কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

মধ্যরাতে সাংবাদিককে তুলে নিয়ে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টা মামলায় কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি কুড়িগ্রাম কারাগার থেকে মুক্তি পান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কারাগারের জেলার এ জি মাহমুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুলতানা পারভীন কুড়িগ্রাম কারাগার থেকে বের হয়ে যান।’
তথ্যমতে, গত ৩ আগস্ট এই মামলায় ডিসি সুলতানা পারভীন উচ্চ আদালতে আগাম জামিন আবেদন করেন। উচ্চ আদালত তাঁকে জামিন না দিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।
পরে ২ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রাম আদালত আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দ্রুততার সঙ্গে উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করেন। গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) উচ্চ আদালত আসামির ছয় মাসের জামিন মঞ্জুর করেন। ১০ দিন করাভোগের পর বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রাম কারাগারে জামিন আদেশের কপি পৌঁছালে সন্ধ্যায় কারামুক্ত হন সাবেক এই ডিসি।
উল্লেখ্য, কুড়িগ্রাম শহরের একটি সরকারি পুকুর সংস্কার করে ডিসির নামে (সুলতানা সরোবর) নামকরণ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে ২০২০ সালের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে সাংবাদিক আরিফকে তুলে নিয়ে যান জেলা প্রশাসনের তিন ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
তাঁকে ক্রসফায়ারে দেওয়ার উদ্দেশ্যে শহরের পূর্বে ধরলা নদীর তীরে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে এনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে বিবস্ত্র করে পেটানো হয়। এরপর মাদক রাখার অভিযোগ দেখিয়ে মধ্যরাতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এক বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
এ নিয়ে সারা দেশে প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ শুরু হলে এক দিন পর সাংবাদিক আরিফকে জামিন দেন জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
জামিনে মুক্তির পর কুড়িগ্রাম সদর থানায় তৎকালীন ডিসি সুলতানা পারভীন ও তিন ম্যাজিস্ট্রেটসহ অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জনকে আসামি করে এজাহার দায়ের করেন ভুক্তভোগী। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০২০ সালের ৩১ মার্চ এজাহারটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করে কুড়িগ্রাম সদর থানা-পুলিশ।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে। চার্জশিটে সাবেক ডিসি সুলতানা পারভীন, তৎকালীন আরডিসি নাজিম উদ্দিন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা ও এস এম রাহাতুল ইসলামকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

