মাদারীপুর প্রতিনিধি

ডায়রিয়া ও ঠান্ডাজনিত রোগের উপসর্গ নিয়ে শতাধিক মানুষ মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছে। এসব রোগীর মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধ বেশি।
হাসপাতাল, রোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন সমস্যা ও পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে শতাধিক রোগী ভর্তি আছে। প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে আক্রান্তদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু ও বৃদ্ধ। হাসপাতালে ভর্তির পাশাপাশি এসব রোগের উপসর্গ নিয়ে অনেকে বহির্বিভাগে ভিড় করছে।
হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গেছে, মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের পুরোনো ভবনে ছয়টি শয্যা থাকলেও বর্তমানে তা বাড়িয়ে ৩২টি করা হয়েছে। তবুও রোগীদের শয্যা পেতে সমস্যা হচ্ছে। এ ছাড়া অন্য রোগীদের হাসপাতালের নতুন ভবনে সেবা দেওয়া হচ্ছে।
শহরের রাস্তি এলাকা থেকে আসা শিশু রোগী সিয়ামের মা সিমা বেগম বলেন, গত দুই দিন ধরে আমার দুই বছরের ছেলে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। তাই হাসপাতালে ভর্তি করেছি। বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ আছে।
সাত বছরের মেয়েকে হাসপাতালে এনেছেন মাদারীপুর সদর উপজেলার মহিষেরচর এলাকার আকলিমা বেগম। তিনি বলেন, ‘মেয়ের গত কয়েক দিন ধরে জ্বর। তাই হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি।’
বহির্বিভাগে ডাক্তার দেখাতে আসা হাজীর হাওলা গ্রামের মো. সালাউদ্দিন বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে জ্বর ও সর্দি নিয়ে ভুগছি। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছি।’
মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স কল্যাণী সরকার বলেন, ‘হঠাৎ ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে। এর পরও আমরা সাধ্যমতো সেবা দিয়ে যাচ্ছি। আসনের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। ’
মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের সিভিল সার্জন মুনীর আহম্মদ খান বলেন, ‘পানিবাহিত রোগ দেখা দিলে পর্যাপ্ত পরিমাণে তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে। এ ছাড়া উপসর্গ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরও পরামর্শ নিতে হবে। বর্তমানে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেশি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া সব রোগীকে আমরা সাধ্যমতো সেবা দিয়ে আসছি।’

