কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

‘রবিবার সকালে বাড়ি থাইকা বের হইছিল। সরাদিন কোনো খোঁজ পাই নাই। রাইতে মাইকিং করছি। কিন্তু আইজ সকালে খবর পাইয়া আইসা দেখি মানুষটা মইরা পইরা আছে। মাইনষে মারছে গো, আমাগো অহন কী হইবো!’ স্বামীর মৃতদেহের অদূরে বসে এভাবেই ডুকরে কাঁদছেন হালিমা। সঙ্গে তাঁর অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে হাবিবুল্লাহ।
আজ সোমবার সকালে কুড়িগ্রাম শহরের ধরলা সেতুর পূর্ব প্রান্তে ঢোলকলমি ঝাড়ে মুদি ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমানের (৪০) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জিয়াউর রহমানের বাড়ি জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার খামার আন্ধারীরঝাড় গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত বাহাদুর মণ্ডলের ছেলে।
সরেজমিনে জানা যায়, আন্ধারীরঝাড় বাজারের মুদির দোকান রয়েছে তার। গতকাল রোববার সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন জিয়াউর রহমান। পরে সোমবার সকালে নিজ এলাকা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ধরলা নদীর পাড়ে তাঁর মরদেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করছে।
এদিকে, স্বামীর মরদেহ উদ্ধারের খবরে জিয়াউরের স্ত্রী হালিমা ছেলেকে নিয়ে ছুটে আসেন ধরলা পাড়ে। স্বামীর এমন পরিণতি কিছুতেই মানতে পারছেন না তিনি। ডুকরে কেঁদে নিকট অতীতের স্মৃতি আওড়াচ্ছিলেন। পাশে বসেই কাঁদছেন তার ছেলে ও পরিবারের অন্য সদস্যরা।
নিহতের স্ত্রী হালিমা বলেন, গত এক বছর থেকে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন জিয়াউর। কবিরাজি চিকিৎসা করে কিছুটা সুস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু গত কয়েক দিন থেকে কিসের যেন দুশ্চিন্তা করছিলেন তিনি। কিছুটা অস্থিরতাও ছিল। তবে কারও সঙ্গে কোনো শত্রুতা কিংবা ঋণগ্রস্ত ছিলেন না। কে, কেন এভাবে তাঁর স্বামীকে হত্যা করেছে তা জানেন না হালিমা ও তার পরিবারের সদস্যরা।
পুলিশ বলছে, জিয়াউরের কপালে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ পরে থাকার স্থানে জমাট বাধা রক্ত। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, কেউ তাকে ধরলা পাড়ে নিয়ে এসে মাথায় আঘাত করে ফেলে গেছে। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহের পর সোমবার দুপুরে জিয়াউরের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সদর থানা-পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মর্তুজা বলেন, ‘আলামত সংগ্রহ ও সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পাশাপাশি আমরা জিয়াউরের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

