়, মোস্তফাপুর এলাকায় সরদার ও হাওলাদার বংশের মধ্যে দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে বিরোধ চলছিল। সর্বশেষ গত আগস্টে সরদার বংশের সামচু সরদারকে দেশীয় অস্ত্রসহ গ্রেপ্তার করে পুলিশ। সাড়ে তিন মাস কারাভোগের পর তিনি জামিনে মুক্ত হন। এর পর থেকে এলাকায় উত্তেজনা বাড়তে থাকে।

আজ দুপুরের পর দুই পক্ষের মধ্যে উত্তেজনা চরমে পৌঁছায়। একপর্যায়ে সরদার বংশের সামচু সরদার ও হাওলাদার বংশের হাবিব হাওলাদারের নেতৃত্বে দফায় দফায় পাল্টাপাল্টি ধাওয়ার ঘটনা ঘটে। এ সময় উভয় পক্ষ ইটপাটকেল নিক্ষেপ করে এবং অর্ধশতাধিক ককটেল বিস্ফোরণ ঘটায়। কয়েকটি বাড়িঘর ও দোকানে ভাঙচুরও করা হয়। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনার চেষ্টা করলে তাঁদের লক্ষ্য করেও দুই পক্ষের লোকজন তেড়ে আসেন। পরে সন্ধ্যা সাড়ে ৬টার দিকে পরিস্থিতি শান্ত হয়। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদের লক্ষ্য করে দুই পক্ষের লোকজন তেড়ে আসে। ছবি: আজকের পত্রিকা
খবর পেয়ে পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গেলে তাঁদের লক্ষ্য করে দুই পক্ষের লোকজন তেড়ে আসে। ছবি: আজকের পত্রিকা

মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) ফারিহা রফিক ভাবনা বলেন, সংঘর্ষের খবর পেয়ে থানা-পুলিশ, গোয়েন্দা পুলিশ ও সেনাবাহিনীর সদস্যরা ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনেন। বর্তমানে পরিস্থিতি শান্ত রয়েছে।

এলাকায় উত্তেজনা বিরাজ করায় উভয় পক্ষের কারও বক্তব্য নেওয়া সম্ভব হয়নি।

Google News Icon

সর্বশেষ খবর পেতে Google News ফিড ফলো করুন

এলাকার খবর
Loading...

পাঠকের আগ্রহ

সম্পর্কিত