শিবচর (মাদারীপুর) প্রতিনিধি

পদ্মাসেতুর মাওয়া প্রান্তের এক্সিট লেন দিয়ে হঠাৎ করেই একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পদ্মাসেতুতে উঠে পড়ে। এরপর সেতুতে অটোরিকশা রেখে নদীতে ঝাঁপ দেন চালক। গতকাল রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পদ্মাসেতুর দক্ষিণ থানা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রাত দেড়টার দিকে মাওয়া প্রান্তের এক্সিট (সেতুর দক্ষিণ পাড় থেকে ঢাকাগামী গাড়ির লেন) লেন দিয়ে একটি অটোরিকশা দ্রুত গতিতে সেতুতে উঠতে থাকে। এ অবস্থায় পদ্মা সেতু ও এক্সপ্রেসওয়েতে নিরাপত্তার দায়িত্বে টহলরত গাড়ি দিয়ে অটোরিকশাকে থামাতে ছুটে আসে এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষের গাড়িটি। তবে অটোরিকশার গতি বেশি থাকায় দ্রুত সেতুর ২১ নম্বর পিলারের কাছে চলে যায়। এরপর দ্রুত গাড়ি থামিয়ে রেলিংয়ে উঠে নদীতে ঝাঁপ দেয় অটোরিকশা চালক। খবর পেয়ে পদ্মাসেতুর দক্ষিণ থানা-পুলিশ, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। চালক নিখোঁজ রয়েছে এবং কি কারণে এ কাণ্ড ঘটাল তা জানা সম্ভব হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে ‘ধরা পড়ার ভয়ে’ অটোরিকশা রেখেই নদীতে ঝাঁপ দেয় চালক।
পদ্মাসেতুর দক্ষিণ থানার উপপরিদর্শক ফিরোজ আল মামুন বলেন, ‘আকস্মিক ঘটনাটি ঘটেছে। অটোরিকশা চালককে উদ্ধারে নৌপুলিশ কাজ করছে। গভীর রাতে এমন কাণ্ডে কেন ঘটিয়েছে তা জানা সম্ভব হয়নি।’
চরজানাজাত নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. রুহুল আমিন জানান, ’নদীতে উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। তবে এখনো ওই চালকের খোঁজ মেলেনি।’
পদ্মাসেতুর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমারত হোসেন জানান, ‘মাওয়া প্রান্ত থেকে এসে সেতুর ২১ নম্বর পিলার পর্যন্ত এসেছিল অটোরিকশাটি। ওখান থেকে নদীতে ঝাঁপ দেয় সে। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।’

পদ্মাসেতুর মাওয়া প্রান্তের এক্সিট লেন দিয়ে হঠাৎ করেই একটি ব্যাটারিচালিত অটোরিকশা পদ্মাসেতুতে উঠে পড়ে। এরপর সেতুতে অটোরিকশা রেখে নদীতে ঝাঁপ দেন চালক। গতকাল রোববার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পদ্মাসেতুর দক্ষিণ থানা সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্র জানিয়েছে, রাত দেড়টার দিকে মাওয়া প্রান্তের এক্সিট (সেতুর দক্ষিণ পাড় থেকে ঢাকাগামী গাড়ির লেন) লেন দিয়ে একটি অটোরিকশা দ্রুত গতিতে সেতুতে উঠতে থাকে। এ অবস্থায় পদ্মা সেতু ও এক্সপ্রেসওয়েতে নিরাপত্তার দায়িত্বে টহলরত গাড়ি দিয়ে অটোরিকশাকে থামাতে ছুটে আসে এক্সপ্রেসওয়ে কর্তৃপক্ষের গাড়িটি। তবে অটোরিকশার গতি বেশি থাকায় দ্রুত সেতুর ২১ নম্বর পিলারের কাছে চলে যায়। এরপর দ্রুত গাড়ি থামিয়ে রেলিংয়ে উঠে নদীতে ঝাঁপ দেয় অটোরিকশা চালক। খবর পেয়ে পদ্মাসেতুর দক্ষিণ থানা-পুলিশ, নৌপুলিশ ও ফায়ার সার্ভিস ঘটনাস্থলে ছুটে আসে। চালক নিখোঁজ রয়েছে এবং কি কারণে এ কাণ্ড ঘটাল তা জানা সম্ভব হয়নি। তবে ধারণা করা হচ্ছে ‘ধরা পড়ার ভয়ে’ অটোরিকশা রেখেই নদীতে ঝাঁপ দেয় চালক।
পদ্মাসেতুর দক্ষিণ থানার উপপরিদর্শক ফিরোজ আল মামুন বলেন, ‘আকস্মিক ঘটনাটি ঘটেছে। অটোরিকশা চালককে উদ্ধারে নৌপুলিশ কাজ করছে। গভীর রাতে এমন কাণ্ডে কেন ঘটিয়েছে তা জানা সম্ভব হয়নি।’
চরজানাজাত নৌ-পুলিশ ফাঁড়ির উপপরিদর্শক মো. রুহুল আমিন জানান, ’নদীতে উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে। তবে এখনো ওই চালকের খোঁজ মেলেনি।’
পদ্মাসেতুর দক্ষিণ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এমারত হোসেন জানান, ‘মাওয়া প্রান্ত থেকে এসে সেতুর ২১ নম্বর পিলার পর্যন্ত এসেছিল অটোরিকশাটি। ওখান থেকে নদীতে ঝাঁপ দেয় সে। উদ্ধার অভিযান চলমান রয়েছে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে