দৌলতপুর (কুষ্টিয়া) প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যানকে ফুলের মালা পরিয়েছেন থানার ওসি। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলা পরিষদের একটি কক্ষে দৌলতপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান বুলবুল আহমেদের গলায় মালা পরান। যার একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ওসি হাসিমুখে ফুলের মালা পরাচ্ছেন নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে। এ সময় পাশে ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজ চ্যালেঞ্জ ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই এই বিষয়ে বলেন, এ ঘটনায় অনেক কিছু প্রমাণিত হয়। যেহেতু এই উপজেলা নির্বাচনে আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিসুর রহমান কেন্দ্র দখল, এজেন্টদের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া এবং প্রশাসনের নীরব ভূমিকার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেন। সেহেতু অভিযুক্ত প্রার্থী জয়ী হওয়ার পরপরই ওসির এমন কর্মকাণ্ড প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।
এ বিষয়ে পরাজিত প্রার্থী আনিসুর রহমান বলেন, ‘আজ সকালে ছবিটি আমার নজরে আসে। গতকাল রাতে দৌলতপুর থানার ওসি বুলবুল আহমেদকে ফুলের মালা পরিয়ে দিচ্ছেন। তাতে অনেক কিছু প্রমাণিত হয়। বিষয়টিতে খুব অবাক হয়েছি। আমি ছবিটি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আনব।’
একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিজয়ী প্রার্থীকে ফুলের মালা পরানো প্রসঙ্গে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনে যদি কেউ নির্বাচিত হয়ে যান, তাহলে নিরপেক্ষতার আর কী থাকে? আপনি যখন চেয়ারম্যান হয়ে যান, তার সঙ্গে আর নিরপেক্ষতার কী থাকে। তাঁর সঙ্গে তো আমাদের চলতে হবে।’
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল্লাহ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আপনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলুন।’
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘পোশাক পরা অবস্থায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা কোনো অবস্থাতেই একজন নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধির গলায় ফুলের মালা দিতে পারেন না। এটা করলে ওই এলাকায় পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। এটা ঠিক নয়।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) পলাশ কান্তি নাথ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে দেখছি বিষয়টি। সে আসলেই মালা পরিয়েছে নাকি মালা ধরে রেখেছে, এ বিষয়ে কথা বলে আপনাকে জানানো হবে।’ ঘণ্টাখানেক পর একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি আর রিসিভ করেননি।
এ ঘটনায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে কি না জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে জান জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু আনছার।

কুষ্টিয়ার দৌলতপুরে উপজেলা পরিষদ নির্বাচনে বিজয়ী চেয়ারম্যানকে ফুলের মালা পরিয়েছেন থানার ওসি। নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার পর গতকাল মঙ্গলবার রাতে উপজেলা পরিষদের একটি কক্ষে দৌলতপুর থানার ওসি রফিকুল ইসলাম নবনির্বাচিত চেয়ারম্যান বুলবুল আহমেদের গলায় মালা পরান। যার একটি ছবি ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়েছে।
