খোকসা (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

থানা থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেই অভিযোগকারী ভাবি ও তাঁর ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েকে নূর আমিন তৃতীয় দফায় পিটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার সকালে কুষ্টিয়ার খোকসার শোমসপুর ইউনিয়নের মাসালিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
আহত গৃহবধূ বিলকিস (৩২) ও ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে জুবায়ারকে (১২) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের ওপর তৃতীয় দফায় হামলার অভিযুক্ত হলেন গৃহবধূর দেবর নূর আমিন। এর আগে প্রথমবার নির্যাতনের ঘটনায় নূর আমিনের নামে থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল।
আহত গৃহবধূ চিকিৎসাধীন অবস্থায় জানান, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বুধবার সকাল থেকে দেবর নূর আমিন ওই তাঁকে দফায় দফায় বেধড়ক মারপিট করেন। এ ঘটনায় তিনি খোকসা থানায় অভিযোগ করেন। পর দিন থানা-পুলিশ তাঁর দেবর নূর আমিনকে আটক করে। বৃহস্পতিবার থানায় বসে সালিসের পর দেবর নূর আমিন ছাড়া পান। পরে বাড়ি ফিরে ভ্যান থেকে নেমেই গৃহবধূর ওপর দ্বিতীয় দফায় আবার হামলা চালায় দেবর নূর আমিন। শনিবার সকালে আবারও গৃহবধূ বিলকিস এবং তাঁর ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের ওপর তৃতীয় দফায় হামলা চালায় দেবর ও তাঁর লোকেরা। পরে স্থানীয়রা গৃহবধূ ও তাঁর মেয়েকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী নূর আলী জানান, তিনি ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের ওপর ভাই নূর আমিন দফায় দফায় হামলা করেছে। তাঁর স্ত্রী থানায় অভিযোগ দিয়ে প্রতিকারের বদলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় মারা খেয়েছে। তবুও তিনি থানার পুলিশের ওপর ভরসা রেখে আবার মামলা করতে চান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নূর আমিনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।
গৃহবধূর কাছ থেকে প্রথম অভিযোগ নেওয়া পুলিশের সহকারী পরিদর্শক (এস আই) আজিজ বলেন, ‘দুই পক্ষ সমাধান করে বাড়ি গিয়ে আবার মারামারি করেছে বলে জেনেছি। আহত গৃহবধূর পক্ষ থানায় এসেছিল। মামলা দিলে তদন্ত সাপেক্ষে মামলা নেওয়া হবে।’

