মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার মহরদ্দিরচর গ্রামে স্কুলছাত্র জহিরুল ইসলাম সরদারকে (১৫) নিজ ঘরে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ মাদারীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের দাবি, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসতিয়াক আসফাক রাসেল।
নিহত জহিরুল ইসলাম সরদার কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের মহরদ্দিরচর গ্রামের কাতারপ্রবাসী বারেক সরদারের ছেলে এবং সমিতিরহাট মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পরিবারের বরাতে ওসি ইসতিয়াক আসফাক রাসেল জানান, জহিরুল ইসলাম সরদার তিন রুমের বাসার একটি রুমে থাকত। প্রতিদিনের মতো গতকাল রাতেও খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে তার কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে মা কোহিনুর বেগম ডাকাডাকি করেন। ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে কম্বল দিয়ে ঢাকা জহিরুলের মৃতদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পরে মৃতদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে নিহতের মা কোহিনুর বেগম জানান, ‘আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার স্বামী কাতারপ্রবাসী। আমাদের তেমন কোনো শত্রু নেই। ঘরের তিন রুমের মধ্যে উত্তর কোনার রুমে জহিরুল ঘুমাত। রাতে আমরা কোনো সাড়া-শব্দ পাই নাই। কেন এবং কী কারণে হত্যা করা হয়েছে এখনো বুঝতে পারছি না। আমি হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) চাইলাউ মাররা বলেন, ‘ঘটনা শোনার পরে ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মৃতদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। নিহতের পরিবার মামলা দিলে বিষয়টি আমলে নেওয়া হবে। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে শাস্তি পেতে হবে।’

মাদারীপুরের কালকিনি উপজেলার মহরদ্দিরচর গ্রামে স্কুলছাত্র জহিরুল ইসলাম সরদারকে (১৫) নিজ ঘরে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। আজ বৃহস্পতিবার সকাল ৮টার দিকে এ ঘটনা ঘটে। পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মরদেহ উদ্ধার করে। পরে মরদেহ মাদারীপুর সদর হাসপাতাল মর্গে পাঠানো হয়েছে। পরিবারের দাবি, পূর্বপরিকল্পিতভাবে তাকে হত্যা করা হয়েছে।
বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন কালকিনি থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা ইসতিয়াক আসফাক রাসেল।
নিহত জহিরুল ইসলাম সরদার কালকিনি উপজেলার পূর্ব এনায়েতনগর ইউনিয়নের মহরদ্দিরচর গ্রামের কাতারপ্রবাসী বারেক সরদারের ছেলে এবং সমিতিরহাট মাধ্যমিক উচ্চ বিদ্যালয়ের দশম শ্রেণির শিক্ষার্থী।
পরিবারের বরাতে ওসি ইসতিয়াক আসফাক রাসেল জানান, জহিরুল ইসলাম সরদার তিন রুমের বাসার একটি রুমে থাকত। প্রতিদিনের মতো গতকাল রাতেও খাবার খেয়ে ঘুমিয়ে পড়ে। সকালে তার কোনো সাড়া-শব্দ না পেয়ে মা কোহিনুর বেগম ডাকাডাকি করেন। ঘরের দরজা ভেঙে ভেতরে কম্বল দিয়ে ঢাকা জহিরুলের মৃতদেহ দেখতে পান। পরে স্থানীয়রা খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে মৃতদেহ উদ্ধার করে। ধারণা করা হচ্ছে, ধারালো অস্ত্র দিয়ে গলা কেটে হত্যা করেছে দুর্বৃত্তরা। পরে মৃতদেহ উদ্ধার করে মাদারীপুর সদর হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে নিহতের মা কোহিনুর বেগম জানান, ‘আমার ছেলেকে পরিকল্পিতভাবে হত্যা করা হয়েছে। আমার স্বামী কাতারপ্রবাসী। আমাদের তেমন কোনো শত্রু নেই। ঘরের তিন রুমের মধ্যে উত্তর কোনার রুমে জহিরুল ঘুমাত। রাতে আমরা কোনো সাড়া-শব্দ পাই নাই। কেন এবং কী কারণে হত্যা করা হয়েছে এখনো বুঝতে পারছি না। আমি হত্যাকারীদের ফাঁসি চাই।’
মাদারীপুরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (অপরাধ ও প্রশাসন) চাইলাউ মাররা বলেন, ‘ঘটনা শোনার পরে ফোর্সসহ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছি। মৃতদেহের সুরতহাল করা হয়েছে। নিহতের পরিবার মামলা দিলে বিষয়টি আমলে নেওয়া হবে। অপরাধী যেই হোক না কেন, তাকে শাস্তি পেতে হবে।’

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
১ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
১ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
২ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
২ ঘণ্টা আগে