মাদারীপুর প্রতিনিধি

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় এক ছাত্রলীগ নেতা ট্যাটাবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে মাদারীপুর শহরের ইউআই সরকারি বিদ্যালয়ের মাঠে এ সংঘর্ষ হয়। মাদারীপুর সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ট্যাটাবিদ্ধ হয়েছেন মাদারীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি তানজুল ইসলাম তায়েব হাওলাদার (২১)। তিনি শহরের কলেজ রোড এলাকার দুলাল হাওলাদারের ছেলে। এ ছাড়া আরও চারজন আহত হয়েছেন। একজনের নাম আশিক হাওলাদার (১৮)। বাকিদের নাম তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।
আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শহরের আমিরাবাদ এলাকার মুন্নার সঙ্গে কলেজ রোড এলাকার তায়েবের বিরোধ চলে আসছিল। ইউআই সরকারি বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবল খেলা শেষে সন্ধ্যায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তায়েব সমর্থকেরা। এ সময় আমিরাবাদ এলাকার মুন্নার নেতৃত্বে তায়েবের লোকজনের ওপর হামলা চালানো হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে মাদারীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি তায়েব হাওলাদার ট্যাটাবিদ্ধসহ আহত হন পাঁচজন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। পরে আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা ট্যাটাবিদ্ধ তায়েব হাওলাদারকে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় এক ছাত্রলীগ নেতাসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

মাদারীপুরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে দুই পক্ষের সংঘর্ষ হয়েছে। এ সময় এক ছাত্রলীগ নেতা ট্যাটাবিদ্ধ হন। এ ঘটনায় আরও কয়েকজন আহত হয়েছেন। গতকাল সোমবার রাত ৮টার দিকে মাদারীপুর শহরের ইউআই সরকারি বিদ্যালয়ের মাঠে এ সংঘর্ষ হয়। মাদারীপুর সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) বিষয়টি নিশ্চিত করেন।
ট্যাটাবিদ্ধ হয়েছেন মাদারীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগের সভাপতি তানজুল ইসলাম তায়েব হাওলাদার (২১)। তিনি শহরের কলেজ রোড এলাকার দুলাল হাওলাদারের ছেলে। এ ছাড়া আরও চারজন আহত হয়েছেন। একজনের নাম আশিক হাওলাদার (১৮)। বাকিদের নাম তাৎক্ষণিক পাওয়া যায়নি।
আহত ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, দীর্ঘদিন ধরে আধিপত্য বিস্তার নিয়ে শহরের আমিরাবাদ এলাকার মুন্নার সঙ্গে কলেজ রোড এলাকার তায়েবের বিরোধ চলে আসছিল। ইউআই সরকারি বিদ্যালয়ের মাঠে ফুটবল খেলা শেষে সন্ধ্যায় বিশ্রাম নিচ্ছিলেন তায়েব সমর্থকেরা। এ সময় আমিরাবাদ এলাকার মুন্নার নেতৃত্বে তায়েবের লোকজনের ওপর হামলা চালানো হয়। এ খবর ছড়িয়ে পড়লে দুই পক্ষের লোকজন দেশীয় অস্ত্র নিয়ে সংঘর্ষে জড়িয়ে পড়ে। এতে মাদারীপুর পৌরসভার ১ নম্বর ওয়ার্ড ছাত্রলীগ সভাপতি তায়েব হাওলাদার ট্যাটাবিদ্ধসহ আহত হন পাঁচজন।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, খবর পেয়ে ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে পুলিশ। পরে আহতদের উদ্ধার করে মাদারীপুর ২৫০ শয্যা জেলা হাসপাতালে ভর্তি ও প্রাথমিক চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে। আহতদের মধ্যে ওয়ার্ড ছাত্রলীগ নেতা ট্যাটাবিদ্ধ তায়েব হাওলাদারকে রাতেই উন্নত চিকিৎসার জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
মাদারীপুর সদর মডেল থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. মনিরুজ্জামান বলেন, এ ঘটনায় এক ছাত্রলীগ নেতাসহ কয়েকজন আহত হয়েছেন। দুই পক্ষের সংঘর্ষের খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে আনে। এ ঘটনায় একজনকে আটক করা হয়েছে। এলাকায় উত্তেজনা থাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েন করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে