কুষ্টিয়া প্রতিনিধি

কুষ্টিয়ায় কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে কুষ্টিয়া–ঝিনাইদহ মহাসড়কের সাদ্দাম বাজার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন–শহরের টালিপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে আবু সাঈদ বাদশা (৫০) ও সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর শালদাহ এলাকার আব্দুল হাই খানের ছেলে ওয়াহেদ ইউসুফ খান ওরফে লিটন (৪৫)।
এর মধ্যে ঘটনাস্থলে বাদশার মৃত্যু হলেও আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিটনের মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাতিজা নাব্বির আল নাফিজ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে মোটরসাইকেলে করে দুই বন্ধু মজমপুর গেট থেকে কুষ্টিয়া–ঝিনাইদহ মহাসড়ক ধরে সাদ্দাম বাজার মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর একটু আগে বিপরীত দিক থেকে আসা ওষুধ কোম্পানির কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে গুরুতর আহত দুজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বাদশাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই লিটনকে ঢাকায় রেফার করেন। নিহত আবু সাঈদ বাদশা পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং ওয়াহেদ ইউসুফ খান ওরফে লিটন সংবাদপত্রে কাজ করতেন।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. সোহেল রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আরেকজন ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি। তবে কাভার্ডভ্যানের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।’

কুষ্টিয়ায় কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে সংঘর্ষে মোটরসাইকেল আরোহী দুই বন্ধু নিহত হয়েছেন। গতকাল বুধবার দিবাগত রাতে কুষ্টিয়া–ঝিনাইদহ মহাসড়কের সাদ্দাম বাজার মোড় এলাকায় এ ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন–শহরের টালিপাড়া এলাকার মৃত আব্দুল কাদেরের ছেলে আবু সাঈদ বাদশা (৫০) ও সদর উপজেলার হাটশ হরিপুর ইউনিয়নের হরিপুর শালদাহ এলাকার আব্দুল হাই খানের ছেলে ওয়াহেদ ইউসুফ খান ওরফে লিটন (৪৫)।
এর মধ্যে ঘটনাস্থলে বাদশার মৃত্যু হলেও আজ বৃহস্পতিবার বেলা ৩টার দিকে ঢাকা ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্সেস ও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় লিটনের মৃত্যু হয়।
নিহতের ভাতিজা নাব্বির আল নাফিজ মৃত্যুর বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
পুলিশ ও নিহতের পরিবার সূত্রে জানা গেছে, বুধবার রাতে মোটরসাইকেলে করে দুই বন্ধু মজমপুর গেট থেকে কুষ্টিয়া–ঝিনাইদহ মহাসড়ক ধরে সাদ্দাম বাজার মোড়ের দিকে যাচ্ছিলেন। গন্তব্যস্থলে পৌঁছানোর একটু আগে বিপরীত দিক থেকে আসা ওষুধ কোম্পানির কাভার্ডভ্যানের সঙ্গে তাদের মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়।
এতে গুরুতর আহত দুজনকে স্থানীয়রা উদ্ধার করে কুষ্টিয়া ২৫০ শয্যা জেনারেল হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক বাদশাকে মৃত ঘোষণা করেন এবং উন্নত চিকিৎসার জন্য রাতেই লিটনকে ঢাকায় রেফার করেন। নিহত আবু সাঈদ বাদশা পেশায় একজন ব্যবসায়ী এবং ওয়াহেদ ইউসুফ খান ওরফে লিটন সংবাদপত্রে কাজ করতেন।
কুষ্টিয়া মডেল থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শেখ মো. সোহেল রানা আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘সড়ক দুর্ঘটনায় একজন ঘটনাস্থলেই মারা যান। আরেকজন ঢাকায় চিকিৎসাধীন অবস্থায় মারা গেছেন বলে জানতে পেরেছি। তবে কাভার্ডভ্যানের কাউকে আটক করা সম্ভব হয়নি।’

ভুক্তভোগী সোহান বলেন, ‘তিন বছরের ভিসায় কিরগিজস্তানে মাসিক ৫০ হাজার টাকা বেতনে টেক্সটাইল কারখানায় চাকরির কথা বলা হয়েছিল। কিন্তু আমাকে দেওয়া হয় মাত্র দুই মাসের ভিসা। বিদেশে পৌঁছানোর পর কাগজপত্র নিয়ে আমাকে একটি ঘরে আটকে রেখে নির্যাতন করা হয়। বাধ্য হয়ে আরও টাকা দিলে রাস্তায় ছেড়ে দেয়। পরে দেশে ফিরে আসি।’
২৭ মিনিট আগে
কিশোরগঞ্জের বাজিতপুর উপজেলায় ১১১টি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের মধ্যে ৫৭টিতেই প্রধান শিক্ষক নেই। এ ছাড়া সহকারী শিক্ষকের ৭৪টি এবং দপ্তরি কাম নৈশপ্রহরীর ২৪টি পদও শূন্য রয়েছে। প্রধান শিক্ষক না থাকায় সংশ্লিষ্ট বিদ্যালয়গুলোতে একজন সহকারী শিক্ষককে ভারপ্রাপ্ত প্রধান শিক্ষক হিসেবে দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে।
১ ঘণ্টা আগে
নোয়াখালীর কবিরহাট উপজেলার নরোত্তমপুর ইউনিয়নে মিজানুর রহমান ওরফে কানা মিজান (৩৬) নামের এক যুবক গণপিটুনিতে নিহত হয়েছেন। নিহত যুবক আন্তজেলা ডাকাত দলের সদস্য ও তাঁর বিরুদ্ধে ছয়টি মামলা রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ। নিহত ব্যক্তির কাছ থেকে একটি খেলনা পিস্তল ও একটি চাকু উদ্ধার করা হয়েছে।
২ ঘণ্টা আগে
টাঙ্গাইলের বাসাইলে মোটরসাইকেল দুর্ঘটনায় চালক ও পথচারী নিহত হয়েছেন। এই ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও দুজন। শনিবার (১৭ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় বাসাইল-টাঙ্গাইল সড়কের বাসাইল এমদাদ হামিদা ডিগ্রি কলেজের সামনে এই দুর্ঘটনা ঘটে।
৪ ঘণ্টা আগে