প্রতিনিধি

শিবচর (মাদারীপুর): গত সোমবার থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু হওয়ায় বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটের ফেরিঘাটের চিত্র বদলে গেছে। যাত্রীদের কোন চাপ নেই ফেরিতে। এমনকি যানবাহনের জন্য ঘাটে অপেক্ষাও করতে হচ্ছে ফেরিকে।
মঙ্গলবার (২৫ মে) সকালে এমন চিত্র দেখা গেছে শিবচরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে। বাংলাবাজারে চারটি ফেরিঘাট চালু রয়েছে। চলাচল করছে ১৬টি ফেরি। ফেরিঘাট এলাকার গত কয়েক দিনের যে দুর্ভোগ ছিল তা দূর হয়েছে। ফেরিতে যাত্রী তেমন পার না হওয়ায় পণ্যবাহী ট্রাক ও ছোট যানবাহন সহজেই পারাপার করা যাচ্ছে বলে বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, লঞ্চ চলাচল শুরু করায় নৌরুটে ফেরিতে যাত্রীদের চাপ কমে গেছে। যাত্রীরা লঞ্চে পদ্মা পার হচ্ছে। গত সোমবার ভোর থেকেই ফেরিতে সাধারণ যাত্রীদের কোন ভিড় নেই। তবে পণ্যবাহী ট্রাক ও যানবাহন স্বাভাবিকভাবেই পার হচ্ছে। ঘাট এলাকায় যানবাহনের কোন জটলা নেই।
বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ১২ তম দিনেও ঢাকাগামী যাত্রীদের যথেষ্ট চাপ রয়েছে শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে। তবে লঞ্চ চলাচল শুরু করায় যাত্রীদের ভোগান্তি কমেছে অনেকটাই। ফেরির পরিবর্তে বেশির ভাগ যাত্রী লঞ্চেই পার হচ্ছেন।
এদিকে নৌরুটের লঞ্চে ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। এতে করে যাত্রীদের কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে ঘাটে। যাত্রী কম নেওয়ায় ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ৫৫ টাকা করে যাত্রী প্রতি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এর আগে ভাড়া ছিল ৩৫ টাকা।
লঞ্চ ঘাট সূত্র জানা গেছে, ভোর ছয়টা থেকে লঞ্চ চলছে। যাত্রীদের এখনো চাপ রয়েছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুযাত্রীদের চাপ বেশি দেখা যাচ্ছে। ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী হলেই ছেড়ে দিচ্ছে লঞ্চ। মঙ্গলবার আবহাওয়া ঠান্ডা থাকায় ঘাটে যাত্রীদের দুর্ভোগ কম। তবে হালকা বাতাস থাকায় মাঝপদ্মা কিছুটা উত্তাল রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ’র বাংলাবাজার লঞ্চ ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, ‘লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঘাটে যাত্রীদের চাপ থাকলেও কোন ভোগান্তি নেই। নিয়ম মেনে ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে ঘাট থেকে ছেড়ে যাচ্ছে লঞ্চ।’

