কুড়িগ্রাম প্রতিনিধি

ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্প স্থায়ীকরণ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাতের দাবিতে কুড়িগ্রামে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল সার্ভিস পরিষদের কুড়িগ্রাম জেলা শাখা এই কর্মসূচি পালন করে।
আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে কুড়িগ্রাম শহরের শাপলা চত্বরে জিরো পয়েন্ট কুড়িগ্রাম-চিলমারী-ভূরুঙ্গামারী সড়ক অবরোধ করে প্রায় ৫ ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনের সদস্যরা।
ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্পের এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কুড়িগ্রামের ৯ উপজেলার কয়েক হাজার সদস্য অংশগ্রহণ করেন। শহরের কেন্দ্রস্থলে সড়কের ওপর কর্মসূচি পালনের যান চলাচল বিঘ্নিত হয়ে জনদুর্ভোগ তৈরি হয়। চরম ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহার ছিল—ঘরে ঘরে চাকরি দেবেন। কিন্তু ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্পের মাধ্যমে দুই বছর মেয়াদি চাকরির পর তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে এ প্রকল্পের কুড়িগ্রামের প্রায় ৩৮ হাজার শিক্ষিত মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন। এ প্রকল্পের স্থায়ীকরণের দাবি জানান তাঁরা।
সংগঠনটির কুড়িগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্পে দেশের প্রায় দুই লক্ষাধিক যুবক ও যুব মহিলা প্রশিক্ষণ ও কর্ম সংযুক্তি পেয়েছিল। দুই বছর পর প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা লাখ লাখ শিক্ষিতরা বেকার হয়ে পড়ি। বর্তমানে আমরা পরিবার ও সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে আছি। আমরা ন্যাশনাল সার্ভিস পুনরায় চালুর পাশাপাশি এটি স্থায়ী করার দাবিতে আজ সমবেত হয়েছি।’
জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘শহীদ মিনার চত্বরে অবস্থানের অনুমতি নিয়ে ন্যাশনাল সার্ভিসের কর্মীরা সড়কে অবস্থান নেন। এ সময় যান চলাচল বিঘ্নিত হয়ে কিছুটা জনদুর্ভোগ হয়েছে। আমরা বিকল্প সড়কে জনগণের চলাচলের ব্যবস্থা করেছিলাম।’

ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্প স্থায়ীকরণ ও প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার সাক্ষাতের দাবিতে কুড়িগ্রামে সড়ক অবরোধ করে বিক্ষোভ সমাবেশ ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করা হয়েছে। বাংলাদেশ ন্যাশনাল সার্ভিস পরিষদের কুড়িগ্রাম জেলা শাখা এই কর্মসূচি পালন করে।
আজ রোববার সকাল ৯টা থেকে কুড়িগ্রাম শহরের শাপলা চত্বরে জিরো পয়েন্ট কুড়িগ্রাম-চিলমারী-ভূরুঙ্গামারী সড়ক অবরোধ করে প্রায় ৫ ঘণ্টাব্যাপী এ কর্মসূচি পালন করেন সংগঠনের সদস্যরা।
ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্পের এই প্রতিবাদ কর্মসূচিতে কুড়িগ্রামের ৯ উপজেলার কয়েক হাজার সদস্য অংশগ্রহণ করেন। শহরের কেন্দ্রস্থলে সড়কের ওপর কর্মসূচি পালনের যান চলাচল বিঘ্নিত হয়ে জনদুর্ভোগ তৈরি হয়। চরম ভোগান্তিতে পড়ে সাধারণ মানুষ।
প্রতিবাদ কর্মসূচিতে বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর নির্বাচনী ইশতেহার ছিল—ঘরে ঘরে চাকরি দেবেন। কিন্তু ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্পের মাধ্যমে দুই বছর মেয়াদি চাকরির পর তা বন্ধ হয়ে যায়। ফলে এ প্রকল্পের কুড়িগ্রামের প্রায় ৩৮ হাজার শিক্ষিত মানুষ বেকার হয়ে পড়েছেন। এ প্রকল্পের স্থায়ীকরণের দাবি জানান তাঁরা।
সংগঠনটির কুড়িগ্রাম শাখার সাধারণ সম্পাদক মো. মাইদুল ইসলাম বলেন, ‘ন্যাশনাল সার্ভিস প্রকল্পে দেশের প্রায় দুই লক্ষাধিক যুবক ও যুব মহিলা প্রশিক্ষণ ও কর্ম সংযুক্তি পেয়েছিল। দুই বছর পর প্রকল্পটি বন্ধ হয়ে যাওয়ায় আমরা লাখ লাখ শিক্ষিতরা বেকার হয়ে পড়ি। বর্তমানে আমরা পরিবার ও সন্তান নিয়ে খুব কষ্টে আছি। আমরা ন্যাশনাল সার্ভিস পুনরায় চালুর পাশাপাশি এটি স্থায়ী করার দাবিতে আজ সমবেত হয়েছি।’
জেলা ট্রাফিক পুলিশের পরিদর্শক মোস্তাফিজুর রহমান বলেন, ‘শহীদ মিনার চত্বরে অবস্থানের অনুমতি নিয়ে ন্যাশনাল সার্ভিসের কর্মীরা সড়কে অবস্থান নেন। এ সময় যান চলাচল বিঘ্নিত হয়ে কিছুটা জনদুর্ভোগ হয়েছে। আমরা বিকল্প সড়কে জনগণের চলাচলের ব্যবস্থা করেছিলাম।’

বাবু মিয়া ভ্যানগাড়ি কেনার কথা বলে শ্বশুর কাজীমদ্দিনের কাছে ২০ হাজার টাকা দাবি করেন। শ্বশুর তিন হাজার টাকা দিলে এ নিয়ে স্ত্রী ও শ্বশুরের সঙ্গে তাঁর ঝগড়া হয়। এরপর বুধবার (১৪ জানুয়ারি) দুপুরে শিশুসন্তানদের নিয়ে শ্বশুরবাড়ি থেকে ঢাকায় ফিরে যান বাবু।
২৩ মিনিট আগে
ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের কেন্দ্রীয় খেলার মাঠে আয়োজিত ‘কুয়াশার গান’ কনসার্টে বিনা মূল্যে সিগারেট বিতরণের ঘটনাকে কেন্দ্র করে ব্যাপক আলোচনার জন্ম হয়েছে। এ ক্ষেত্রে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসন ও ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয় কেন্দ্রীয় ছাত্র সংসদের (ডাকসু) ভূমিকা নিয়ে সোশ্যাল মিডিয়ায় সমালোচনা শুরু হয়েছে। তামাক নিয়ন্ত্রণ আইনে
৩২ মিনিট আগে
আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, ত্যাগী ছাত্রদল নেতা-কর্মীদের বাদ দিয়ে নিষিদ্ধঘোষিত ছাত্রলীগের সঙ্গে যুক্ত ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত করে পৌর ছাত্রদলের নতুন কমিটি গঠন করা হয়েছে।
৩৩ মিনিট আগে
ভুক্তভোগী নারীর মেয়ে বলেন, ‘জন্মের পর থেকে বাবাকে মাদক সেবন করতে দেখেছি। এ নিয়ে সংসারে সব সময় কলহ লেগে থাকত। আমাদের তিন ভাইবোনের কথা চিন্তা করে মা একসময় প্রবাসে যান। তাতেও পরিস্থিতির উন্নতি হয়নি। বাধ্য হয়ে গত বছরের ২৫ মে মা বাবাকে তালাক দেন।’
১ ঘণ্টা আগে