মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে একটি গ্রামীণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের সংস্কার না করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা। তাঁরা বলছেন, একটু বৃষ্টি হলেই ভোগান্তি বেড়ে যায় কয়েক গুণ। কাদাপানিতে হাঁটতে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হোক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের উত্তর পাঁচখোলা গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আব্বাস মাতুব্বরের বাড়ির সেতু থেকে ইতালি ব্রিকস্ পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের অবস্থা বেহাল। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন কয়েক শ মানুষ চলাচল করে। সড়কটির বিভিন্ন অংশে কাদা ও পানিতে ভরা। একটু বৃষ্টি হলেই এই পথ দিয়ে চলাচল করতে ভোগান্তির শেষ থাকে না। এটা তাদের একমাত্র সড়ক হওয়ায় হাজার সমস্যার মধ্য দিয়েই চলতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে এই সড়ক সংস্কার করতে একাধিকবার ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গিয়েও কোনো লাভ হয়নি। এরপর স্থানীয়রা মিলে ব্যক্তিগতভাবে রাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ নিলেও টাকার অভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তাই এই সড়ক সংস্কারের দাবিতে স্থানীয়রা গত মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সড়কের পাশেই মানববন্ধন করেছেন।
স্থানীয় সজীব হোসেন বলেন, ‘সড়কটি দিয়ে আমাদের প্রতিদিন চলাচল করতে হয়। কাদাপানি আর গর্তের কারণে এমন অবস্থা হয়েছে। হাঁটাই মুশকিল। তাই এটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানাই।’
আরেক স্থানীয় সাবিনা বেগম বলেন, ‘আমরা কেউ অসুস্থ হলে এই পথ দিয়ে যেতে খুব সমস্যা হয়। কারণ এটাই আমাদের একমাত্র পথ। এই পথ দিয়েই হাসপাতালে যেতে হয়। তাই প্রতিদিন চলাচলকারী প্রায় ৫০০-৬০০ পরিবারের এই সড়ক দ্রুত মেরামতের দাবি জানাই।’
মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াদিয়া শাবাব বলেন, ‘সড়কটির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। খুবই নাজুক অবস্থা। উপজেলা পরিষদ কিংবা উপজেলা এলজিইডির মাধ্যমে সড়ক সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এলজিইডির মাদারীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী বাদল চন্দ্র কীর্তনীয়া বলেন, ‘বর্তমানে কোনো বরাদ্দ নেই। কোনো প্রকল্পও হাতে নেই। সরেজমিন পরিদর্শন করা হবে। বরাদ্দ পাওয়ার পর সড়কটি সংস্কার করা হবে।’

মাদারীপুরে একটি গ্রামীণ সড়ক দীর্ঘদিন ধরে কোনো ধরনের সংস্কার না করায় ভোগান্তিতে পড়েছেন স্থানীয়রা। তাঁরা বলছেন, একটু বৃষ্টি হলেই ভোগান্তি বেড়ে যায় কয়েক গুণ। কাদাপানিতে হাঁটতে সমস্যায় পড়তে হয়। তাই দ্রুত সড়কটি সংস্কার করা হোক।
স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে, মাদারীপুর সদর উপজেলার পাঁচখোলা ইউনিয়নের উত্তর পাঁচখোলা গ্রামের ২ নম্বর ওয়ার্ডের আব্বাস মাতুব্বরের বাড়ির সেতু থেকে ইতালি ব্রিকস্ পর্যন্ত এক কিলোমিটার সড়কের অবস্থা বেহাল। সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন কয়েক শ মানুষ চলাচল করে। সড়কটির বিভিন্ন অংশে কাদা ও পানিতে ভরা। একটু বৃষ্টি হলেই এই পথ দিয়ে চলাচল করতে ভোগান্তির শেষ থাকে না। এটা তাদের একমাত্র সড়ক হওয়ায় হাজার সমস্যার মধ্য দিয়েই চলতে হচ্ছে।
স্থানীয়দের দাবি, দীর্ঘ পাঁচ বছর ধরে এই সড়ক সংস্কার করতে একাধিকবার ইউপি চেয়ারম্যান, উপজেলা চেয়ারম্যান, উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে গিয়েও কোনো লাভ হয়নি। এরপর স্থানীয়রা মিলে ব্যক্তিগতভাবে রাস্তাটি সংস্কারের উদ্যোগ নিলেও টাকার অভাবে বাস্তবায়ন করা সম্ভব হয়নি। তাই এই সড়ক সংস্কারের দাবিতে স্থানীয়রা গত মঙ্গলবার (১৯ আগস্ট) সড়কের পাশেই মানববন্ধন করেছেন।
স্থানীয় সজীব হোসেন বলেন, ‘সড়কটি দিয়ে আমাদের প্রতিদিন চলাচল করতে হয়। কাদাপানি আর গর্তের কারণে এমন অবস্থা হয়েছে। হাঁটাই মুশকিল। তাই এটি দ্রুত সংস্কারের দাবি জানাই।’
আরেক স্থানীয় সাবিনা বেগম বলেন, ‘আমরা কেউ অসুস্থ হলে এই পথ দিয়ে যেতে খুব সমস্যা হয়। কারণ এটাই আমাদের একমাত্র পথ। এই পথ দিয়েই হাসপাতালে যেতে হয়। তাই প্রতিদিন চলাচলকারী প্রায় ৫০০-৬০০ পরিবারের এই সড়ক দ্রুত মেরামতের দাবি জানাই।’
মাদারীপুর সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) ওয়াদিয়া শাবাব বলেন, ‘সড়কটির কয়েকটি ছবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে দেখেছি। খুবই নাজুক অবস্থা। উপজেলা পরিষদ কিংবা উপজেলা এলজিইডির মাধ্যমে সড়ক সংস্কারের ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’
এলজিইডির মাদারীপুরের নির্বাহী প্রকৌশলী বাদল চন্দ্র কীর্তনীয়া বলেন, ‘বর্তমানে কোনো বরাদ্দ নেই। কোনো প্রকল্পও হাতে নেই। সরেজমিন পরিদর্শন করা হবে। বরাদ্দ পাওয়ার পর সড়কটি সংস্কার করা হবে।’

মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার প্রাণকেন্দ্রে অবস্থিত ঐতিহ্যবাহী সরকারি আরএসকেএইচ ইনস্টিটিউশন মডেল মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের প্রবেশদ্বারের পাশেই সাধারণ মানুষের সুবিধার্থে নির্মাণ করা হয় একটি পাবলিক টয়লেট (ওয়াশ ব্লক)। কিন্তু উদ্বোধনের পর প্রায় আড়াই বছরেও ১৬ লক্ষাধিক টাকা ব্যয়ে নির্মিত...
৩৮ মিনিট আগে
ফিরোজ দীর্ঘ প্রায় ১০ বছর ধরে ঢাকায় থেকে ইয়াবাসহ বিভিন্ন মাদকের কারবার করে আসছিলেন। ঢাকায় তাঁর বিরুদ্ধে একাধিক মামলা থাকায় প্রায় পাঁচ বছর আগে তিনি টঙ্গিবাড়ীর দক্ষিণ বেতকা গ্রামে খালুর বাড়িতে এসে বসবাস শুরু করেন। সেখানে থেকেই তিনি মাদকের কারবার চালিয়ে যাচ্ছিলেন।
৪১ মিনিট আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৬ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৬ ঘণ্টা আগে