‘রবিবার সকালে বাড়ি থাইকা বের হইছিল। সরাদিন কোনো খোঁজ পাই নাই। রাইতে মাইকিং করছি। কিন্তু আইজ সকালে খবর পাইয়া আইসা দেখি মানুষটা মইরা পইরা আছে। মাইনষে মারছে গো, আমাগো অহন কী হইবো!’ স্বামীর মৃতদেহের অদূরে বসে এভাবেই ডুকরে কাঁদছেন হালিমা। সঙ্গে তাঁর অষ্টম শ্রেণি পড়ুয়া ছেলে হাবিবুল্লাহ।
আজ সোমবার সকালে কুড়িগ্রাম শহরের ধরলা সেতুর পূর্ব প্রান্তে ঢোলকলমি ঝাড়ে মুদি ব্যবসায়ী জিয়াউর রহমানের (৪০) রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
জিয়াউর রহমানের বাড়ি জেলার ভূরুঙ্গামারী উপজেলার খামার আন্ধারীরঝাড় গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের মৃত বাহাদুর মণ্ডলের ছেলে।
সরেজমিনে জানা যায়, আন্ধারীরঝাড় বাজারের মুদির দোকান রয়েছে তার। গতকাল রোববার সকালে বাড়ি থেকে বের হওয়ার পর নিখোঁজ হন জিয়াউর রহমান। পরে সোমবার সকালে নিজ এলাকা থেকে প্রায় ৩০ কিলোমিটার দূরে ধরলা নদীর পাড়ে তাঁর মরদেহ উদ্ধার হয়। খবর পেয়ে পুলিশের অপরাধ তদন্ত বিভাগের (সিআইডি) একটি দল ঘটনাস্থল পরিদর্শন করে আলামত সংগ্রহ করছে।
এদিকে, স্বামীর মরদেহ উদ্ধারের খবরে জিয়াউরের স্ত্রী হালিমা ছেলেকে নিয়ে ছুটে আসেন ধরলা পাড়ে। স্বামীর এমন পরিণতি কিছুতেই মানতে পারছেন না তিনি। ডুকরে কেঁদে নিকট অতীতের স্মৃতি আওড়াচ্ছিলেন। পাশে বসেই কাঁদছেন তার ছেলে ও পরিবারের অন্য সদস্যরা।
নিহতের স্ত্রী হালিমা বলেন, গত এক বছর থেকে মানসিকভাবে অসুস্থ ছিলেন জিয়াউর। কবিরাজি চিকিৎসা করে কিছুটা সুস্থ হয়েছিলেন। কিন্তু গত কয়েক দিন থেকে কিসের যেন দুশ্চিন্তা করছিলেন তিনি। কিছুটা অস্থিরতাও ছিল। তবে কারও সঙ্গে কোনো শত্রুতা কিংবা ঋণগ্রস্ত ছিলেন না। কে, কেন এভাবে তাঁর স্বামীকে হত্যা করেছে তা জানেন না হালিমা ও তার পরিবারের সদস্যরা।
পুলিশ বলছে, জিয়াউরের কপালে আঘাতের চিহ্ন পাওয়া গেছে। মরদেহ পরে থাকার স্থানে জমাট বাধা রক্ত। প্রাথমিক ধারণা করা হচ্ছে, কেউ তাকে ধরলা পাড়ে নিয়ে এসে মাথায় আঘাত করে ফেলে গেছে। সিআইডির ক্রাইম সিন ইউনিট আলামত সংগ্রহের পর সোমবার দুপুরে জিয়াউরের মরদেহ মর্গে পাঠানো হয়েছে।
ঘটনাস্থলে উপস্থিত সদর থানা-পুলিশের পরিদর্শক (তদন্ত) গোলাম মর্তুজা বলেন, ‘আলামত সংগ্রহ ও সুরতহাল প্রতিবেদন তৈরির পাশাপাশি আমরা জিয়াউরের মৃত্যুর কারণ অনুসন্ধান করছি। বিষয়টি তদন্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।’

পাশাপাশি দুটি জনগোষ্ঠীর বসবাস। দূরত্ব বলতে সর্বোচ্চ ২০০ মিটার হবে। মাঝখানে বয়ে চলা ছোট একটি ছড়া, যা পৃথক করেছে চা-শ্রমিক ও খাসিয়া জনগোষ্ঠীর আবাসস্থলকে। কাছাকাছি এলাকায় বসবাস হলেও মৌলভীবাজারের কমলগঞ্জ উপজেলার ডবলছড়া খাসিয়াপুঞ্জি ও ডবলছড়া বা সুনছড়া চা-বাগানের শ্রমিকদের জীবনমানে ব্যাপক ফারাক।
৩০ মিনিট আগে
ঘূর্ণিঝড় ও জলোচ্ছ্বাসে প্রতিবছর সুন্দরবনে অনেক বন্য প্রাণী মারা যায়। এসব প্রাকৃতিক দুর্যোগে বন্য প্রাণীদের নিরাপদে রাখতে বানানো হয়েছে সাতটি টাইগার টিলা (উঁচু কিল্লা)। বাঘ সংরক্ষণ প্রকল্পের আওতায় এসব বানানো হয়েছে। এ ছাড়া টিলার পাশে বন্য প্রাণীদের সুপেয় পানি সরবরাহে খনন করা হয়েছে মিষ্টি পানির পুকুর।
৩৪ মিনিট আগে
দীর্ঘ ২৮ বছরের অচলাবস্থা কাটিয়ে ২০ জানুয়ারিতে হতে যাওয়া শাহজালাল বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদ (শাকসু) ও হল সংসদ নির্বাচন নিয়ে যেন শঙ্কা কাটছে না। নির্বাচনে দুবার তফসিল ঘোষণা, নির্বাচন কমিশন কর্তৃক স্থগিত করা শেষে এখন ভোট গ্রহণ নিয়ে শঙ্কা দেখা দিয়েছে।
৩৭ মিনিট আগে
সেন্ট মার্টিনের পরিবেশ-প্রতিবেশ রক্ষায় গত বছর থেকে সরকার পর্যটক নিয়ন্ত্রণে পদক্ষেপ নেয়। পর্যটক সীমিত করার পাশাপাশি দ্বীপে নিষিদ্ধ পলিথিন ও একবার ব্যবহার্য প্লাস্টিক পণ্য বহন রোধ করাসহ ভ্রমণে ১২টি নির্দেশনা বা শর্ত আরোপ করে।
৪০ মিনিট আগে