শিবচর (মাদারীপুর): গত সোমবার থেকে লঞ্চ চলাচল শুরু হওয়ায় বাংলাবাজার-শিমুলিয়া নৌরুটের ফেরিঘাটের চিত্র বদলে গেছে। যাত্রীদের কোন চাপ নেই ফেরিতে। এমনকি যানবাহনের জন্য ঘাটে অপেক্ষাও করতে হচ্ছে ফেরিকে।
মঙ্গলবার (২৫ মে) সকালে এমন চিত্র দেখা গেছে শিবচরের বাংলাবাজার ফেরিঘাটে। বাংলাবাজারে চারটি ফেরিঘাট চালু রয়েছে। চলাচল করছে ১৬টি ফেরি। ফেরিঘাট এলাকার গত কয়েক দিনের যে দুর্ভোগ ছিল তা দূর হয়েছে। ফেরিতে যাত্রী তেমন পার না হওয়ায় পণ্যবাহী ট্রাক ও ছোট যানবাহন সহজেই পারাপার করা যাচ্ছে বলে বিআইডব্লিউটিসির বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে।
সূত্রটি জানিয়েছে, লঞ্চ চলাচল শুরু করায় নৌরুটে ফেরিতে যাত্রীদের চাপ কমে গেছে। যাত্রীরা লঞ্চে পদ্মা পার হচ্ছে। গত সোমবার ভোর থেকেই ফেরিতে সাধারণ যাত্রীদের কোন ভিড় নেই। তবে পণ্যবাহী ট্রাক ও যানবাহন স্বাভাবিকভাবেই পার হচ্ছে। ঘাট এলাকায় যানবাহনের কোন জটলা নেই।
বাংলাবাজার ঘাট সূত্রে জানা গেছে, ঈদের ১২ তম দিনেও ঢাকাগামী যাত্রীদের যথেষ্ট চাপ রয়েছে শিবচরের বাংলাবাজার ঘাটে। তবে লঞ্চ চলাচল শুরু করায় যাত্রীদের ভোগান্তি কমেছে অনেকটাই। ফেরির পরিবর্তে বেশির ভাগ যাত্রী লঞ্চেই পার হচ্ছেন।
এদিকে নৌরুটের লঞ্চে ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী পারাপার করা হচ্ছে। এতে করে যাত্রীদের কিছুটা সময় দাঁড়িয়ে থাকতে হচ্ছে ঘাটে। যাত্রী কম নেওয়ায় ভাড়া বাড়ানো হয়েছে। বর্তমানে ৫৫ টাকা করে যাত্রী প্রতি ভাড়া নেওয়া হচ্ছে। এর আগে ভাড়া ছিল ৩৫ টাকা।
লঞ্চ ঘাট সূত্র জানা গেছে, ভোর ছয়টা থেকে লঞ্চ চলছে। যাত্রীদের এখনো চাপ রয়েছে। বিশেষ করে নারী ও শিশুযাত্রীদের চাপ বেশি দেখা যাচ্ছে। ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী হলেই ছেড়ে দিচ্ছে লঞ্চ। মঙ্গলবার আবহাওয়া ঠান্ডা থাকায় ঘাটে যাত্রীদের দুর্ভোগ কম। তবে হালকা বাতাস থাকায় মাঝপদ্মা কিছুটা উত্তাল রয়েছে।
বিআইডব্লিউটিএ’র বাংলাবাজার লঞ্চ ঘাটের ট্রাফিক ইন্সপেক্টর আক্তার হোসেন বলেন, ‘লঞ্চ চলাচল স্বাভাবিক রয়েছে। ঘাটে যাত্রীদের চাপ থাকলেও কোন ভোগান্তি নেই। নিয়ম মেনে ধারণ ক্ষমতার অর্ধেক যাত্রী নিয়ে ঘাট থেকে ছেড়ে যাচ্ছে লঞ্চ।’

রোববার সন্ধ্যায় মেহেদী গোবরা থেকে মোটরসাইকেলযোগে শহরের বাসায় ফেরার পথে চিত্রা নদীর এসএম সুলতান সেতু এলাকায় পৌঁছালে মোটরসাইকেলটি নিয়ন্ত্রণ হারিয়ে একটি ভ্যানকে ধাক্কা দেয়।
২ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে ঢাকা-১২ আসনে (তেজগাঁও এলাকা) রাজনৈতিক উত্তাপ ক্রমেই বাড়ছে। এই আসনে ‘তিন সাইফুলের’ উপস্থিতি ভোটের মাঠে বাড়তি কৌতূহল তৈরি করেছে। তাঁরা হলেন—দলীয় সিদ্ধান্ত অমান্য করায় বিএনপি থেকে বহিষ্কৃত স্বতন্ত্র প্রার্থী সাইফুল আলম নীরব, বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামীর প্রার্থী মো. সাইফুল
৭ ঘণ্টা আগে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে খুলনায় সর্বোচ্চ খরচের পরিকল্পনা করেছেন বিএনপির আলী আসগর লবী। আর জেলায় সবচেয়ে কম বাজেট একই দলের আরেক প্রার্থী রকিবুল ইসলাম বকুলের। হলফনামায় ছয়টি আসনের প্রার্থীদের অধিকাংশই নিজস্ব আয়ের পাশাপাশি স্বজনদের কাছ থেকে ধার ও অনুদান নিয়ে এই ব্যয় মেটানোর কথা জানিয়েছেন।
৭ ঘণ্টা আগে
পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৮ ঘণ্টা আগে