থানা থেকে ছাড়া পেয়ে বাড়ি ফিরেই অভিযোগকারী ভাবি ও তাঁর ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়েকে নূর আমিন তৃতীয় দফায় পিটিয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। আজ শনিবার সকালে কুষ্টিয়ার খোকসার শোমসপুর ইউনিয়নের মাসালিয়া গ্রামে এই ঘটনা ঘটেছে।
আহত গৃহবধূ বিলকিস (৩২) ও ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ে জুবায়ারকে (১২) উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করা হয়েছে। তাঁদের ওপর তৃতীয় দফায় হামলার অভিযুক্ত হলেন গৃহবধূর দেবর নূর আমিন। এর আগে প্রথমবার নির্যাতনের ঘটনায় নূর আমিনের নামে থানায় অভিযোগ করা হয়েছিল।
আহত গৃহবধূ চিকিৎসাধীন অবস্থায় জানান, পারিবারিক বিরোধের জের ধরে বুধবার সকাল থেকে দেবর নূর আমিন ওই তাঁকে দফায় দফায় বেধড়ক মারপিট করেন। এ ঘটনায় তিনি খোকসা থানায় অভিযোগ করেন। পর দিন থানা-পুলিশ তাঁর দেবর নূর আমিনকে আটক করে। বৃহস্পতিবার থানায় বসে সালিসের পর দেবর নূর আমিন ছাড়া পান। পরে বাড়ি ফিরে ভ্যান থেকে নেমেই গৃহবধূর ওপর দ্বিতীয় দফায় আবার হামলা চালায় দেবর নূর আমিন। শনিবার সকালে আবারও গৃহবধূ বিলকিস এবং তাঁর ৬ষ্ঠ শ্রেণিতে পড়ুয়া মেয়ের ওপর তৃতীয় দফায় হামলা চালায় দেবর ও তাঁর লোকেরা। পরে স্থানীয়রা গৃহবধূ ও তাঁর মেয়েকে আহত অবস্থায় উদ্ধার করে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করে।
ভুক্তভোগী গৃহবধূর স্বামী নূর আলী জানান, তিনি ঢাকার একটি প্রতিষ্ঠানে চাকরি করেন। তাঁর স্ত্রী ও মেয়ের ওপর ভাই নূর আমিন দফায় দফায় হামলা করেছে। তাঁর স্ত্রী থানায় অভিযোগ দিয়ে প্রতিকারের বদলে দ্বিতীয় ও তৃতীয় দফায় মারা খেয়েছে। তবুও তিনি থানার পুলিশের ওপর ভরসা রেখে আবার মামলা করতে চান।
এ বিষয়ে অভিযুক্ত নূর আমিনের সঙ্গে কথা বলার চেষ্টা করলে তিনি কথা বলতে রাজি হননি।
গৃহবধূর কাছ থেকে প্রথম অভিযোগ নেওয়া পুলিশের সহকারী পরিদর্শক (এস আই) আজিজ বলেন, ‘দুই পক্ষ সমাধান করে বাড়ি গিয়ে আবার মারামারি করেছে বলে জেনেছি। আহত গৃহবধূর পক্ষ থানায় এসেছিল। মামলা দিলে তদন্ত সাপেক্ষে মামলা নেওয়া হবে।’

সাভারের রেডিও কলোনি এলাকা থেকে বাসে ওঠার ১৫ মিনিটের মধ্যেই একা হয়ে পড়েন ২৬ বছর বয়সী গৃহবধূ। তাঁকে বাসের চালকের দুই সহকারী আলতাফ ও সাগর পালাক্রমে ধর্ষণ করেন। সে দৃশ্য ধারণ করা হয় মোবাইল ফোনে।
৪ ঘণ্টা আগে
জাতীয় সংসদ নির্বাচন সামনে রেখে পটুয়াখালী-২ (বাউফল) আসনে রাজনৈতিক উত্তেজনা বাড়ছে। সাম্প্রতিক একটি সংঘর্ষের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিএনপি ও জামায়াতে ইসলামীর কর্মী-সমর্থকদের মধ্যে দফায় দফায় হামলা, ভাঙচুর ও মামলার ঘটনা ঘটেছে।
৪ ঘণ্টা আগে
ওয়ার্ডের মেঝেতে ব্যবহৃত টিস্যু, স্যালাইনের প্যাকেট, ব্যান্ডেজ, তুলা, যত্রতত্র আবর্জনা, অপরিচ্ছন্ন বিছানার চাদর, দেয়ালে থুতু কাশির দাগ, জরাজীর্ণ জানালা-দরজা, মশা-মাছির উপদ্রব, শৌচাগার থেকে ছড়াচ্ছে দুর্গন্ধ। এমন চিত্র পাবনার ঈশ্বরদী উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্স ও ৫০ শয্যা হাসপাতালের।
৫ ঘণ্টা আগে
নেত্রকোনার পাঁচটি সংসদীয় আসনে সব কটিতেই দলীয় প্রার্থী দিয়েছে বিএনপি। শরিকদের জন্য একটি ছাড় দিয়ে চারটি আসনে প্রার্থী দিয়েছে জামায়াত। এবারের নির্বাচনে আওয়ামী লীগ অংশ নিতে পারছে না। ফলে জয়ের ব্যাপারে বেশ আত্মবিশ্বাসী বিএনপি। যদিও একটি আসনে বিএনপির বিদ্রোহী প্রার্থী নিয়ে বিপাকে আছে দলটি।
৫ ঘণ্টা আগে