লক্ষ্মীপুর প্রতিনিধি

লক্ষ্মীপুরে খেতে কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে সদরের কুশাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ওই কৃষকের নাম—সুজন মিয়া (৬০)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, প্রতিদিনের মতো আজ (রোববার) বিকেলে কৃষক সুজন মিয়া সয়াবিন তুলতে খেতে যাওয়ার বাড়ি থেকে বের হন। এ জমিতে পৌঁছানোর একপর্যায়ে বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। পরে খেতেই বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয় সুজন মিয়ার। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে ওসি এমদাদুল হক বলেন, ‘এটি একটি দুর্ঘটনা। এই কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়া কৃষক সুজন মিয়ার লাশ দাফন করতে কোনো সমস্যা নাই। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

লক্ষ্মীপুরে খেতে কাজ করতে গিয়ে বজ্রপাতে এক কৃষকের হয়েছে। আজ রোববার বিকেলে সদরের কুশাখালী এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
ওই কৃষকের নাম—সুজন মিয়া (৬০)। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন চন্দ্রগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মো. এমদাদুল হক।
পুলিশ ও স্থানীয়রা বলছে, প্রতিদিনের মতো আজ (রোববার) বিকেলে কৃষক সুজন মিয়া সয়াবিন তুলতে খেতে যাওয়ার বাড়ি থেকে বের হন। এ জমিতে পৌঁছানোর একপর্যায়ে বৃষ্টি ও বজ্রপাত শুরু হয়। পরে খেতেই বজ্রাঘাতে মৃত্যু হয় সুজন মিয়ার। পরে স্বজন ও স্থানীয়রা তাঁকে উদ্ধার করে।
এ বিষয়ে ওসি এমদাদুল হক বলেন, ‘এটি একটি দুর্ঘটনা। এই কারণে ময়নাতদন্ত ছাড়া কৃষক সুজন মিয়ার লাশ দাফন করতে কোনো সমস্যা নাই। মরদেহ পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়েছে।’

দারিদ্র্য যেখানে নিত্যসঙ্গী, সেখানে নতুন ফসল হয়ে উঠেছে মুক্তির পথ। বাগেরহাটের ফকিরহাট উপজেলার হাজেরা বেগম (৪৫) ব্রকলি চাষ করে প্রমাণ করেছেন—সঠিক পরামর্শ ও সহায়তা পেলে গ্রামীণ নারীরাও লাভজনক কৃষিতে সফল হতে পারেন।
২ ঘণ্টা আগে
গাইবান্ধার গোবিন্দগঞ্জ উপজেলার তালুককানুপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান মাসুদ আলম মণ্ডল দীর্ঘদিন ধরে পরিষদে অনুপস্থিত থাকায় চরম ভোগান্তিতে পড়েছেন ইউনিয়নের সাধারণ মানুষ। জন্মনিবন্ধন, নাগরিক সনদসহ নিত্যপ্রয়োজনীয় সেবা নিতে এসে দিনের পর দিন ঘুরে ফিরছেন সেবাপ্রত্যাশীরা।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের গোপালপুর উপজেলার ঝিনাই নদের ওপর ১৭ কোটি টাকা বরাদ্দে নবনির্মিত পিসি গার্ডার সেতুটি যানবাহন পারাপারে কাজে আসছে না। সেতুর উভয় পাড়ে সংযোগ সড়ক পাকা না করে কাজ ফেলে রেখেছে ঠিকাদারি প্রতিষ্ঠান। এ ছাড়া সেতুর উভয় অংশে ১২০ মিটার নালা ও নদীভাঙন থেকে রক্ষায় ব্লক স্থাপন করা হয়নি। এতে সড়কটি দিয়ে প্রতি
২ ঘণ্টা আগে
বাংলাদেশের ওষুধশিল্প বর্তমানে গভীর সংকটের মুখে। গুটিকয়েক বড় প্রতিষ্ঠানের বাইরে দেশের প্রায় ৬০ শতাংশ ওষুধ কোম্পানি রুগ্ণ অবস্থায় রয়েছে। এর মধ্যে প্রায় ৪০ শতাংশ ইতিমধ্যে বন্ধ হয়ে গেছে বা বন্ধ হওয়ার পথে। নীতিসহায়তা ও বাস্তবভিত্তিক সিদ্ধান্ত না এলে দেশের ওষুধে স্বয়ংসম্পূর্ণতা মারাত্মক ঝুঁকিতে পড়বে বলে
২ ঘণ্টা আগে