ফেসবুকে ছড়িয়ে পড়া ছবিতে দেখা যায়, ওসি হাসিমুখে ফুলের মালা পরাচ্ছেন নবনির্বাচিত উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যানকে। এ সময় পাশে ছিলেন জেলা ছাত্রলীগের সাধারণ সম্পাদক শেখ হাফিজ চ্যালেঞ্জ ও উপজেলা যুবলীগের সাধারণ সম্পাদক আব্দুল কাদের।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক অনেকেই এই বিষয়ে বলেন, এ ঘটনায় অনেক কিছু প্রমাণিত হয়। যেহেতু এই উপজেলা নির্বাচনে আরেক স্বতন্ত্র প্রার্থী আনিসুর রহমান কেন্দ্র দখল, এজেন্টদের হুমকি ও ভয়ভীতি প্রদর্শনসহ তাঁকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া এবং প্রশাসনের নীরব ভূমিকার অভিযোগ এনে ভোট বর্জন করেন। সেহেতু অভিযুক্ত প্রার্থী জয়ী হওয়ার পরপরই ওসির এমন কর্মকাণ্ড প্রশাসনের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন থেকে যায়।
এ বিষয়ে পরাজিত প্রার্থী আনিসুর রহমান বলেন, ‘আজ সকালে ছবিটি আমার নজরে আসে। গতকাল রাতে দৌলতপুর থানার ওসি বুলবুল আহমেদকে ফুলের মালা পরিয়ে দিচ্ছেন। তাতে অনেক কিছু প্রমাণিত হয়। বিষয়টিতে খুব অবাক হয়েছি। আমি ছবিটি পুলিশের ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তাদের নজরে আনব।’
একজন পুলিশ কর্মকর্তার বিজয়ী প্রার্থীকে ফুলের মালা পরানো প্রসঙ্গে দৌলতপুর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) রফিকুল ইসলাম বলেন, ‘নির্বাচনে যদি কেউ নির্বাচিত হয়ে যান, তাহলে নিরপেক্ষতার আর কী থাকে? আপনি যখন চেয়ারম্যান হয়ে যান, তার সঙ্গে আর নিরপেক্ষতার কী থাকে। তাঁর সঙ্গে তো আমাদের চলতে হবে।’
এ বিষয়ে উপজেলা সহকারী রিটার্নিং কর্মকর্তা ও দৌলতপুর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. ওবায়দুল্লাহ বলেন, ‘এ বিষয়ে আমার কিছু জানা নেই। আপনি সংশ্লিষ্টদের সঙ্গে কথা বলুন।’
তবে নাম প্রকাশ না করার শর্তে পুলিশের একজন ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তা বলেন, ‘পোশাক পরা অবস্থায় একজন পুলিশ কর্মকর্তা কোনো অবস্থাতেই একজন নবনির্বাচিত জনপ্রতিনিধির গলায় ফুলের মালা দিতে পারেন না। এটা করলে ওই এলাকায় পুলিশের নিরপেক্ষতা নিয়ে প্রশ্ন ওঠা স্বাভাবিক। এটা ঠিক নয়।’
এ বিষয়ে জানতে চাইলে কুষ্টিয়ার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (ক্রাইম অ্যান্ড অবস) পলাশ কান্তি নাথ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘খোঁজ নিয়ে দেখছি বিষয়টি। সে আসলেই মালা পরিয়েছে নাকি মালা ধরে রেখেছে, এ বিষয়ে কথা বলে আপনাকে জানানো হবে।’ ঘণ্টাখানেক পর একাধিকবার ফোন দিলেও তিনি আর রিসিভ করেননি।
এ ঘটনায় নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘন হয়েছে কি না জানতে চাইলে বিষয়টি এড়িয়ে জান জেলা নির্বাচন কর্মকর্তা আবু আনছার।

চট্টগ্রাম নগরের চান্দগাঁও এলাকায় পারিবারিক বিরোধের জেরে স্বামীর ছুরিকাঘাতে সালমা আক্তার (৩৮) নামের এক গৃহবধূ নিহত হয়েছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। ঘটনার পর স্থানীয় বাসিন্দারা অভিযুক্ত স্বামীকে ধরে গণপিটুনি দিয়ে পুলিশের হাতে তুলে দেন।
৩ মিনিট আগে
নির্বাচনকালীন দায়িত্ব প্রসঙ্গে স্বরাষ্ট্র উপদেষ্টা বলেন, জনগণের আস্থা অর্জন ছাড়া কেবল শক্তি প্রয়োগ করে শান্তি প্রতিষ্ঠা সম্ভব নয়। আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন অবাধ, সুষ্ঠু ও নিরপেক্ষভাবে সম্পন্ন করতে পুলিশ বাহিনী সম্পূর্ণ প্রস্তুত রয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নিহত আমেনা বেগমের বড় ভাই মোহাম্মদ ফোরকান বলেন, ‘বিয়ের সময় যৌতুক ও নগদ ২ লাখ ৬০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছিল। এরপরও বিভিন্ন সময়ে টাকা দাবি করে নির্যাতন চালানো হয়েছে। এখন আমার বোনকে বিষ খাইয়ে হত্যা করা হয়েছে। আমরা এর দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি চাই।’
১ ঘণ্টা আগে
পুলিশ জানায়, হামলার অভিযোগ এনে জামায়াতের যুব বিভাগের চরশাহী ইউনিয়নের ৪ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি হেজবুল্লাহ সোহেল বাদী হয়ে ১৭০ জনের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। এতে ১০ জনের নাম উল্লেখ ও অজ্ঞাত ১৬০ জনকে আসামি করা হয়।
২ ঘণ্টা আগে