মধ্যরাতে সাংবাদিককে তুলে নিয়ে নির্যাতন ও হত্যাচেষ্টা মামলায় কুড়িগ্রামের সাবেক জেলা প্রশাসক (ডিসি) সুলতানা পারভীন জামিনে মুক্তি পেয়েছেন। আজ বৃহস্পতিবার সন্ধ্যায় তিনি কুড়িগ্রাম কারাগার থেকে মুক্তি পান।
বিষয়টি নিশ্চিত করে কারাগারের জেলার এ জি মাহমুদ আজকের পত্রিকাকে বলেন, ‘বৃহস্পতিবার সন্ধ্যা ৬টার দিকে সুলতানা পারভীন কুড়িগ্রাম কারাগার থেকে বের হয়ে যান।’
তথ্যমতে, গত ৩ আগস্ট এই মামলায় ডিসি সুলতানা পারভীন উচ্চ আদালতে আগাম জামিন আবেদন করেন। উচ্চ আদালত তাঁকে জামিন না দিয়ে চার সপ্তাহের মধ্যে কুড়িগ্রাম জেলা জজ আদালতে আত্মসমর্পণের নির্দেশ দেন।
পরে ২ সেপ্টেম্বর কুড়িগ্রাম আদালত আদালতে হাজির হয়ে জামিন আবেদন করেন। আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর আদেশ দেন।
এরপর আসামিপক্ষের আইনজীবীরা দ্রুততার সঙ্গে উচ্চ আদালতে জামিন আবেদন করেন। গত মঙ্গলবার (৯ সেপ্টেম্বর) উচ্চ আদালত আসামির ছয় মাসের জামিন মঞ্জুর করেন। ১০ দিন করাভোগের পর বৃহস্পতিবার কুড়িগ্রাম কারাগারে জামিন আদেশের কপি পৌঁছালে সন্ধ্যায় কারামুক্ত হন সাবেক এই ডিসি।
উল্লেখ্য, কুড়িগ্রাম শহরের একটি সরকারি পুকুর সংস্কার করে ডিসির নামে (সুলতানা সরোবর) নামকরণ নিয়ে সংবাদ প্রকাশের জেরে ২০২০ সালের ১৩ মার্চ মধ্যরাতে সাংবাদিক আরিফকে তুলে নিয়ে যান জেলা প্রশাসনের তিন ম্যাজিস্ট্রেটসহ আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যরা।
তাঁকে ক্রসফায়ারে দেওয়ার উদ্দেশ্যে শহরের পূর্বে ধরলা নদীর তীরে নেওয়া হয়। পরে সেখান থেকে এনে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে নিয়ে বিবস্ত্র করে পেটানো হয়। এরপর মাদক রাখার অভিযোগ দেখিয়ে মধ্যরাতেই ভ্রাম্যমাণ আদালত বসিয়ে এক বছরের কারাদণ্ড এবং ৫০ হাজার টাকা জরিমানা, অনাদায়ে আরও ১৫ দিনের কারাদণ্ডের আদেশ দেওয়া হয়।
এ নিয়ে সারা দেশে প্রতিক্রিয়া ও প্রতিবাদ শুরু হলে এক দিন পর সাংবাদিক আরিফকে জামিন দেন জেলা প্রশাসনের অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিস্ট্রেট আদালত।
জামিনে মুক্তির পর কুড়িগ্রাম সদর থানায় তৎকালীন ডিসি সুলতানা পারভীন ও তিন ম্যাজিস্ট্রেটসহ অজ্ঞাত ৩০-৩৫ জনকে আসামি করে এজাহার দায়ের করেন ভুক্তভোগী। পরে হাইকোর্টের নির্দেশে ২০২০ সালের ৩১ মার্চ এজাহারটি মামলা হিসেবে রেকর্ড করে কুড়িগ্রাম সদর থানা-পুলিশ।
পুলিশ ব্যুরো অব ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) মামলাটি তদন্ত করে ঘটনার দীর্ঘ পাঁচ বছর পর আদালতে চার্জশিট দাখিল করেছে। চার্জশিটে সাবেক ডিসি সুলতানা পারভীন, তৎকালীন আরডিসি নাজিম উদ্দিন, নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট রিন্টু বিকাশ চাকমা ও এস এম রাহাতুল ইসলামকে অভিযুক্ত করা হয়েছে।

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ফরিদপুরের চারটি আসনের প্রার্থীদের মধ্যে চারজন কোটিপতি। তাঁরা হচ্ছেন স্বতন্ত্র আবুল বাসার খান, জামায়াতের ড. ইলিয়াস মোল্যা, বিএনপির শামা ওবায়েদ ইসলাম এবং বাংলাদেশ খেলাফত মজলিসের প্রার্থী মো. মিজানুর রহমান মোল্যা। এর মধ্যে প্রথম দুজন ফরিদপুর-১ আসনে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছেন।
৫ ঘণ্টা আগে
কার্যক্রম নিষিদ্ধ থাকায় এবার জাতীয় সংসদ নির্বাচনে অংশ নিতে না পারা আওয়ামী লীগের নেতা-কর্মীরা বান্দরবানে জামায়াতের জয় ঠেকাতে বিএনপিকে সমর্থন দিতে পারে। বিএনপি এবার পাশে পাচ্ছে পার্বত্য চট্টগ্রাম জনসংহতি সমিতিকেও (জেএসএস)।
৫ ঘণ্টা আগে
৭০ বছর বয়সী জাবেরুন নেছা। রাজমিস্ত্রির সহকারী হিসেবে কাজ করে সারা জীবনের অর্জিত অর্থ দিয়ে নিজের নামে এক কাঠা ও ছেলের নামে দুই কাঠা জমি কিনেছিলেন। ১৭ বছর আগে কেনা সেই জমি এখন হাতছাড়া হওয়ার পথে।
৬ ঘণ্টা আগে
বগুড়া সরকারি আজিজুল হক কলেজ গেটসংলগ্ন রেললাইন এখন কার্যত রেলওয়ের নিয়ন্ত্রণে নেই। সরকারি বিধি, রেলওয়ে আইন ও শিক্ষার্থীদের নিরাপত্তাকে উপেক্ষা করে রেললাইনের গা ঘেঁষে গড়ে উঠেছে স্থায়ী ও অস্থায়ী অসংখ্য দোকান। এমনকি পরিত্যক্ত রেললাইনের ওপর দোকানঘর নির্মাণ করে নিয়মিত ভাড়া আদায় করা হচ্ছে।
৬ ঘণ্টা আগে