ডায়রিয়া ও ঠান্ডাজনিত রোগের উপসর্গ নিয়ে শতাধিক মানুষ মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি আছে। এসব রোগীর মধ্যে শিশু ও বৃদ্ধ বেশি।
হাসপাতাল, রোগী ও সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, কয়েক দিন ধরে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ডায়রিয়া, নিউমোনিয়া, হাঁপানি, জ্বর, সর্দি, শ্বাসকষ্ট, ঠান্ডাজনিত বিভিন্ন সমস্যা ও পানিবাহিত রোগে আক্রান্ত হয়ে শতাধিক রোগী ভর্তি আছে। প্রতিদিনই রোগীর সংখ্যা বাড়ছে। তবে আক্রান্তদের মধ্যে বেশির ভাগই শিশু ও বৃদ্ধ। হাসপাতালে ভর্তির পাশাপাশি এসব রোগের উপসর্গ নিয়ে অনেকে বহির্বিভাগে ভিড় করছে।
হাসপাতাল সূত্রে আরও জানা গেছে, মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের পুরোনো ভবনে ছয়টি শয্যা থাকলেও বর্তমানে তা বাড়িয়ে ৩২টি করা হয়েছে। তবুও রোগীদের শয্যা পেতে সমস্যা হচ্ছে। এ ছাড়া অন্য রোগীদের হাসপাতালের নতুন ভবনে সেবা দেওয়া হচ্ছে।
শহরের রাস্তি এলাকা থেকে আসা শিশু রোগী সিয়ামের মা সিমা বেগম বলেন, গত দুই দিন ধরে আমার দুই বছরের ছেলে ডায়রিয়ায় আক্রান্ত হয়েছে। তাই হাসপাতালে ভর্তি করেছি। বর্তমানে অনেকটাই সুস্থ আছে।
সাত বছরের মেয়েকে হাসপাতালে এনেছেন মাদারীপুর সদর উপজেলার মহিষেরচর এলাকার আকলিমা বেগম। তিনি বলেন, ‘মেয়ের গত কয়েক দিন ধরে জ্বর। তাই হাসপাতালে ভর্তি করিয়েছি।’
বহির্বিভাগে ডাক্তার দেখাতে আসা হাজীর হাওলা গ্রামের মো. সালাউদ্দিন বলেন, ‘গত কয়েক দিন ধরে জ্বর ও সর্দি নিয়ে ভুগছি। হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে এসেছি।’
মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের সিনিয়র স্টাফ নার্স কল্যাণী সরকার বলেন, ‘হঠাৎ ডায়রিয়ার প্রকোপ দেখা দিয়েছে। প্রতিদিনই নতুন নতুন রোগী ভর্তি হচ্ছে। এর পরও আমরা সাধ্যমতো সেবা দিয়ে যাচ্ছি। আসনের চেয়ে প্রায় দ্বিগুণ রোগী হাসপাতালে ভর্তি আছে। ’
মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালের সিভিল সার্জন মুনীর আহম্মদ খান বলেন, ‘পানিবাহিত রোগ দেখা দিলে পর্যাপ্ত পরিমাণে তরলজাতীয় খাবার খেতে হবে। এ ছাড়া উপসর্গ দেখা দিলে বিশেষজ্ঞ চিকিৎসকেরও পরামর্শ নিতে হবে। বর্তমানে হাসপাতালে রোগীর সংখ্যা বেশি। হাসপাতালে ভর্তি হওয়া সব রোগীকে আমরা সাধ্যমতো সেবা দিয়ে আসছি।’

গভীর রাতে হঠাৎ বিএনপি কার্যালয় থেকে আগুনের শিখা উঠতে দেখে এক ব্যক্তি চিৎকার শুরু করেন। তাঁর চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন ছুটে এসে পানি ঢেলে আগুন নিয়ন্ত্রণে আনে। এতে বড় ধরনের ক্ষয়ক্ষতি থেকে রক্ষা পাওয়া গেলেও কার্যালয়ের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অংশ পুড়ে যায়।
১৬ মিনিট আগে
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে ভারতে যাওয়ার সময় তিন বাংলাদেশি যুবককে আটক করেছে বর্ডার গার্ড বাংলাদেশ (বিজিবি)। এ সময় তাঁদের ভারতে যেতে সহায়তাকারী মানব পাচার চক্রের এক সদস্যকে আটক করা হয়। বুধবার (১৪ জানুয়ারি) সন্ধ্যা ৭টার দিকে সদর উপজেলার বকচর সীমান্ত এলাকা থেকে তাঁদেরকে আটক করা হয়।
২৩ মিনিট আগে
রংপুরের গঙ্গাচড়া উপজেলায় চলতি শীতে ঠান্ডাজনিত রোগে গত তিন মাসে প্রায় দেড় হাজার ছাগল মারা গেছে বলে দাবি করেছেন স্থানীয় খামারি ও পশু চিকিৎসা কর্মীরা। খামারিদের হিসাব অনুযায়ী, এতে আর্থিক ক্ষতির পরিমাণ প্রায় ১ কোটি টাকা। সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছেন চরাঞ্চলের প্রান্তিক খামারিরা।
৩১ মিনিট আগে
বরগুনার আমতলী উপজেলার টিয়াখালী কলেজ ভবনের দুটি তলার কক্ষে খনিজ সম্পদ অনুসন্ধানসামগ্রী রাখা হয়েছে। বাইরে তৈরি করা হয়েছে খোলা শৌচাগার। ভবনে আবাস গড়েছেন শ্রমিকেরা। এ অবস্থায় প্রতিষ্ঠানটির পড়াশোনার পরিবেশ নষ্ট হচ্ছে। আট দিন ধরে পাঠদান বন্ধ রয়েছে। প্রতিষ্ঠানটিতে আসছেন না শিক্ষার্থীরা।
৩৭ মিনিট আগে